বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সুজন: জানি আমি
তোমাকে কখনো সুখি
রাখতে পারবো না।
মুনমুন: কে বললো আমি ত,
খুব সুখে আছি,,,।
সুজন: কোথায় আর রাখতে
পারলাম তোমাকে সুখে,,,
কোনদিন খেতে দিতে
পারি আবার কোনদিন
খেতে দিতে পারি
নাহ,,,,
মুনমুন: দেখো বেশি
বুজবা নাহ,,,না খেয়ে
থাকলে কি হবে,, তোমার
ভালবাসা আমাকে সব
ভুলিয়ে দেই।
সুজন: তোমাকে আমি
আমার কুড়ে ঘরে থাকতে
দিসি,, দিতে পারি নাই
শোবার জন্য কোনো
ভালো বালিশ বিছানা,,,
তোমাকে মাটিতে
থাকতে দিছি,,,,
মুনমুন: কে বলছে হা,,
তুমি আমাকে অনেক সুখ
দিছো,, তোমার বুকটাই ত
আমার বালিশ,, তোমার
বুকে মাথা রেখে আমি
সারাটি জীবন ঘুমাতে
চাই,,,,
সুজন: জানি তোমার কষ্ট
হয়,, আমি তোমাকে ভালো
কিছু দিতে পারি নাহ,,,
এক কাপড় তোমাকে
পড়িয়ে রাখছি,,,,
মুনমুন: তোমার
ভালবাসাটা আমার
কাছে সব,, আমি আর কিছু
চাই নাহ শুধু তোমার
একটু ভালবাসা
চাই,,,ভালবেসে বুকে
জড়িয়ে নিয়ো।
সুজন: হুম নিবো,,
তোমাকে আমি আমার সব
ভালবাসা দিয়ে উজার
করে রাখবো,,,
মুনমুন: তোমার চোখে
পানি কেন।
সুজন: কোথায় পানি,,,,
মুনমুন: লুকাবে নাহ বলে
দিলাম,,,
বলেই মুনমুন সুজকে
জড়িয়ে ধরে কান্না
করে দিলো,,,,,, এদের
কান্নাটা দুঃখের নাহ
আনন্দের,,,,,,,,,,,,,,
সুজন মুনমুনকে প্রথম
দেখায় ভালবেসে
ফেলে,, মুনমুন এর পিছু
ঘুরতো, কিন্তু মুনমুন
সুজনকে নাহ করে দেয়,,
তারপরও সুজন হাল
ছেড়ে দেয় নাহ,,
মুনমুনের পিছু থাকতো,,,
কোন এক সময় মুনমুনের
শক্ত হৃদয়টাই সুজনের
জন্য জায়গা হয়ে গেলো,,
মুনমুন সুজনকে তার
ভালবাসার কথা
বলে,সেইদিন সুজন খুব
হ্যাপি ছিলো,,, এতটাই,
যা বলার বাইরে,,
এভাবে ওদের
ভালবাসাটা গভীরে
চলে গেলো,,, কিভাবে
মুনমুনের বাসা থেকে
জেনে গেলো,, মুনমুনকে
সুজনের সাথে কোন রকম
যোগযোগ রাখতে বারন
করে,, কিন্তু মুনমুন তা
শোনেনি সুজনের সাথে
আগের মতই ছিলো,,,
কিছুদিন যাওয়ার পর
বাসা থেকে মুনমুনকে
আটকে রাখে,,সুজন
মুনমুনের সাথে কোন
রকম যোগাযোগ করতে
পারে নাহ,,নেমে গেলো
দুজনের জীবনে কষ্টের
ঠিকানা,, খাওয়া নাই
ঘুম নাই,, শুধুই একটাই
চিন্তা কিভাবে
যোগাযোগ করবে,,, হঠাৎ
একদিন, মুনমুন সুজনকে
ফোন দেয়,,সুজন ফোনটা
রিসিভ করে।
মুনমুন: কই তুমি,, আমার
আর এই জীবন ভালো
লাগে না।
সুজন: একটু ধৈয্য ধরো সব
ঠিক হয়ে যাবে।
মুনমুন: আমি আর কষ্ট
করতে পারবো নাহ,,, আজ
রাতে আমরা পালাবো,,,
সুজন: কি বলছো,, তোমার
ফ্যামিলি।
মুনমুন: তুমি আমাকে
ভালোবেসেছো আমার
ফ্যামিলির কথা চিন্তা
করে,,হয় তুমি আমাকে
নিয়ে পালাবা আর নাহ
হয় আমার লাশ দেখে
যেয়ো সময় ২ঘন্টা,,
ফোনটা কেটে দিলো,,
সুজন কি করবে বুজতে
পারছে নাহ,, মুনমুন
জেদি মেয়ে যা বলে
তাই করে,, সুজন বন্ধুদের
কাছ থেকে কিছু টাকা
নিয়ে চলে গেলো,, যেয়ে
দেখলো মুনমুন অপেক্ষা
করছে,, সুজনকে দেখার
সাথে সাথে জরিয়ে
ধরে কান্না শুরু করে
তারপর দুজনে পালিয়ে
বিয়ে করে,, কিন্তু কারো
পরীবার থেকে মেনে
নেয় নাহ,, তাই তারা
দূর এক অজানাই ছোট
একটা কুড়ে ঘর বানাই,,,
সেখানে থাকে,, সুজন
কোনরকম একটা কাজ
করে যা পাই তা দিয়ে
ঠিকমতো চলে নাহ,,, এক
বেলা খায় দু বেলা খায়
নাহ,,,,তাতে মুনমুনের
কোনো কষ্ট নেয়,, সুজনের
কাছে শুধু ভালবাসা
চায়,,,,,,, মুনমুন শুয়ে
আছে সুজনের বুকের
উপর,,,,,
মুনমুন: আজকের আকাশের
চাদটা খুব সুন্দর,, তারা
দেখছো কত সুন্দর।
সুজন: হুম দেখছি,, তার
থেকে তুমি অনেক সুন্দর,,
তোমার মায়া ভরা চোখ
দুটা,,,,,
মুনমুন: তোমাকে
ভালবেসে নাহ পালিয়ে
আসলে আমি এমন
ভালবাসা পেতাম নাহ,,
এমন দিনগুলো দেখতে
পেতাম নাহ,,,,,, যা
সবার কপালে থাকে
নাহ,,
সুজন: তোমাকে ভালবেসে
সত্যি আমি খুব হ্যাপি
তোমার মত সবাই নাহ,,,
হাজার কষ্টের মাঝেও
তুমি আমাকে ভালবেসে
গেছো,,
মুনমুন: হইছে হইছে, তুমি
আমার সুখ, তুমি আমার
সব,,, আমাদের মত
হ্যাপি কত জনে আছে
যেয়ে দেখো অনেকে
আমাদের মত এত সুখে
নেই,,,
সুজন: ঠিক আছে,,,
মুনমুন: কই যাচ্ছো।
সুজন: তুমি নাহ অন্যদের
দেখে আসতে বলছো,,,
মুনমুন: ঠাপ্পাইরা দাত
ফেলে দিবো,,,,,
বলেই সুজনকে জড়িয়ে
ধরলো,,,,, সুজন বলতে
লাগলো,, আজ আমি আমার
সত্যিকারের ভালবাস
পেয়েছি,, যে
ভালবাসায় নেই অর্থ,,
আছে হাজারো দুঃখের
ভেতর ভালবাসা শুধুই
ভালবাসা,,,,,,,,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now