বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
-- দোস্তওওওও,,,,,
-- কিবে,,,,?
-- এই নে ব্যাগ,,,,
-- কি করুম তোর ব্যাগ
দিয়া,,,,,?
-- বাদাম কিনে খাস,,,,
-- আইচ্চা,,,,
-- আব্বে সালা বাসায়
দিয়ে আসিস ব্যাগ টা,,,,
-- তুই কই জাবি বে,,,,?
-- আরে দেহস না বাইরে
কত সুন্দর বৃষ্টি
হইতাছে,,,,?
-- হুম ত,,,,?
-- তুই জানস না আমি
বৃষ্টিতে ভিজতে কতটা
ভালবাসি,,,,
-- আরে সালা তোর
ঠান্ডা লাগবো এই
বৃষ্টিতে ভিজলে,,,,?
-- ওই হালা তুই আমার
বাপ না ভাই যে জ্ঞান
দিতে আইছোস,,,,? ভাগ
সালা জা কইছি তাই
কর,,,,
-- ওকে,,,
।
।
।
।
আমি তনয়।ইন্টার ২য়
বষের পচা ছাত্র আমি।
আসলে দুনিয়াতে
অনেকের অনেক রকম
নেশা থাকে। কারোর
সিগারেটের নেশা,,
কারোর টাকার
নেশা,,,কারোর মেয়ের
নেশা,,, কারোর না
মদের নেশা,,,,। কিন্ত
আমার এসব কোনো
কিছুরই নেশা নেই,,
আমার শুধু বৃষ্টিতে
ভেজারর নেশা। এই
বৃষ্টি আসলে কেউ আর
আমাকে ধরে রাখতে
পারে না।
।
।
আজকে সকাল থেকেই
আকাশ টা কেমন জেনো
মেঘাচ্ছন্ন লাগছিলো।
শেষমেশ ক্লাস শেষ
হওয়ার পর পরই বৃষ্টি
পরতে লাগলো
তাই আমিও ভিজতে
নেমে পরলাম।
।
।
আহহহ,,, কি যে আনন্দ
লাগে এই বৃষ্টির ফোটা
মুখের উপর পরলে,,।
।
নাহ প্রায় এক ঘন্টা
হয়ে গেলো ভিজলাম। আর
না এরপর বেশি ভিজলে
অসুখ হতে আর সময়
লাগবে না। কিন্ত বৃষ্টি
কোনো মতেই থামছে না।
তাই আমারো আর জেতে
মন চাইছে না। নাহ তবু
জেতেই হবে,, নাহলে
আমি শেষ,,,।
।
।
কলেজ থেকে আমার
বাসা পনেরো মিনিটের
মত লাগে জেতে। এদিকে
অবশ্য আমি পুরোপুরি
ভিজে তাই আর রিক্সা
নিলাম না। বৃষ্টির
ভিতরেই হাটতে শুরু
করলাম।
কিচ্ছুক্ষন হাটার পর
দেখি একটা গাছের
নিচে একটা সুন্দরি
মেয়ে বৃষ্টিতে ভিজে
এখন ঠান্ডায় কাপছে।
তারপর আমি মেয়েটার
কাছে গেলাম।
।
।
।
-- কি খুব বেশি ঠান্ডা
লাগছে,,,,,? ( আমি)
-- নাম ম মানে,,,,,,।
( মেয়েটা) ঠান্ডায়
মেয়েটার পুরো শরীর
কাপছে এমনকি ঠোট
দুটও,,,,
তাই আমি আর কথা না
বাড়িয়ে মেয়েটাকে
বললাম,,,,
।
-- আমার বাসা এখানেই।
চাইলে আপনি আমার
বাসায় গিয়ে ড্রেস
চেঞ্জ করতে পারেন।
আমার বাসায় আমার মা
আর ছোট বোন আছে।
তারপর মেয়েটা মাথা
নারিয়ে বল্লো ঠিক
আছে,,।
।
।
তারপর আমি মেয়েটাকে
নিয়ে বাসায় চলে
আসলাম।
বাসার সবাই দেখে ত
হা করে তাকিয়ে আছে
আমাদের দিকে। সবাই
হয়তো সন্দেহ করা শুরু
করা দিয়েছে। তাই আগে
ফ্রেশ হয়ে তারপর চা
খেতে খেতে সব খুলে
বললাম মা আর ছোট বোন
কে। মেয়েটাকে আমার
ছোট বোনের একটা লং
জামা পরতে দিছি।
।
।
।
কিছুক্ষন পর বৃষ্টি
থেমে গেলো। তারপর
মেয়েটাও চলে গেলো,,,,
।
-- ভাইয়া দেখলি
মেয়েটা আমার জামা
টা নিয়ে গেলো,,,,?
