বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

For Birthday (1st Part)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ☠Sajib Babu⚠ (০ পয়েন্ট)

X রাস্তাই বাইরে দাড়াই আছি। নতুন এসেছি তাই ঘুরতে বের হইছি। কি আর করা এলাকা টা একটু ঘুরেঘারে দেখা আর কি। অফিসে যাবো না কয়েকদিন। নিশি কে বলেছিলাম আসতে কিন্তু ও ঘরের কাজের জন্য আসে নি। আমাদের বিয়ে হলো এই সপ্তাহ খানিক হলো। পারিবারিক ভাবেই হয়েছে আমাদের । অবশ্য সেই চার বছরের প্রেম আমাদের। ও না চাইলে কখনোই আমাদের বিয়ে টা হতো না। বাবার একমাত্র মেয়ে বলে কথা যেটা চেয়েছে সেটাই হয়েছে। সবার বাবা মা মেয়েকে জামাইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার সময় অনুরোধ করে। কিন্তু ওর বাবা আমাকে থ্রেড দিয়েছিল।ফোন এসে ভাবনার ব্যাঘাত ঘটিয়ে দিল। ধুররর শুধু শুধু ওগুলো কেন ভাবছি। নিশি ফোন দিয়েছে :-হ্যালো (আমি) :-কি এখনো ঘুরাঘুরি শেষ হলো?(নিশি) :-মহিলা কলেজ টা যে এত সুন্দর আসতে পারছি না ওটা ফেলে যতই দেখি ততই ভালো লাগে(রাগানোর জন্য বললাম) :-কি বললি তুই?? ঠিক আছে আজ থেকে তুর খাওয়া দাওয়া ঘুমানো সব ওখানেই হবে।এদিকে আসবি তো মেরে ফেলবো।(রেগে) :-আরে শুনো ....... টুট টুটট টুট দিলাম আবার :-আপনার ডায়াল কৃত নাম্বারটি সংযোগ দেওয়া ........ ঘুরেফিরে বাড়ি চলে গেলাম। ভয় লাগতেছে কি সামনে কি শুনে। কয়েকবার বেল দিলাম। কোনো শব্দ নাই।এদিকে বাথরুমও পাইছে খুব জোরে। পিছনের জানালা দিয়ে কয়েকবার ডাক দিলাম। :-ও বউউ ও বউউ :-এখানে কারও বউ থাকে না। আপনি আসতে পারেন।(নিশি) :-ও বউউ সরি তো। দেখো আমি দুষ্টামি করে বলছিলাম। :-........... :-ও বউউ প্লিজ খোলো না গো, , খুব বাথরুম পাইছে। :-কেন মহিলা কলেজে বাথরুম নাই?? :-ও বউ এখানে কোনো মহিলা কলেজ নাই, এখানে কেন আসে পাশেও নাই... (বাথরুমের বেগে কথাও বলতে পারতেছিলাম না) কতক্ষন পর খুললো দরজা। আস্তে আস্তে হেঁটে হেঁটে অনেক কষ্টে গেলাম বাথরুমে। আর নিশি হাসতে হাসতে পড়ে যাবে অবস্থা। বাথরুম করে বের হলাম। ওর বললো :-দেখলা মিথ্যা কথা বলার শাস্তি। :-ক্ষিধা লাগছে খুব।(আমি) :-আমি কি করবো?(নিশি) :-খাবার দাও। :-আজকে দুইজনের রান্না হয় নি।একজনের হয়ছে তা আমি খেয়ে নিয়েছি। দুররর শালার কেন যে মিথ্যা টা বলতে গেলাম। গিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। কতক্ষন পর :-এইই .... এইইইইই :-কী হইছে??(ঘুম ঘুম চোখে) :-উঠো। খাবে আসো :-এখন আর ইচ্ছে করতেছে না ঘুমায় পড়। :-আমার ক্ষিধা লাগছে তো খুব :-কি???? তুমি না খাইছো বললাহ?? :-তোমাকে ফেলে খাইছিলাম কখনো? :-ওরেেে আমার বউউ টা এত্ত ভালো কেন?? :-পাম মাইরো না আসো। এরপর ও আমাকে খাওয়ায় দিলো আমি ওকে। পরদিন বাজারে যাওয়ার সময় নিশিও গেল আমার সাথে। যেখানেই যাই সবজি ওয়ালা সবাই কে জিজ্ঞাসা করছে ভাই এখানে কোথাও কোনো মহিলা কলেজ আছে নাকি। ওরাও মনে হয় বুঝতে পারছিল আমার দিকে তাকিয়ে মুখ টিপে টিপে হাসছিল। শালার বাঙালি মাইয়া। এই রকম করলেও ও আমাকে অনেক ভালোবাসে।