বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রোদ্দুর ভালোবাসা ৩

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Samim Hossain(সাইকো) (০ পয়েন্ট)

X কাকতালীয় ব্যাপার বলে যে কিছু আছে তা মানতে বাধ্য হলাম যখন তাকে তৃতীয় বারের মত দেখলাম।তাও আবার সেই আমাদেরই ক্যাম্পাসে!কাছে গিয়ে কথা বলা উচিত এ রকম বোধ হচ্ছে কিন্তু পা দু’টো কেউ যেন সিমেন্ট দিয়ে মাটিতে আটকে দিয়েছে।হঠাৎ দেখি আমার বন্ধু আবির (অদৃতা)'আপু' বলে বিকট চিৎকার দিয়ে তার কাছে এগিয়ে গেল।কথা বলে ফিরে আসতেই ওকে ধরলাম। -কিরে আবির কার সাথে কথা বলে আসলি? -আরে অদৃতা আপু !তুই চিনিস না? আবির একটু অবাক হয়ে প্রশ্ন করল।সাগর মুখ ভেংচে বলল, -‘ক্যাম্পাসে এসেই যে ক্যামেরা নিয়ে লাফঝাঁপ দেয়া শুরু করে তার কি আর এসবে খেয়াল থাকে?’ আমি খানিকটা রেগে গিয়ে বললাম, -অই! উনি কি এমন চিজ যে উনাকে চিনতেই হবে? আবির মাথা নেড়ে বলল, -চিনা উচিত ছিল।উনি ফিজিক্সেই পড়েন।আমাদের দুই ব্যাচ জুনিয়র।এইবার ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়েছেন।তাতে আবার চেহারা সুন্দর।দ্রুত ফেমাস হয়ে গেছেন। তারপর একটু থেমে একগাল হেসে বলল, -তবে গুজব শোনা যায় উনি নাকি ছেলেদের দিকে তাকান না। আমি খুশি হবো না দুঃখ পাবো ঠিক বুঝলাম না।মনের ভাব গোপন রেখে জানতে চাইলাম, -কেন বয়ফ্রেন্ড আছে নাকি? আবির বলল, -নাই মনে হয়। থাকলে তো খবর পেতাম।তবে কি জানি থাকতেও পারে! আবির আমার দিকে খানিকক্ষণ তীক্ষ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে বলল, -কিন্তু তুই এত কথা জানতে চাইলি ক্যান?কাহিনী কি? আমি হেলাফেলা ভাব করে বললাম, -এমনি জেনারেল নলেজের জন্যে। ওদের মুখ দেখে বুঝলাম অভিনয় বেশি সুবিধার হয়নি।একথা ওরা বিশ্বাস করেনি। এমনিতেই আমি কথা লুকাতে পারি না তাতে আবার আমার পেটে কথা থাকে না।তাই ভালভাবে ধরা খাওয়ার আগেই ওদেরকে সব খুলে বললাম।শুনে ওরা কি বুঝল ওরাই জানে।শুধু আবির মুচকি হেসে বলল, -নাম্বার আছে। নিবি? আমি ভাবলাম নাম্বার নিতে কি অসুবিধা।ফোন যে করতেই হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা তো নেই। বাসায় কিন্তু উল্টোটা ভাবলাম।ফোন নাম্বার নিয়ে এসে ফোন না দিলে কেমন দেখা যায়!নাম্বার ডায়াল করার পর সাহস হারিয়ে ফেললাম।কেটে দিব কিনা সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হয়ে গেল।ওপাশ থেকে শুনলাম, -হ্যালো! কে বলছেন? ভয়ে ভয়ে বললাম, -আমি! -আমি টা কে? -নাম বললে তো চিনতে পারবেন না!কিন্তু আমি আপনাকে চিনি। -তাই নাকি?আপনি কি আমার থেকে জুনিয়র? আমি খানিকটা থতমত খেয়ে বললাম, -নাতো!আমি আপনার থেকে সিনিয়র। -ওকে!সিনিয়র তাহলে সিনিয়রের মত থাকবেন।আমার একটা ফোন এসেছে।রাখছি বাই!!! এই বলে ঠাস করে ফোনটা রেখে দিল।আর আমি রেগেমেগে ঠিক করলাম যে আর জীবনেও তাকে ফোন দিব না! . Next part coming soon


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ রোদ্দুর ভালোবাসা (শেষ পর্ব)
→ রোদ্দুর ভালোবাসা ৫
→ রোদ্দুর ভালোবাসা ৪
→ রোদ্দুর ভালোবাসা ২
→ রোদ্দুর ভালোবাসা ১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now