বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বন্ধুত্ব অতঃপর ভালোবাসা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান জাকারিয়া আহমেদ (০ পয়েন্ট)

X ক্রিং ক্রিং ক্রিং ক্রিং সোহান-কিরে পেত্নি এত সকাল সকাল ফোন দিলি কেন,? সাবিয়া-কেন বাবু ফোন দিয়ে কি খুব ডিস্টাব করলাম হাহাহাাহাহিহিহি সোহান-দেখ একদম হাসবি না কিন্তু জানিস কত সুন্দর একটা স্বপ্ন দেখতেছিলাম দিলি তো ফোন দিয়ে সব নষ্ট করে। সাবিয়া-হারামি তোর স্বপ্ন আমি বাহির করতেছি তুই 1 ঘন্টার মধ্যে কলেজে আসবি। সোহান-পারবো না আমি 1 ঘন্টার মধ্যে কলেজে আসতে। সাবিয়া-পারবি না তাই না দারা আন্টিকে কল দিতেছি যে তার ছেলে সারারাত ধরে মেয়েদের সাথে প্রেম করে আর কলেজ না গিয়ে পরে পরে ঘুমায়। সোহান-প্লিজ আম্মাকে এইসব বলিস না(নিরিহ ভাবে)আমি ২০ মিনিটের ভিতরে আসতেছি সাবিয়া-এইতো গুড বয়,,আর হে আসার সময় কিন্তু আমার জন্য চকলেট নিয়ে আসবি? সোহান-বললেই হলো নাকি যে চকলেট নিয়ে আসবি টাকা কি তোর আব্বা দিয়ে গেছে নাকি যে তোর জন্য চকলেট আনতে হবে (বলেই মনে হলো এটা কি বলতে কি বলে ফেললাম) সাবিয়া-কি বললি হারামি বলেই কাঁদতে শুরু করে দিলো,আর বলতে লাগলো যা তোকে চকলেট দিয়ে হবে না আর আমার সাথে কখনো কথা ও বলবি না ফোন ও দিবি না বলেই ফোন টা কেটে দিলো, যা কি ভাবলাম আর কি হলো।যাই হক আপনাদেরকে এবার আমার পরিচয় টা দিয়ে নেই আমি হলাম সোহান আর যার সাথে এতক্ষন মিষ্টি ঝগরা হলো সে হলো আমার একমাএ বেস্ট ফ্রেন্ড সাবিয়া কিন্তু আমি ওকে বন্ধু থেকে অন্যভাবে দেখি বলতে পারেন ভালোবাসি বাট আজ পর্যন্ত বলা হয়ে ওঠে নি তবে ভেবেন না আমি ভিতু শুধু মাএ বন্ধুত্ব টা নষ্ট হয়ে যাবে তাই এখনো বলা হয়নি তবে একদিন না একদিন বলেই দেবো। যাই হক ফ্রেস হয়ে তাড়াতাড়ি কলেজে যেতে হবে না হলে আজকে আর মহারানি আমার সাথে কথাও বলবে না ফোন ও দিবে না।কোন রকম ভাবে তাড়াতাড়ি নাস্তাটা সেরে কলেজের দিকে রওনা হলাম,,, আর হে আমার পাগলিটার জন্য চকলেট ও আইসক্রিম নিয়ে নিলাম যাতে পাগলিটার রাগটা একটু কমাতে পারি এই আর কি।এইসব ভাবতে ভাবতে চলে আসলাম কলেজের দিকে আর যা ভেবে ছিলাম তাই হলো ওই তো পাগলি আমার একা একা নাক মুখ ফুলিয়ে বসে আছেন লিচু গাছটার নিচে, আমি চুপি চুপি পেছন দিক দিয়ে গিয়ে পাগলিটার চোঁখ দুইটা বন্ধ করে দিলাম দেখি ও কোন কথা বলেছে না চুপ করেই আছে কেউ যে তার চোঁখ বন্ধ করে রাখছে এতে তার কোন ভ্রুখেপ ও নাই তাই আমিই চোঁখ গুলা ছেরে দিয়ে বললাম, সোহান-কিরে মন খারাপ করে বসে আছিস কেন সাবিয়া-এমনি তেই আর কে বললো আমার মন খারাপ সোহান-তুই না বললে ও আমি বুঝতে পেরেছে যে তোর মন খারাপ আর সকালের কথায় তুই রাগ করেছিস তাই না সাবিয়া-আরে নাহ রাগ করবো কেন রাগ করার কি আছে যেই টা সত্যি সেইটা তো বলবিই সোহান- আমি সত্যিই sorryyyyyy রে আমাকে মাপ করে দে আমি তোকে ওই ভাবে বলতে চাইনাই সাবিয়া-আচ্চা যা তোকে এবারের মতো মাপ করে দিলাম যদি আর কোন দিন বলিস তাহলে দেখিস তোর সাথে আর কথাই বলবো না। সোহান-আচ্চা sorryyy এমন ভুল আর হবে না এই কান ধরলাম,এবার চল ক্লাসে যাই আর হে এই নে তোর আইসক্রিম আর চকলেট বলেই সোহান সাবিয়ার হাতে দিয়ে দিলো। সাবিয়া-thank u dos চল ক্লাসে যাই। সোহান-u r most wellcome চল এই বলেই তারা দুইজন ক্লাসে চলে গেলো। এই ভাবেই চলছে তাদের প্রতিদিনের রুটিন,আজ কয়দিন ধরেই সোহান ব্যাকুল হয়ে আছে কি ভাবে সাবিয়াকে প্রপোস করা যায় ওই দিকে সাবিয়ার ও একই অবস্তা সারাদিন ভাবে যদি সোহান আমাকে ভালোইনা বাসে তাহলে কেন ও আমার সব কথা শোনে সব কাজ করে দেয় যা করতে বলি তাই করে তাহলে কি সোহান ও সাবিয়া কে ভালোবাসে এই ভাবনাই ভাবতে থাকে সোহান ও সাবিয়া,, আর তাই সাবিয়া ভাবলো কালকে সোহান কে পরিক্ষা নিবে সোহান সত্যি ওকে ভালোবাসে কি না তাই, সাবিয়া ওদের ক্লাসের একটা ছেলেকে বলে রাখলো সব কিছু কি ভাবে কি করতে হবে সেই ছেলেটিও জবাব দিল কাজ হয়ে যাবে। পরদিন কলেজে সাবিয়া আগে গিয়ে সেই ছেলেটিকে বুঝিয়ে দিলো কি ভাবে কি করতে হবে,একটু পরেই সোহান এসে গেলো তাই দেখে সাবিয়া ও সেই ছেলেটি প্রেমের অভিনয় শুরু করে দিলো সোহান তো তা দেখে পরাই পাগোলের মতো অবস্তা সে ভাবেছিল আজকে সাবিয়াকে প্রপোস করবে আর এখন দেখছে সাবিয়া আর ওদের ক্লাসের অন্য একটা ছেলে প্রেম করছে এটা দেখে সোহান আর সর্য করতে পারছিলো না তাই সে বাসার দিকে চলে যাচ্চিলো সেই সময় সোহানের বন্ধু নাফিজ তাকে নিয়ে জোর করে কলেজে ঢুকলো,, সোহান এখন কি করবে অনেক ভেবে সিন্ধান্ত নিলো সাবিয়ার জিবন থেকে সে সরে যাবে এই মুখ আর কখনো তাকে দেখাবে না,তাই ওদের সামনে গেলে। সোহান-কিরে সাবিয়া তোদের কি অবস্তা আর দুইজন দুইজেনের হাত ধরে বসে আছিস যে? সাবিয়া-বলিস না ও যে আমার জন্য এত পাগল আমি আগে জানতামই না,আজকে সকালে যখন কলেজে আসলাম আর তখনি ও আমাকে সবার সামনে প্রপোস করছে আর আমি ওর আকুতি মিনতি দেখে না করতে পারলাম না তাই রাজি হয়ে গেলাম আমাদের দুই জনকে কেমন মানিছে রে সোহান? সোহান-খুব ভালো রে তোদের দুইজনকে অনেক মানিয়েছে(কান্না চেপে রেখে অনেক কষ্টে কথা গুলো বললো সোহান।) সাবিয়া-thank u dos আমি জানতাম তুই এই কথাই বলবি(কিন্তু সাবিয়া মনে মনে সোহান কে অনেক গালি দিচ্ছে যে বদ পুলা ভালোবাসতে পারো আর বলতে পারো না) সোহান-আচ্চা তোরা তাহলে থাক আমার বাসায় একটু কাজ আছে আমাকে এখনি বাসায় যেতে হবে... (সাবিয়া মনে মনে বলছে দাড়াও তোমার বাসায় যাওয়া আমি ছুটাচ্চি চান্দু) সোহান যেই না একটু খানি সামনে গিয়ে চোঁখ মুছতেছে আর হাঁটতেছে সেই সময় সাবিয়া ওর সামনে দৌড় দিয়ে চলে যায়, সাবিয়া-কিরে কান্না করতেছিস কেন,? সোহান-কোথায় কান্না করতেছি আমি তো কাঁদতেছি না হঠাৎ কি যে চোখে গেলে তাই পানি চলে আসছে,। সাবিয়া-ও তাই না এই বলেই সোহানের গালে কসে একটা থাপ্পর দিলো আশেপাশে যারা ছিলো সবাই অবাক,,,, (সাবিয়া কান্না করতেছে আর বলতেছে সয়তান,বান্দর,কুত্তা, তুই আমাকে ভালোবাসিস এই কথাটা কি আজকে ও বলতে পারবি না বলেই সাবিয়া আরো জোরে জোরে কান্না করতে লাগলো, সোহান-কিন্তু তুই যে বললি তুই ওকে ভালোবাসি? সাবিয়া-বুদ্ধু কোথাকার আমি ভাবছিলাম তুই আমাকে ওর সাথে দেখলে রেগে যাবি আর তোর মনের কথাটা বলে দিবি কিন্তু তিনি তা না করে মহান সেজে চলে যাচ্চেন(সাবিয়ার কান্না চলতেই আছে অনাবরত) সোহান-ভালোবাসিস আমাকে,? সাবিয়া-না আমি কোন কুত্তা ছেলেকে ভালোবাসি না যে কিনা এখনো আমাকে প্রপোস করে নাই। সোহান- ওই পাগ্লি খুব ভালোবাসি তোকে,। সাবিয়া-এমন প্রপোসে হবে না ভালো করে করতে হবে। সোহান-এর থেকে ভালো করে আমি আর পারবো না রাজি হলে হ না হলে চলে গেলাম? সাবিয়া-তুই যেয়েইদেখ তোকা আমি খুন করে ফেলবো(বলেই সাবিয়া সোহানের বুকে এসে পরলো আর সোহান ও পরম আদরে জরিয়ে নিল তার রাজকন্যাকে, (কিন্তু শেষ পর্যন্ত ছ্যাকা খেয়ে ব্যাকা হয়ে গেলো সোহাগ) এটা আমার জিবনের প্রথম গল্প লেখা জানি না কেমন হয়েছে আশা করি ভালো লাগবে, ভুলত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টি দিয়ে দেখবেন, আর হে অবশ্যই কেমন হয়েছে জানাতে ভুলবে না কিন্তু,???


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now