-- তাতে কি তোর ত আরো
কত জামা পরে আছে,,,
-- ওইটা আমার
ফেভারিট জামা
ছিলো,,,,
-- ওই হ্রামি তুই না
বলিস ওই জামা তোর লং
হয় অনেক,,,?
-- কুত্তা ওসব জামা লং
ই পরে,,, হ্যাহ্যাহ্যাহ্য
া,,,,আমার জামা নিয়ে
গেলো,,,,
-- ওই ওই কান্দিস না
বোইন,,,তোরে আমি
কালকে আরেকটা নতুন
জামা আইনা দিমু
ফুতফাত থেকে,,,,,
-- কিইইই,,,, কি কইল
তুই,,, তুই আমার জামা
কিনে দিবি তাও আবার
ফুতফাত থেকে,,,,? কুত্তা
জানোয়ার বদ্মাইস
হনুমান,,,,
-- আরে আরে রাগ করিস
না সোনা,,,
।
।
।
জাহ চলে গেলো বোনটা।
আসলে ওর ওটা প্রিয়
জামা ছিলো তাই একটু
কষ্ট পাচ্ছে।
তারপর আমি বসে বসে
টিভি দেখতে লাগলাম।
হঠাত বোন এসে
বল্লো,,,,,
।
।
।
-- ভাইয়া,,,,, এই
ভাইয়া,,,,?
-- কি বল,,,,?
-- দেখ ত এটা কার,,,,,?
-- কি এটা দেখি,,,,?
-- একটা ব্রেসলেট,,,,
হয়ত ওই মেয়েটার,,,
-- হুম তাই মনে হচ্ছে,,,।
তবে এটা ওকে ফিরিয়ে
দিতে হবে।
-- আচ্ছা দেখি একটু
ব্রেসলেট টা,,,,?
-- এইনে,,,,,
-- এই ত চাদু,, এবার তুমি
পথে আসবে,,,,
-- মানে,,,,?
-- জেই বুঝতে পারলি
এটা ওই মেয়েটার
ব্রেসিলেট,,, ওমনি
ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য
উঠে পরে লেগেছিস,,,।
-- বা রে,, জার জিনিস
তাকে ফেরত দিবো
না,,,,?
-- হুম তা ত দিবোই,,,
তবে আগে আমার জামা
টা ফেরত পাবার পর, ,
-- কিইইইই
,-- হুম হয় আমার জামার
এনে দে নাহয় এটা আমি
নিয়ে নিবো,,,
-- সোনা বোন এমন
পাগলামি করে না
সোনা,,,,, তুই বল আমার
কাছে কি টাকা আছে,,,,?
-- তা আমি জানি মা
বাপু,,,
।
।
জাহ আমার পচিশশত
টাকা এবার জলে গেলো
রে,,,,।কারন জামা ছাড়া
ওই ব্রেসলেট টা পাবো
না।
তারপর বোনকে একটা
জামা কিনে দিয়ে শেষ
পর্যন্ত বেসলেট টা
পেলাম।
তারপর থেকে ওটা সব
সময় আমার কাছেই
রাখাতাম।
এভাবেই প্রায় দুই
সপ্তাহ চলে গেলো,,,।
একদিন হঠাত,,,,,,
।
।
।
।
-- এইজেএএএওএ,,,,,
শুনছেননন,,,,,,,
-- আরে আপনি,,,,
-- আসলে সেদিনের
উপকারের জন্য ধন্যবাদ
দিতে এসেছিলাম। আর
আপনার বোনের এই
জামা টা ফেরত
দেওয়ার ছিলো
-- ওওও হ্যা,,,,, আর
আপনার ব্রেসলেট টা
ভুলে রেখে এসেছিলেন
আমাদের বাসায়,,,,।
-- ওওওও হ্যা হ্যা ,,,,,
-- হম,,,,,
।
।
।
তারপর মেয়েটাকে ওর
জিনিস ফিরিয়ে
দিলাম। একটু ভাল
লাগছে কিন্ত আমার
বোনের জামাটার দিকে
তাকিয়ে আমার টাকা
গুলোর কথা মনে হতে
লাগলো,,,,।
তারপর বাসায় গিয়ে
বোন কে তার জামা টা
ফেরত দিলাম আর
বললাম আমার টাকা
ফেরত দিতে। সে বলে
জেটা গেছে সেটা
নিয়ে আর না ভাবাই
ভালো
।
।
।
।
-- কিরে দোস্ত কি
ভাবছিস,,,,
-- দোস্ত একটা মেয়ের
কথা ভাবছি রে,,,,
-- তাই নাকি মাম্মা,,,
তা মামা প্রেমে টেমে
পরেছস নাকি,,,,?
