বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অপরিচিতা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ☠Sajib Babu⚠ (০ পয়েন্ট)

X পাখির কিচির মিচির ও হঠাৎ কোকিলের ডাকা।এমন সকালে মনটা ভালোই থাকে।আর স্কুলে তো এতো সুন্দর সুন্দর নারী মধ্যে মনটা থাকেই অন্য রকম।তেমনি ক্লাসের বারান্দায় বসে বসে সুন্দর মেয়েদের লাফালাফি দেখতেছি।এমন অবস্থায় একটি মেয়ে এসেই--- -ভাইয়া ভাইয়া।আপনাকে ঐ মেয়েটা ডাকছে।(অপরিচিতো মেয়ে) (যেহেতু ভদ্র ছেলে দেখলে মেয়েদের এলার্জিটা বেড়ে যায় আমার ক্ষেত্রে তাই হবে বুজে আর গেলাম না) আবারো -ভাইয়া ভাইয়া আপনাকে ডাকছে তো। (অপরিচিতো মেয়েটি) -আরে আজব তো । কে ডাকেছে।কেনো ডাকেছে। না বললে।কিভাবে (আমি) -ঐ যে দেয়ালের পাশে ব্যাগ নিয়ে দাড়িয়ে আছে ঐ মেয়েটি। -আচ্ছা।তুমি যাও। (মেয়েটির কাছে গিয়েই বললাম) -তুমি কি আমাকে ডাকছো।(আমি) -হ্যাঁ। আমি তুসি আর আপনি।(অনন্যা) -আমি ফয়সাল।কি জন্য ডাকছিলা। -একটা কথা বলবো।রাগ করবেন না তো। -ঝটাঝট বলে ফেলো। -আমার না আপনাকে ভালোলাগে। -একজন মানুষ অন্য একজন মানুষ কে ভালোলাগতেই পারে।এতে এতো খুশি হওয়ার কি আছে। -না এটা ঐ ভালোলাগা না।এটা অন্য ভালোলাগা। -তা এটা কোন ভালোলাগা মিস তুসি মেডাম। . আর হে তুমি এই আপনি আপনি এটা ছাড়ো।যেহেতু জুনিয়র হয়তো তুমি বলো নয়তো তুই।আপনি করে বললে নিজেকে "চাচা" "চাচা" মনে হয় -হি হি হি। তুমি তো খুব মজার। -তোমার হাসিটা তো খুব সুন্দর (হঠাৎ একটা ধাক্কা দিয়ে আমাকে দেয়ালের সাথে আটকে ধরলো।আর ওর মুখ আর আমার মুখ প্রায় ২ ইঞ্চি ফাকা।এমন সময়) -তোমাকে আমি ভালোবাসি। -আয় হায় করছো কি।সরো সরো।কেউ দেখে ফেলবে।(ভয়ে ভয়ে) -কেউ দেখবে না। -আরে এখনি তো কেস খাইয়ি য়ে দিচ্ছিলে। (নিজেকে ছাড়িয়ে) -তুমি না -আরে রাখো তো তোমার তুমি না তুমি না।অনেকক্ষণ ধরে দেখছি।তুমি পাগল হয়ে গেছো।তোমাকে পাবনায় ভর্তি করা উচিত। -হ্যাঁ আমি তোমার পাগল।তোমার মনের খাচায় আমায় বন্দি করো। -ধুর।কোন হালার যে মুখ দেখে যে ঘুম থেকে উঠছিলাম।সকাল সকাল বাংলা সিনেমার ডায়লগ শুনা লাগতাছে (মনে মনে বললাম) (আর কিছু না বলে ক্লাসে চলে গেলাম। আর ক্লাস করতেছি।স্কুল ছুটির পর বাসায় চলে আসলাম ক্লান্ত শরীর আর মনটা ও মরা মরা লাগতেছে।তাই মন ভালো করার জন্যে কানে ইয়ারফোন গুজে গান শুনতে শুনতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়লাম আর এক ঘুমে যে সকাল হবে তা কে জানতো) -মা মা তুমি রাতে আমারে ডাক দেও নাই ক্রে (আমি) -ওরে আমার রাজ সাহেব।এতো ডাকার পর ও না উঠলে আমার কি দোষ (আম্মু) -আচ্ছা আচ্ছা।হইছে ধুর এতো ঘুম যে কই থেকে আসে আল্লাহ জানে খাওয়া দাওয়া করেই স্কুলের উদ্দেশ্য রওনা দিলাম। (হালকা ঠান্ডা বাতাস।রোদের আলো চিক চিক করতেছে।আর মৃঁদু বাতাসের গন্ধ নাকে ভেসে আসছে।আহা কি মধুর সকাল) _স্কুলের গেট দিয়ে ভিতরে ডুকতেছি এমন সময় পিছন থেকে একটা ডাক। -এই ফয়সাল।