বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

শেষ ঠিকানা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান জাকারিয়া আহমেদ (০ পয়েন্ট)

X দুচোখে জল নিয়ে সাগর চিঠিটা পড়ছে, পড়তে পড়তে সারা শরীরে অদ্ভুদ কোন শিহরন বয়ে যাচ্ছে। সাগর জীবনে অনেক চিঠি পড়েছে, কিন্তু এই চিঠিটা পড়তে বার বার ই হোচট খাচ্ছে সে। ঝাপসা চোখ দুটো আরো বেশি ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে.... চিঠিটা তার মায়ের লেখা.... কিছুটা অস্পষ্ট,,,,, প্রিয় খোকা, কেমন আছো? আশা করি স্ত্রী সন্তান নিয়ে ভালোই থাকবে। কারণ তোমার ভালো থাকার সব ব্যাবস্থা তোমার বাবা করে গেছেন। তোমার ছেলেটাকে দেখার খুব ইচ্ছা ছিল, কিন্তু সে সুযোগ হয়ত আর পাবোনা। হয়ত ভাগ্যটাই এমন..... জানো, আজ খুব মনে পরছে সেই স্মৃতিময় দিন গুলোর কথা। আমি ঢাকা ইউনিভার্সিটির চারুকলা বিভাগে প্রথম বর্ষে পড়তাম, আর তোমার বাবা পড়তো নাট্যকলা বিভাগে ৩য় বর্ষে। বিভিন্ন অকেশন এ, আমার তৈরি শিল্পকর্ম দেখে সে মুগ্ধ হতো। সে আমাকে অনুরোধ করতো, আমি যেন তার একটা ছবি এঁকে দেই। আমি দিতাম না, তাকে অপেক্ষায় রেখেই আনন্দ পেতাম। কিন্তু মনে মনে তাকে খুব ভালবাসতাম। তার যেকোন নাটক মঞ্চস্থ হলে, ছুটে যেতাম দেখতে। তার অটোগ্রাফ চাইতাম। এভাবেই তার সাথে মিশে গেলাম একই বৃন্তে। তোমার নানা ছিল অঢেল সম্পদের অধিকারী, সেই তুলনায় তোমার বাবার কিছুই ছিলনা। গ্রাম থেকে এসে ঢাকায় পড়াশোনা করত। একদিন আমি তার ছবি আঁকতে বসি, আঁকতে আঁকতে আমি পুরোপুরি পাগল হয়ে যাই তোমার বাবার প্রেমে। এক হেমন্তের বিকেলে সে একগুচ্ছ গোলাপ হাতে নিয়ে এসে বলেছিল, ভালবাসি তোমায়..... আমি তাকে ফেরাতে পারিনি, জরিয়ে গেলাম তার মায়ার অদৃশ্য জালে। জানি তোমার নানা কখনও নাম পরিচয়হীন একটা লোকের কাছে আমাকে বিয়ে দিবে না। কিন্তু তোমার বাবার ভালবাসা আমাকে সমাজ, নিয়ম, নীতি সব কিছুর উর্ধ্বে নিয়ে গিয়েছিল। তাই গোপনে আমরা বিয়ে করে সংসার শুরু করি। আমার বাবা আমাকে বাড়িতে নেয়ার অনেক চেষ্টা করে, কিন্তু পারেনা। একদিন আমার একটা কাজের অফার আসে, আমেরিকার একটা ইউনিটে। কিন্তু তুমি তখন আমার গর্ভে। আমার পৃথিবীটা তখন অনাগত তুমি দিয়ে সাজিয়ে ফেলেছি, এখানে বাইরের কোন অর্থ প্রতিপত্তির কোন মূল্যই ছিল না। তারা তোমার বাবাকে সহ আমাকে সেখানে যাবার অফার করেছিল, কিন্তু আমি যাই নি। আমি চেয়েছিলাম, আমাদের দেশের মনোরম পরিবেশে আমার সন্তানের জন্ম হোক। যেদিন আমি অপারেশন থিয়েটারে, মৃত্যূ যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছি, আর তোমার আসার অপেক্ষার প্রহর গুনছি....... সে কি যন্ত্রনা বাবা, তোমাকে বোঝাতে পারবো না। তোমার মুখটা দেখার জন্য সবকিছু ভুলে থাকার চেষ্টা। হঠাৎ ডাক্তার তোমার বাবাকে বলল,,, মা অথবা সন্তান দুজনের মধ্যে থেকে শুধু একজনকে বাঁচানো সম্ভব। তোমার বাবা হয়ত আমাকে হারানোর ভয়ে সেদিন বলেছিল, আমাকে বাঁচাতে। কিন্তু আমি ডাক্তারের কানে কানে শুধু একটা কথাই বলেছি,,,,,,আমার দশ মাসের স্বপ্ন, আপনি এক মুহুর্তে শেষ করে দিবেন না। আমিতো পৃথিবীকে দেখেছি, তাই আমি চাই আমার সন্তান যেন সুন্দর পৃথিবীটা দেখতে পায়। ডাক্তার তখন আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বলেছিল, সে দুজনকেই বাঁচানোর চেষ্টা করবে, বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছে। সেদিন অলৌকিক ভাবে তুমি আর আমি দুজনই বেঁচে গিয়েছিলাম। হয়ত তোমার আমার ভালবাসা এতটাই শক্ত ছিল, যে মৃত্যুও হার মেনেছিল। তুমি এসে আমাদের পৃথিবীটাই পাল্টে দিলে, হাজারো কষ্টের মাঝেও তোমাকে নিয়ে আমরা সুখে থাকতাম, তোমাকে মানুষ করতে গিয়ে তোমার বাবা আর আমার পড়াশোনা টা ওখানেই সমাপ্ত করতে হয়েছিল। সে এফডিসিতে সামান্য বেতনে একটা চাকরি করত, আর আমি তোমাকে লালন পালন করেই দিন কাটাতাম। তুমি তখন অনেক ছোট,,,,,তোমার বাবার হঠাৎ ক্যান্সার ধরা পরে। সে অনেক কষ্ট.... যা তুমি দেখোনি, আমি দেখেছি। যেদিন তোমার বাবার লাশটা দরজার সামনে পড়ে ছিল, তখন তুমি আমাকে জরিয়ে ধরে বলেছিলে, আম্মু তুমি আমাকে ছেড়ে যেওনা! আমি কিন্তু আমার কথা রেখেছি বাবা। তোমার বাবার মৃত্যূ আমাকে পাথর করে দিয়েছিল, মানুষটাকে খুব ভালবাসতাম। সেদিন তোমার নানা এসে আমাদের পাশে দাড়ায়, নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়, তোমাকে আর আমাকে। সেখানে দিন গুলো ভালোই কাটছিল, কিন্তু তোমার বাবাকে খুব মিস করতাম। আমার অনেক ভালো ভালো জায়গা থেকে বিয়ের প্রস্তাব আসতো, কিন্তু তখন তুমি আর আমার মাঝে আমি কাউকে আসতে দেইনি। একদিন তোমার নানাও আমাদের ছেড়ে চলে গেল! শুরু হলো তোমাকে নিয়ে আমার জীবন সংগ্রাম। তোমাকে ভালো স্কুলে ভর্তি করালাম। তুমি তখন আমাকে ছাড়া কিছুই বুঝতে না। অন্ধকারে ভয় পেয়ে মা মা করে চিৎকার করতে, আমাকে জরিয়ে ধরে কাঁদতে,,,,তোমার ছোট হাত দুটি আমি এখনও মিস করি বাবা..... তোমার গন্ধ, তোমার উঞ্চতা আমি এখনও অনুভব করি। যখন তুমি এইচ এস সি তে গোল্ডেন জিপিএ ফাইভ পেলে, আমি ধন্য হলাম। তোমার বাবাকে আমি কথা দিয়েছিলাম যে তোমার কোন চাওয়া অপূর্ণ রাখব না! তাই তুমি পড়াশোনা করতে লন্ডন যেতে চাইলে বাধা দেইনি। আমার একাকিত্বের শূণ্য পৃথিবীতে বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন ছিলে তুমি, তোমাকে ছাড়া থাকাটা যে কতটা কষ্টের সেটা তুমি বুঝবে না। জানি, তুমি হয়ত অবাক হচ্ছো,,,,, আমি এতদিন পর এসব কথা কেন বলছি। বলছি এই জন্য,যে তোমার সাথে হয়ত আমার আর দেখা হবেনা। হয়ত এটাই তোমাকে লেখা আমার শেষ চিঠি....! জানো, আজ কাল তোমার বাবাকে খুব স্বপ্নে দেখি। সে আমাকে গান শোনায়, বুকে নিয়ে মাথায় হাত বুলায়। সে আমাকে বলেছে, আমার কষ্টের দিন শেষ, আমি খুব শীগ্রই তার কাছে চলে যাচ্ছি।। খামের মধ্যে একটা কাগজ আছে, সেখানে তোমার বাবা আমাদের না জানিয়ে তোমার জন্য একটা ডিপিএস করেছিলো, তার সব কাগজপত্র। সেখানে