খুব সুখি মনে হয় নিজেকে। সব চাওয়া পাওয়া আমাকে নিয়ে। অফিসে কমপক্ষে দশ বার ফোন তো ছিল। মাঝে মাঝে খুব বিরক্ত ও লাগে। কারন কাজের মধ্যে ব্যাঘাত। আর ম্যানেজারের বকা শুনা। মাঝে মাঝে বকা ও দিতাম। কয়দিন পর কমে যায় আস্তে আস্তে। শুধু দুপুরে আর সকালে ফোন দিতো। কিন্তু আমি না খাওয়া পর্যন্তু কখনো খায় না। আজকে অফিস দুপুরের ছুটি হয়ে গেল তাই ভাবলাম ওকে নিয়ে দুপুরের খাবার খাবো। সারপ্রাইজ দিবো তাই চলে গেলাম ফোন না দিয়ে। কলিং বেল বাজানোর আগে কি জানি আসলো মাথায় ইচ্ছে হলো জানালা দিয়ে দেখি ও কি করতেছে। জানালায় তাকাই দেখি ও টেবিলে খাবার খাচ্ছে। অবাক লাগলো জিনিস। ও আমাকে ফোন না করে খায় না। একটা বুদ্ধি আসলো মাথায়। দিলাম ওকে ফোন :-হ্যালো :-কি করতেছো বেবি?(আমি)(আস্তে আস্তে বললাম) :-এই তো বসে আছি। ভাবছিলাম তোমাকে ফোন দিবো। তুমিই দিয়ে দিলে। (নিশি) :-খাইছো? :-তুমি খাওয়ার আগে কখনো খাইছি? :-খেয়ে নাও আমি খেয়ে ফেলছি। :-আচ্ছা। বিশ্বাস ই হচ্ছিল না কি ভাবতাম আর কি হলো। খেয়ে বলতেছে খায় নাই। মাথায় আসতেছে না কি করবো। চলে গেলাম আবার বাইরে। অনেক কিছুই ভাবছিলাম , হইতো ক্ষিদা লেগেছে তাই খেয়ে ফেলেছে। আমি কিছু মনে করবো তাই । সব মাথা থেকে ফেলে দিয়ে বিকেলে বাসাই গেলাম। তিন দিন পর কি মনে করে আমিই ফোন দিলাম দেখি ওয়েটিং। ফোন দিই মাঝে মাঝে ওয়েটিং থাকে বেশির ভাগ সময়। কিছু বলি না ওই জিজ্ঞাসা করে কেন ফোন দিই। আর নিজেই থেকেই বলে একটা ফ্রেন্ডের সাথে কথা বলছি। আমি বাসাই আসার পর বুঝাই যায় না যে এগুলো করতেছে। আমি কিছুই বলি না। কিছু বললেই ঝগড়া শুরু হবে। একদিন অফিসের জন্য বের হয়ে অফিসে না গিয়ে আবার চলে এসেছি জানালার ধারে। একটু পরেই ওর মোবাইলে ফোন আসলো। গিয়েই শুরু করলো কথা বলা। :-হা বলো :-............ :-ও একটু আগেই বের হলো.. ................................. ........ .......... কথা শুনে বুঝলাম তাদের প্রেম অনেক গভীর ভাবে চলছে। যার সাথে কথা বলছে সে হইতো দেখা করতে চাচ্ছে। কতক্ষন শুনে আর দাড়াতে পারলাম না। বড় অসহায় হয়ে গেছি। দোকানে গিয়ে কয়েক প্যাকেট সিগারেট কিনে। একটার পর একটা শেষ করতেছি। আজ প্রথম সিগারেট টানার সুখ অনুভব করলাম। কয়দিন পর রাতে ভাইব্রেশনে ঘুম ভেঙে গেল। নিশির মোবাইলে ফোন এসেছে। জানু দিয়ে সেইভ করা। ওকে ডেকে ফোন টা দিলাম ও ফোনের দিকে তাকিয়ে অবাক হয়ে আমার দিকে তাকালো। আমি কিছু না বলে আবার শুয়ে পড়লাম। কয়েকবার ডেকে ছে কিন্তু সাড়া দিই নি। হইতো ভাবছে ঘুমের ঘোরে খেয়াল করি নি। এরপর ও ফোন নিয়ে নিয়ে বারান্দায় চলে গেল। :-তোমাকে না বলেছি রাতে ফোন না দিতে। একটু জন্য বেচে গেলাম।বিয়াদপ একটা। :-......... ............. ......... :-ওকে কাল আমি ফোন দিলে বাসাই আসিও এটা বলে এসে শুয়ে পড়লো। ও শুয়ে পড়ার সাথে সাথে আমি উঠে বাথরুমে চলে গেলাম। এসে দেখি ও আমার দিকে তাকায় আছে একধীরে। বললাম :-কি হয়েছে বেবি? কোনো উত্তর দিলো না। আমি হেসে শুয়ে পড়লাম.... সকালে বের হয়ে গেলাম। আজকে ভালোবাসা দেখানো বন্ধ হয়ে গেল। হইতো কিছু একটা বুঝতে পেরেছে। বাইরে গিয়ে কতক্ষন পর আবার আসলাম। :-কি হইছে?(ছেলের কন্ঠ) :-বলছি না। আগে আমাকে বিয়ে করো। এরপর সব।(নিশি) :-তুমি কি মনে করো আমি ভালোবাসি না?? :-জানি ভালোবাসো তাই বিয়ের কথা বললাম। এইরকম অনেক্ষন চললো ছেলেটা আর না পেরে রেগে গেল :-তোকে কে বিয়ে করতেছে? তুই স্বামী রেখে আমার সাথে লুতুপুতু করতেছস। আমাকে রেখে আরেক জনের সাথে লুতুপুতু করবি না যে সেটার গ্যারেন্টি কি... ঠিক ওই সময়ই আমি বেল দিলাম।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৮০ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-
☆ ☆ ☆ ☆ ☆

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now