বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
❤❤মিষ্টি ভালোবাসা❤❤
-[url=https://www.facebook.com/at.tausif]Tausif Ahmed[/url]
.
সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে কফি হতে নিয়ে
বারান্দায় বসে আছি।
তখনি দেখতে পেলাম একটি মেয়ে গাড়ি
থেকে নামলো সাথে ব্যাগও ছিলো বুঝতে
পারলাম পাশের বাসার নতুম ভাড়াটে। গাড়ি
চলে গেলো মেয়েটাকে নামিয়ে দিয়ে। তার
সাথে দুইটি ব্যাগ ছিল। দেখেই আমার মনে
হচ্ছেলো প্রচন্ড ভারি। কিছুতেই ব্যাগ গুলো
তুলতে পারছেনা। আমি শুধু চেয়ে আছি এবং
অপেক্ষা করতেছি কখন আমাকে ডাকবে।
তিনি চারপাশে কিছু একটা খুঁজছেন তখনি
হটাৎ করে উপরে তাকান। আমি দেখতে
পেয়েও না দেখার ভান করে অন্যদিকে
চেয়ে আছি। তিনি আমাকে ডাকছেন “ এই যে
শুনছেন এই যে এদিকে”
আমি একটু ভাব নিয়ে তাকালাম উনার দিকে
এমন ভাব দেখালাম দেখে মনে হচ্ছে আমি
কিছুই দেখিনি এবং কিছুই জানিনা। আমি
ইশারা করে বললাম “আমাকে ডাকছেন”
চোখ বড় বড় করে বললেন “ না আমি আপনার
ভূত কে ডাকছি,নিচে নেমে আসুন আর
আমাকে সাহায্য করুন”
ওরে বাবা এটা মেয়ে নাকি অন্য কিছু এমন
ভাবে সাহায্য চাইছে দেখে মনে হচ্ছে উনি
আমাকে আদেশ করছেন হুহ।
কিন্তু সুন্দর একটা মেয়ে সাহায্য করার জন্য
বলছে না করে কি পারা যায়। তাই নিচে
চলে গেলাম। সামনে যেতেই আবার জাড়ি শুরু
“ অবশেষে নামা হয়ছে তা হলে,আপনি কি
বলুন তো চোখে একটুও লজ্জা সরম নেই
অসহায় একটি মেয়ে এখানে কষ্ট করছে আর
আপনি তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছেন, আমার এই
ব্যাগ গুলো খুবি ওজন আমি তুলতে পারছিনা”
প্রথম দেখাতেই এতো জাড়ি না জানি পরে
কি হবে।
যাই হোক ব্যাগ হাতে তুলতেই বুঝতে পারলাম
কত ভাড়ি। একটু জায়গা ব্যাগ আগলিয়ে
আমার অবস্থা বেহাল। এতো কষ্ট করলাম মনে
হলো এবার হয়তো ধন্যবাদ মিলবে কিন্তু তার
বদলে আবারে মিলল জাড়ি।
মেয়েটি আমার দিকে তাকিয়ে বলল “ আপনি
ছেলে নাকি ছাই দুইটা ব্যাগ তুলতে গিয়েই
শরীরের সব শক্তি শেষ” এই বলেই দরজা টা
লাগিয়ে দিলো।
ধ্যাৎ আজকের দিনটি শুরুই হলো বকা বকি
দিয়ে। মন খারাপ নিয়ে বাসার দিকে
হাটছিলাম তখনি মেয়েটি পিছন থেকে
ডাকদিয়ে বলল “ এই যে শুনছেন সাহায্য করার
জন্য ধন্যবাদ” আমি মুচকি হাসি দিয়ে বাসায়
চলে আসলাম। জাক অবশেষে ধন্যবাদ মিলল।
সত্যি বলতে মেয়েটি শ্যামলা হলেও অনেক
মায়াবি হাসি টা অনেক সুন্দর। চোখ গুলোতে
মায়া ভরা। এবার ক্লাসে যাওয়া যাক।
সাইকেল নিয়ে বাহির হয়ে গেলাম বাসায়
ফিরতে সন্ধা হয়ে গেলো। ধ্যাত ভাবলাম
দিনে মেয়েটির সাথে কথা বলে নামটা
জেনে নিবো কিন্তু বন্ধুদের জন্য কিছুই
হলোনা। রাতের খাওয়া দাওয়া শেষ করে
জানালার দিকে উকিয়ে দেখলাম না কিছুই
দেখা যাচ্ছেনা হয়তো ঘুমিয়ে গেছে। যাই
আমিও ঘুমিয়ে পড়ি। সকালে ঘুম থেকে
জানালা দিয়ে উকি দেখলাম সে বারান্দায়
বসে আছে। আমি ফ্রেশ হয়ে হাতে কফির মগ
নিয়ে বারান্দায় চলে গেলাম। ধ্যাত একটু
উপরের দিকে তাকালে কি হয়। অনেক্ষন পর
উপরের দিকে তাকিয়ে আমাকে দেখে বলে
উঠলো “ এই যে অকর্মের ঢেঁড়স এখানে কি
করা হচ্ছে” ধূর চাই ভাবলাম একটু হাসি মুখে
শুভ সকাল বলবে তার বদলে বকা মিলল।
মন খারাপ করে বাসায় ফিরে গেলাম। পিছন
দিয়ে মেয়েটি অনেকবার ডাকলো কিন্তু
আমি না শুনে চলে গেলাম। বাসা থেকে
বাহির হলাম কলেজে যাওয়ার জন্য। তখন
দেখলাম মেয়েটি বাহিরে বসে আছে
আমাকে দেখেই বলল “ এই যে মিষ্টার
কোথায় যাওয়া হচ্ছে”??
-জ্বী ক্লাসে যাচ্ছি
-কখন ফিরা হবে?
-দেখি কখন বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে যখন
ভালো লাগবে তখন ফিরবো।
-ওহ আচ্ছা তো আপনার নামর কি??
-জ্বী আমার নাম সালমান। আপনার?
-আমার নাম জানতে হবেনা। এখন ক্লাসে
যান। আর ক্লাস শেষ হতেই বাসায় ফিরবেন
একটু দরকার আছে?
- কি দরকার??
-সেটা যখন আসবেন তখন বুঝবেন। এখন ক্লাসে যান।
...
..
.
((চলবে))
.
∇∇
গল্পের পরের পর্ব গুলা আমার প্রোফাইলে দেওয়া হবে।
আগের পর্ব গুলো পড়তে চাইলে আমার প্রোফাইলে আসুনl
সাথে অন্য অনেক গল্প পড়তে আমার প্রোফাইলে আসতে পারেনl
∆∆
,
,
[{(< বিঃ দ্রঃ- আমার গল্প ভাল লাগলে কপি নয় বরং শেয়ার
করলে খুব খুশি হব >)}]
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now