-- প্রেমে পরে অলরেডি
হাবুডুবু খাচ্ছি আর তুই
এখন বলছিস,,,,,
-- তাই
নাক্কক্কিইইইইইই,,,
-- হুম দোস্তওওওও,,,,
-- কিইইইই,,,
-- ওইযে ওই মাইয়াটা
দোস্ত,,,,
-- সালা ওইটা আমাদের
প্রিন্সিপাল স্যারের
মেয়ে বে,,,,,ইন্ডিয়াতে
থাকে,,,।
-- তাতে কি বে,,,,, তবু
ওরেই ভালবাসি আমি,,,,
-- সালা ওরে নিয়া হুদা
সপ্ন দেহিস না ভাই,,,,
-- চুপ সালা,,,,, তুই
এখানে থাক আমি ওর
নামটা জেনে আসি,,,,,
।
।
।
।
তারপর আমি গেলাম
মেয়েটার কাছে।
দেখছি মেয়েটা একটা
রিক্সা ঠিক করছে
বাসায় জাওয়ার জন্য।
তারপর আমি ডাক
দিলাম,,,,,,
।
।
-- এইজেএ,,,,
-- জি আমাকে বলছেন,,,,,
-- হুম তোমার নাম টা
কি,,,,( চারিদিকে অনেক
শব্দ হচ্ছিলো তাই
কিছুই স্পষ্ট শুনতে
পাচ্ছিলাম না)
-- আমার নাম মালিহা
আক্তার জুথি,,, ডাক নাম
বৃষ্টি,,,,
।
।
ভাল করে শোনার আগেই
রিক্সা চলে গেলো। তবে
কোনো মতে শুনতে
পেরেছি , ময়না আক্তার
জরিনা,,,,
নাম টা একটু ক্ষেত
মার্কা তবে মেয়েটা
সুন্দর
জাইহোক তারপর বন্ধুর
কাছে ফিরে এলাম।
।
।
-- কিরে কিছু কইলো,,,,?
-- হু নাম কইছে,,,,ময়না
আক্তার জরিনা,,,,,
-- কিইইইই,,,
প্রিন্সিপালের মেয়ের
নাম এত ক্ষেত মার্কা
একটা নাম।
-- ধুর হালা নাম দিয়া
কাম কি,,,,, মন থাকলেই
হবে। এহন একটা বুদ্ধি
দে জরিনারে আমি
প্রপজ করুম কেমনে,,,,,?
-- কেমনে আবার সামনে
গিয়া হাটু গেরে আই
লাভ ইউ কইয়া দিবি,,,,
-- তাতে যদি স্যার
দেখে তাইলে ত আমি
শেষ অন্য বুদ্ধি দে,,,
-- আচ্ছা আগে ওরে
থামাবি তারপর একটা
লাভ লেটার দিয়া
দিবি দোউর,,,,
-- তাইলে উত্তর কেমনে
পামু,,,,
-- নিজে আইসা উত্তর
দিয়া জাইবো চিন্তা
করিস না,,,,
-- আচ্ছা,,,
।
।
।
তারপর দিন একটা লাভ
লেটার লিখে প্রস্তুত
হয়ে আছি। তারপর
দেখলাম মেয়েটা অফিস
রুমের সামনে
বারান্দায় দারিয়ে
আছে। আশে পাশে কেউ
না থাকায় আমি দোউরে
গিয়ে ওর হাতে
চিঠিটা দিয়ে দিলাম
দোউর,,,,।
।
।
-- দোস্তওওওওওও,,,
-- কিরে এত হাপাচ্ছিস
কেনো,,,,,?
-- আরে ব্যটা,,,, চিঠিটা
দিয়ে আসলাম,,,,
-- দো দো দোস্ত তু তুই
থাক আমি আইতাছি
ওকে,,,,
-- আব্বে কই জাস
খারা,,,,,,
।
।
।
-- এইজে মিষ্টার,,,,,?
-- হুম বলো,,,,,,
-- এটা কি শুনি,,,,
-- লাভ লেটার,,,
-- কাকে দিছেন,,,,,
-- তোমাকে,,,,
-- কেনো ,,
-- ভালবাসি তাই,,,,
-- কিন্ত এই চিঠিতে ত
আমার নাম নাই,,,,
এখানে ত কোনো এক
জরিনার নাম দেওয়া,,,
-- হুম তাই ত,,, তুমি ত
সেদিন বল্লা তোমার
নাম ময়না আক্তার
জরিনা,,,,,
-- ওরে আল্লাহ রে,,,,
আমি বলছি মালিহা
আক্তার জুথি,,, ময়না
আক্তার জরিনা বলি নি,
,, বয়রা একটা,,,,,
-- ধুর সে জাইহোক,,, আমি
তোমাকেই ভালবাসি,,,,,
-- প্রপজ করেছেন,,,,
-- না মানে,,,,,
।
তারপর হাতের কাছে
কিছু না পেয়ে ব্যাগের
ভিতর থেকে আমার গল্প
লিখার খাতা টা বের
করে ওর সামনে হাটু
গেরে বসে,,,,,,
।
।
-- তুমি কি আমার গল্পের
রানি হবে,,,,,?