অনেক টাকা আছে। এই জন্যই হয়ত ভালো বাজার খেতে চেয়েও বেশি বাজার করত না। কোথাও বেরাতে নিয়ে যেতনা আমাকে, টাকা খরচ হবার ভয়ে। আজ খুব ইচ্ছে করছে, তোমার মুখে একটু মা ডাক শুনতে, ইচ্ছে করছে তোমার সেই ছোট্ট মিষ্টি মুখ খানিতে স্নেহের পরশ বুলাতে! হয়ত সেটা সম্ভব নয়..... ভালো থেকো বাবা, আমি তোমায় ক্ষমা করে দিলাম! ইতি তোমার মা চিঠিটা শেষ করে সাগরের ঘোর কাটলো, সে ছুটে গেল তার শোবার ঘরে। যেখানে তার মায়ের আঁকা একটা ছবি,,,,, বাবা, মা, আর ছোট্ট সাগর। ব্যস্ততার কারণে এতদিন যে ছবিটা দেখারও সময় হয়নি , সেই ছবি বুকে নিয়ে অঝোরে কাঁদছে সাগর। পড়াশুনা করতে লন্ডন এসে একটা মেয়ের প্রেমে পড়ে সাগর, মেয়ের বাবার সম্পত্তি দেখে, বিয়ে করে সেটেল হয়ে যায় এখানেই। লন্ডনের একটা ইউনিভার্সিটিতে গনিতের অধ্যাপক জনাব সাগর আহমেদ। একটা সন্তান আর স্ত্রীকে নিয়ে বেশ আছে। বিয়ের সময় স্ত্রীকে কথা দিয়েছে, কখনও বাংলাদেশে যাবেনা......! ব্যস্ততার কারণে যে অভিমানী মায়ের খোঁজ নেয়ার সময় ও হয়নি, আজ বার বার সেই মাকে দেখতে ইচ্ছে করছে। খুব ইচ্ছে করছে মায়ের পা দুটি জরিয়ে ধরে কাঁদতে..... মা গো...আমায় ক্ষমা করে দাও! সাগর দ্রুত বিমানের টিকেট বুক করল, আজ আর স্ত্রীর নিষেধ শুনলো না। ছেলেটাকে নিয়ে রওনা হলো নিজের দেশে, মায়ের কাছে। যেই মা তার সারাটা জীবন ব্যয় করেছে শুধু তাকে মানুষ করতে। নানার বাড়িতে গিয়ে দেখে বিশাল এক তালা, কেয়ারটেকার এসে তাকে একটা কাগজ দেয়, আর একটা বৃদ্ধাশ্রমের ঠিকানা দেয়। সাগর কাঁপা কাঁপা হাতে কাগজটা খোলে, দেখে তার মা তার নানার রেখে যাওয়া সব সম্পত্তি তার নামে করে গেছে। দুহাতে চোখ মুছে দ্রুত ছুটে চলে বৃদ্ধাশ্রমের দিকে...... গেটের সামনে অনেক লোকের সমাগম। ভির ঠেলে ভেতরে যেতেই সাগরের পুরো শরীর কাঁটা দিয়ে ওঠে।। সামনে একটা খাটিয়ার উপর সাদা কাপড়ে মুখ ঢাকা একটি লাশ। সবাই কাঁদছে, আর বৃদ্ধার অতীত জীবনের কথা বলছে। কথাগুলো সাগরের পরিচিত। সে ধিরে ধিরে সামনে এগিয়ে যায়, গিয়ে আলতো করে মুখের উপর থেকে কাপড়টা সরায়! সাগরের সমস্ত শরীর হীম হয়ে যায়,,,,,সে এই বৃদ্ধাকে চিনতে পারছে না। বয়সের ছাপ তার সমস্ত মুখমন্ডলে। হঠাৎ সাগরের চোখ পড়ল বৃদ্ধার বুকের উপর পড়ে থাকে একটা ফ্রেমের উপর, দুহাতে চেপে ধরে রাখা ফ্রেমটা আস্তে আস্তে করে আলগা করে হাতে নিয়ে যা দেখে, তাতে সাগরের চক্ষুস্থির হয়ে যায়।। এ তো সেই ছবি,,,,, বাবা, মা, আর ছোট্ট সাগর! তাহলে এই বৃদ্ধা কে? সাগর ভালো করে দেখতে থাকে,,,,,,,ছবির সাথে মিলিয়ে দেখে, ঠোঁটের নিচে একটা তিল, ছোট বেলায় সাগরের ব্যাটের বাড়ি খেয়ে মায়ের কপাল ফেটে রক্ত ঝড়ে, হ্যা,,,,,এই সেই দাগ, স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। তাহলে কি....... সাগর মা বলে চিৎকার করে ডুকরে কেঁদে ওঠে মায়ের মৃত দেহের উপর পরে। দৌড়ে মায়ের পা দুটো বেড় করে চুমো খায়। মা, আমায় আর একটা সুযোগ দাও