বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বিয়ে(শেষ অংশ)

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান আলি এরশাদ (০ পয়েন্ট)

X ______________ # বিয়ে ____________ . লেখক: Ali Ershad _____________ পর্ব: ৫ম___________ শাওন এর সাথে ফিরে গেলাম আমার রাজ্যে। চারদিকে থমথমে পরিবেশ। আমার চেনা পরিবেশ আমার কাছেই আজ অচেনা মনে হচ্ছে। ক্ষানিক বাদে আমি আমার কুঠায় আসলাম। বাবাকে দেখে মনে হলো আমার উপর ভয়ানক রাগ করে আছে। ........বাবা কেমন আছো? ....... ভালো আর থাকি কি করে বল!!!তোর জন্য সমাজে আমরা মুখ দেখাতে পারিনা। সেই চার বছর আগে একবার মানুষের রক্ত চোষেছিলি এখন পর্যন্ত তোর আর কোন উন্নতি দেখছি না... .......বাবা আমি একজনের রক্ত চোষব বলে প্রতিজ্ঞা করে ফেলেছি এখন অন্য কারো রক্ত চোষলে আমার প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ হবে, আর আমাদের জাতির পক্ষে প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ সম্ভব নয়... ........এটা কি করলি তুই!!!এখন কিছু করার নেয় তাই যার রক্ত চোষবি বলে প্রতিজ্ঞা করেছিস তার রক্ত চোষতে হবে তোকে .......হ্যা বাবা; আমায় আর একটা বার সুযোগ দেও, এবার সফল হবো আমি!!! ........এটাই তোর শেষ সুযোগ, তিন দিন সময় দেয়া হলো যদি না পারিস তবে কঠিন শাস্তি দেয়া হবে!! .......আচ্ছা বাবা এখন তাহলে আসি!!! . এবার আমাকে ভেঙে পড়লে চলবেনা আমি পিশাচ, আমার কাজ আমাকে করতেই হবে। প্রেম ভালোবাসা আমার জন্যে নয়। আমাকে কোন বাধনে আটকা পড়লে চলবেনা। এবার আর ভুল করা যাবে না। আমার কাজ আমাকে করতেই হবে আর যার যেটা কাজ তার সেটা করা উচিৎ। আমার মনকে আমায় শক্ত করতেই হবে। , মায়াদের বাসায় ফিরলাম। মায়া আমায় দেখে বলছে, .......কোথায় গিয়েছিলে,আর তুমায় এতো চিন্তিত দেখাচ্ছে কেন? ........বাহ!আমি কোথায় যাবো না যাবো সেটা এখন তুমায় বলে যেতে হবে???নাকি ঘড়জামাই বলে আমার কোন অধিকার নেই!!! ........সৈকত তুমি এভাবে কথা বলছো কেনো!!! সোনা আমায় তুমি ভুল বুজতেছ। .......আমার এখন সব কাজ তুমার কাছে ভুল মনে হবে,,যাও এমন কাওকে নিয়ে এসো যার সবকিছু তুমার কাছে ভালো মনে হবে!!! , মায়া অন্য রুমে চলে গেলো,হয়তো ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কান্না করবে। কান্না করোক এতে আমার কি!! আমার কিছু আসে যায় না। হ্যা আমাকে পাষান হতেই হবে। এমন ভাবেই মায়ার সাথে খারাপ ব্যবহার শুরু করলাম। , তিন দিন শেষ হতে আর কিছু ঘন্টা বাকি। রাত আনুমানিক দুটো বাজে। আমার পাশে মায়া আর তার পাশে মাহিন ঘুমিয়ে আছে। আমার শরিরে খুব যন্ত্রনা শুরু হলো যেন আগুনে পুরে যাচ্ছে। বুঝতে পারলাম মায়ার রক্ত আজ না চোষতে পারলে আমার পরিনাম মৃত্যু।এই মরনের ভয় সবার থাকে একই ভাবে আমারো। তীক্ষ্ণ ধারালো দাত দুটো মায়ার ঘারের কাছে এগিয়ে নিচ্ছি,ঘার স্পর্শ করতেই মনে হলো এই মেয়েটি জগতের সবচেয়ে নিরাপদ স্থান ভেবে আমার বুকে মাথা রেখেছে, আমার উপর ভরসা করে ভালোবাসার বন্ধনে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে।আমি কি করে তার এই ভরসা নষ্ট করবো। না এই ভালোবাসার বন্ধনের সাথে, এই বিয়ের বন্ধনের সাথে আমার মায়ার সাথে বেইমানি আমি করতে পারবনা। আগামীকাল সকালে মেঝেতে আমার যে পোড়া ছাই গুলো পরে থাকবে তা হয়তো কেও ঝাড়ু দিয়ে ফেলে দিবে। মায়া ভেবে নিবে সৈকত অন্য কারো সাথে পালিয়ে গেছে। মাহিন একদিন বলবে তার বাবা তার মাকে ধোকা দিয়েছে। কিন্তু কেও জানবেনা এই পোড়া ছাইগুলো একজন স্বামীর তার স্ত্রীর জন্য অাত্বত্যাগের প্রতীক, একজন বাবার তার সন্তানের জন্য বিসর্জনের প্রতীক। , , ___________ সমাপ্ত ___________ , বিচ্ছেদে প্রেমের মজা যতটুকু পাওয়া যায় মিলনে তার কিছুটা হলেও ঘাটতি রয়ে যায়


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২০১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now