বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গ্রামের নাম রসুল পুর।সেখানের এক ব্যাক্তি নাম হামিদ।সে একজন খারাপ লোক।সে সব ধরনে,অন্যায় কাজ করে। সে বিবাহ করেছে পায় আট থেকে দশ বছর।। তার কোনো সন্তান নেই।তার বউ তাকে বলে আমার একটি মাজারে নিয়ে যাও।হামিদ তার বউকে একটি মাজারে নিয়ে যায়।তার বউ মাজারে মানত করে, তার যদি সন্তান হয়,তাহলে সে মাজারে,গরু দিয়ে গরিব মানুষদের খাওয়াবে।এবং কয়েক মাস পর সে জানতে পারে। তার সন্তান হবে।এমনি করতে করতে, নয় মাস হয়।হঠাৎ একদিন হামিদ নেশা করে বাড়ি আসে।এবং হামিদ তার বউ কে বলে তোর পেট বড় কেনো।তুই কার সাথে রাত রাত কাটিয়ে ছিলি।এই সন্তান তো আমার না।কারন আমার জীবনে সন্তান হবেনা। তখন তার বউ বলে। এই সন্তান তোমার।তখন হামিদ রেগে গিয়ে বলে, না আমার সন্তান না।তুই কার পাপ আমার গারে চেপে দিসছিস।। আমি তোকে মেরে ফেলবো।তখন হামিদ,তার বউয়ের পেটে লাথি মারে,তখন তার বউ ব্যাথা পায়।এবং সে মাটিতে পরে যায়।গ্রামের কিছু মানুষ আসে।তখন হামিদকে সবাই বকাচকা করে। কিন্তু এক ঘন্টার পর তার বউ মরে যায়।কিন্তু তার ছেলে সন্তান হয়।গ্রামের মানুষ হামিদকে পুলিশের হাতে তুলে দেয় তার বউয়ের হত্যা করার জন্য।গ্রামের এক ব্যাক্তি হামিদের ছেলে কে নিয়ে যায়,সে লালন পালন করবে।তার কেউ নেই।সে হামিদে ছেলে নাম রাখে,হোসেন।আর হামিদে বারো বছর জেল হয়।হোসেনের পালিত বাবা, মাটি কেটে তার জন্য দুধ কিনে আনে। এবং এভাবে দেখতে দেখতে পাচ বছর চলে যায়।তাকে মাদ্রাসা তে ভর্তি করে। হোসেন গ্রামে সব ছেলেদের চেয়ে আলাদা, হোসেন মিথ্যা কথা বলে না এবং সে মেধাবি ছাএ।গ্রামের সব মানুষ, হোসেন কে ভালোবাসে।একদিন হোসেন বাড়ি ফেরা পথে, দেখে এক ব্যাক্তি ব্যাগ পড়ে যায়।সে বুঝতে পারেনি।সে চলে যায়। তখন হোসেন,ব্যাগটি হাতে নিয়ে।ব্যাগটির মালিকে কাছে নিয়ে যায়।তখন লোকটি হোসেন কে বলে তুমি কে। আমি হোসেন।তখন লোকটি হোসেন কে টাকা দেয়। হোসেন টাকা নেই না হোসেন বলে আমি, আমার কত্যব করেছি। আমি টাকা নিবো না।তারপর হোসেন চলে আসে।গ্রামের সব মানুষ হোসেনে তার সততা দেখে তারা মুগ্দ।তারা বলে হোসেন একদিন গ্রামের সবার প্রিয় হবে।হোসেনে পালিত বাবা একদিন অসু্স্ত হয়ে পড়ে।এবং তিনদিন পরে সে মারা যায়।হোসেন একা হয়ে যায়।তারপর হোসেন আর পড়তে পারি নি। সে নিজে কাজ করতে শুরু করে।হোসেনে ১২ বছর হয়ে যায়।একদিন হোসেন কাজ শেষ করে বাড়িতে ফিরছে, তখন এক ব্যাক্তি কে দেখে সে গাছের নিছে শুয়ে আছে।হোসেন তাকে বলে,আমি হামিদ। আমি জেল থেকে আজ মুক্ত হয়েছি।আমি কোথায় যাবো, আমি জানি না,,,তখন হোসেন ব্যাক্তি কে তার বাড়িতে নিয়ে যায়।তাকে ভাত খেতে দেয়।তারপরে হোসেন তাকে বলে, আপননর বাড়ি কোথায়।হামিদ বলে,আমার বাড়ি এই গ্রামেই, কিন্তু কেউ আমাকে সাহায্য করছে না, ত কারন হলো। আমি আমার বউকে মেরে,জেলে যায়।তারপরে হোসেন তাকে বলে আপনি এখানে থাকবেন,আমি একা, আমার বাবা নেই।তারপরে লোকটি ঘুমিয়ে যায়।হোসেন বিছানায় শুয়ে আছে। হোসেনে ঘুম, আসে না।হোসেন চিন্তা করতে থাকে।কে এই ব্যাক্তি, তাকে দেখে মনে হচ্ছে সে আমার কত আপন।।।,,,,,,অপেখায়ে থাকুন পূর্ব ২
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now