-- মানে কি,,, এটা কোনো
প্রপজাল হলো,,,,
-- ধুর ওসব প্রপজ টপজ
আমার দারা হবে না,,,,,
আমি প্রপজ করা ছারাই
ভালবাসি তোমকে,,,,
-- আচ্ছা তোমার এই
গল্পের খাতা টা আম
নিয়ে গেলাম। যদি
তোমার গল্প গুলো আমার
ভাল লাগে তবে তুমি
এক্সেপ্টেড,,, আর যদি
না ভাল লাগে তাহলে ত
তুমি বুজতেই পারছো কি
করতে পারি আমি,,,,,
।
।
।
তারপর মেয়েটা চলে
গেল,,,,,,
এদিকে আমার বন্ধুটা
এসে হাজির,,,,
-- কিরে কি কইলো
তোরে,,,,আর খাতা নিয়া
গেলো কে,,,,
-- সালা এই তোর
বন্ধুত্ত,,,, আমাকে
বিপদে ফেলে তুই
পালিয়েছিস,,,,
-- দোস্ত তোর জন্য আমি
পুলিশের সামনে
দারাতে রাজি। কিন্ত
কোনো মেয়ের সামনে
দারাতে পারুম না
দোস্ত,,,,।
-- আচ্ছা শোন দোস্ত,, ও
আমার গল্পের খাতা
নিয়া গেছে কইছে যদি
আমার গল্প গুলা ওর ভাল
লাগে তাইলে আমারে
ভালবাসবে। আর না ভাল
লাগল্র কিজে করবে সে
নিজেও জানে না।
-- আরে মামা তোর গল্প
পুরা কলেজের মাইয়া
গোর ভাল লাগে। আর
ওরও ভাল লাগবে
তারমানে তুই ওরে
পাইছোস জা,,,
-- তোর কথা জেনো সত্যি
হয় রে,,,,
।
।
।
তারপর আমি কলেজ
থেকে বাসায় চলে
আসলাম।
তারপর পুরো তিনদিন
জাইনি কলেজ এ
চারদিন পর কলেজের
জন্য বের হলাম।
কলেজের গেটে ঢুকার
সাথে সাথেই আমাকে
টান দিয়ে নিয়ে গেলো
কলেজের পিছনের
মাঠটাতে,,,। ওখানে খুব
বেশি লোক জন আসে না
তাই পুরো মাঠ ফাকা।
।
।
।
-- কিরে,,,, এমন হাবলার
মত দারিয়ে কি
দেখছিস কিছু বল
আমাকে,,,,,?
কি বলবো বুঝতে পারছি
না। তাই হাটু গেরে
বসে চোখ বন্ধ করে হাত
জোড় করে বললাম,,,,,
-- আমি জানি আমার গল্প
গুল্প আপনার ভাল
লাগেনি। প্লিজ আপনি
চাইলে আমাকে শাস্তি
দেন কিন্ত আমার
গল্পের খাতা টা প্লিজ
নষ্ট করিয়েন না। আমার
অনেক আশা আমার গল্প
গুলো দিয়ে আমি একটা
বই বানাবো,,,,,, প্লিজ
খাতাটা আমাকে দিয়ে
দেন,,,
।
।
।
তারপর আমি আমার
মাথায় নরম হাতের
ছোয়া পেলাম। তার একটু
পর আমার ডান গালে
মেয়েটার পেটের ছোয়া
পেলাম
চোখ খুলে বুঝতে
পারলাম মেয়েটা ওর
পেটের সাথে আমার
মাথাটা জরিয়ে ধরে
আছে,,,,,
তারপর আমাকে দার
করিয়ে,,, আউ লাভ ইউ টু
বলেই খুব জোরে জরিয়ে
ধরে বল্লো,,,
-- ছেরে জাবি না ত
কোনোদিন,,,
-- মরে গেলেও না,,,,
-- সব সময় ভালবাসবি
আমাকে,,,,
-- হুম,,, গো খুব
ভালবাসবো তোমাকে,,,,
।
।
।
তারপর বাকিটা
ইতিহাস,,,,,,,,,
।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now