মা! আমাকে ছেড়ে যেওনা মা, তুমি আমাকে কত ভালবাসতে, আর আমি নিজের স্বার্থের জন্য তোমাকে একা করে চলে গেছি। দেখো মা, আমি তোমার সেই খোকা, তোমার কাছে ফিরে এসেছি।। আমাকে আদর করবে না মা? আমাকে ঘুম পাড়াবে না? সাগরের পিঠে হাত বুলিয়ে এক বৃদ্ধ এসে বলে, তুমি বড় দেরি করে ফেলেছো বাবা! সে আর আসবে না, একবুক যন্ত্রনা আর অভিমান নিয়ে সে চলে গেছে...... মৃত্যুর আগে বার বার বলেছিল, আমার ছেলে না আসা পর্যন্ত আমাকে যেন কবর দেয়া না হয়। আমার বিশ্বাস, আমার ছেলে আসবে...... আর সে হয়ত আমাকে চিনতে পারবেনা, বুড়ো হয়ে গেছি তো! তাই আমার এই ছবিটা কেউ সরাবেন না, সে না আশা পর্যন্ত। ছবিটা বুকে আগলে রেখেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সাগর আর কিছু বলতে পারেনা, এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে মায়ের দিকে।। এই মা তাকে দশ মাস দশ দিন পেটে ধরে হাজারো যন্ত্রনা সহ্য করে তাকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছে, স্বামীকে হারিয়ে একমাত্র ছেলেকে বুকে নিয়ে নিজের জীবন যৌবন সব ব্যয় করেছে ছেলের পিছনে। আর সেই ছেলে মাকে সারাজীবন কান্না আর যন্ত্রনা ছাড়া কিছুই দিতে পারেনি! আজ সেই মায়ের কবরে একমুঠো মাটি দিতে গিয়েও অনুসোচনায় হাত কাঁপছে সাগরের। মায়ের কবর দেয়া শেষ করে সাগর বাসায় ফিরে আসে, মায়ের রেখে যাওয়া নানার সেই বিশাল বাড়িতে। যেখানে মায়ের ছোট বেলার অনেক ছবি, কত সুন্দর দেখতে ছিল মা! সাগরের বাবার সাথে ছবি, সাগরের ছোট থেকে বড় হওয়ার সব ছবি, নিজের হাতে এঁকেছে মা! দেখতে দেখতে সাগরের চোখ দুটো ঝাপসা হয়ে যায়। হঠাৎ ওর ছেলে এসে বলে,,,,, আব্বু আব্বু দেখো, আমি একটা ছবি এঁকেছি....... ছবিতে একটা ছেলে, একটা মেয়ে, আর মাঝে একটা বাচ্চা। সাগর চোখ মুছে জিজ্ঞেস করে, এখানে কে কে বাবা? আমি, তুমি আর তোমার মা? ছেলেটা একটা মুচকি হাসি দিয়ে বলে, না বাবা। এটা আমি, এটা আমার স্ত্রী, আর এটা আমাদের ছোট্ট বাবু। সাগর চমকে ওঠে! বলে তাহলে আমি কোথায় বাবা? ছেলে বলে, কেন বৃদ্ধাশ্রমে? আমার দাদি তো আমাদের সাথে ছিলনা, বৃদ্ধাশ্রমে ছিল। তাহলে আমি বড় হলে তুমিও তো বৃদ্ধাশ্রমে থাকবে........ সাগর আর কথা বলল না! কিছুদিন পর সাগরের স্ত্রী ডিবোর্স পেপার পাঠায়, ছেলেও বড় হয়ে মায়ের কাছে লন্ডনে চলে যায়..... সাগর মায়ের আঁকা সেই ছবি গুলো দেখে দেখেই দিন কাটায়। একদিন নানার সব সম্পত্তি বৃদ্ধাশ্রমের নামে দলিল করে দিয়ে, চলে যায় সেই বৃদ্ধাশ্রমে,,,,, যেখানে তার মায়ের মৃত্যূ হয়েছে। কারণ সে জানে, ওটাই তার শেষ ঠিকানা...... আর এভাবেই শেষ হয় আর একটা সুন্দর স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে ওঠা, দুঃস্বপ্নের করুণ একটা গল্পের।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ শেষ ঠিকানা!
→ স্বপনের ঠিকানা পেলাম♥… শেষ পাট
→ শেষ ঠিকানা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now