ফয়সাল শূনো সেদিক খেয়াল না করে ক্লাসে এসে বসলাম। হঠাৎ এক বন্ধু এসে বললো। -কিরে তুসি রে আবার কবে পটাইলি (বন্ধু) -আরে কি ফালতু পেচাল পারছ (আমি) -দাল মে কুচ কালা হে এ নিয়ে বন্ধু সব গুলার মধ্যে এক হাসির রোল পড়ে গেলো। এভাবে চলতেছে আমাকে আর তুসি কে নিয়ে হাসি তামাশা । আর তুসির জ্বালাতন।দিন দিন বেড়েই চলেছে হঠাৎ একদিন টিফিন টাইমে মাঠে দাড়িয়ে আছি।আর তুসি এসেই আমার বন্ধুদের সামনে বলে দিলো -হায় জান।কেমন আছো এদিকে বন্ধুদের হাসি আর আমার মাথা উঠছে রক্ত -ঠাস্ ঠাস্ । তুই আর আমার সামনে আসবি না।(রাগে তুই করে বলে ফেললাম) তুসি কাঁদতে কাঁদতে চলে গেলো।হাঠাৎ ই পরিবেশ টা নিস্তব্দ হয়ে।চোখে সব ঝাপসা দেখতেছি।হাতটা কাঁপছে। -এ আমি কি করলাম।নিজের রাগ অপরের উপর।না না কালকেই ওকে সরি বলতে হবে। পরের দিন--.... স্কুলে এসে দেখি তুসি নেই। তুসি নেই দেখে বুকে বাম পাশে একটা চিন চিনে ব্যথা অনুভব করলাম।দুদিন আগেই অপরিচিতো মেয়েটা আজ এতো পরিচিতো কেন।আজ এতো কাছের মানুষ কেনো। . এভাবেই কয়েক দিন কেটে গেলো।আশে পাশে পরিবেশ যেন অপরিচিতো হয়ে উঠছে তুসি কে ছাড়া।পরিচিতো রাস্তাও যেন আমাকে ধোঁকা দিচ্চে বারে বারেপরিচিতো সবাই কেনো আজ অপরিচিতো।কোনো কোনো। তুসি কে ছাড়া যেনো আমি অচল হয়ে পরেছি।দু চোখে অন্ধকারাচ্ছন্ন দেখছি।মন স্থির রাখতে পারছিনা।সারাদিন তুসি কে নিয়ে চিন্তা য় মগ্ন থাকি।আমি যেন পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম। *এমন একদিন তুসি স্কুলে আসলো হঠাৎ মনের মধ্যে খুশির এক উম্মাদ জানান দিলো।মনের মধ্যে ফুল ফুটলো।অনেক দিন পরে যেন অন্ধকার কুটিরে বন্দি ছিলাম।আজ যেন তা থেকে বের হলাম।তাই আর দেরি না করে দোকানে গিয়ে একটা ক্যাটবেরি চকলেট কিনলাম।আজ সরি আর প্রপোজ দুটোই করবো।আর পরে চকলেট টা দুজনে ভাগাভাগি করে খাবো। শুনেছি।ভাগাভাগি করে খাওয়া ভালোবাসার গভীরতা আরো বৃদ্ধি পায়। (তাই ওর ক্লাসে গিয়ে ওর সামনে হাঁটু গেরে বসে চকলেট টা বাড়িয়ে দিয়ে বললাম ) . তোমার প্রেমে করেছো দিওয়ানা , পাগল বানিয়েছো এ মন খানা , চুরি করিয়াছো আমার এই হৃদয় , আর পাগল করেছো আমার এ অন্তর , -আই এম সরি (দাড়িয়ে) কিছুক্ষণ পরে..... -ইটস্ ওকে।(মাথা নিচু করে) -I Love you কিছুক্ষণ নিরবতা।সবাই চুপ . . . -I Love You Too...... হঠাৎ নিরবতা ভেঙ্গেই একটা খুশি করো তালি আমার আর তুসি প্রেম নিবেদন করল। তুসি লজ্জায় আমার বুকে মুখ গুজালো। -কি লজ্জাবর্তী।লজ্জা পেলে নাকি -যাও।তূমি না...... . আমি তুসিকে জরিয়ে আছি আর তুসি আমাকে।এভাবেই জরিয়ে রাখতে চাই নিজের বুকের ভেতর আমার ভালোবাসার মানুষটি কে........।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অপরিচিতা
→ অপরিচিতাকে পাওয়ার আশায়
→ অপরিচিতা-২(session-2)
→ অপরিচিতা-১(session-2)
→ অপরিচিতা-৯
→ অপরিচিতা-৮
→ অপরিচিতা-৭
→ অপরিচিতা-৬
→ অপরিচিতা-৫
→ অপরিচিতা-(৩+৪)
→ অপরিচিতা-(১+২)
→ অচেনা অপরিচিতা
→ অপরিচিতা ১
→ এক জন অপরিচিতা মেয়ে

গল্পটির রেটিং দিনঃ-
☆ ☆ ☆ ☆ ☆

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now