বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আমরাই পারবো,২

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান sakil khna(শূন্য ডায়েরি) (০ পয়েন্ট)

X নামঃ-নুপুর, জরিনা আপা, ইউসুফ ভাই, হামেদ মিয়া , হাসান, রাসু, মাহি, আরো অনেকে,,,, নুপুর, হামেদ মিয়ার মেয়ে, ক্লাস6 এ পড়ে,।পড়া লেখায় ভালো,। এক দিনের ঘটনাঃ- নুপুরের দাদিঃ নুপুর ও নুপুর,কই যাস। নুপুরঃ প্রাইভেট পড়তে যাই। নুপুরের দাদীঃ মেয়েদের আবার পড়া লেখা কিসের। **নুপুর চলে গেলো। নুপুরের দাদীঃ হামেদ, মেয়েকে তো খুব প্রাইভেট পড়তে পাঠাইছা।মেয়েকে বিয়া দিনে তো অন্যোর বাড়ী চলে যাইব।এ তো পড়িয়ে কাজ কি? হামেদঃ তবুও তো একটু পড়ানো ভালো,, নুপুরের দাদীঃ৫ক্লাস পাস করেছে এতেই হবে,। তোর রাসুকে,পড়া। কাল হরে নুপুরকে বাড়ীর কাজে সাহায্য করতে বলবি, স্কুল বাদ। হামেদঃ হ্যা কয়েক দিন দরে তাই ভাবছিলাম। নুপুরের মা কি বলো। নুপুরের মাঃ বাড়ির কাজে, সাহায্য করলে তো ভালোই হয়। হামেদ মিয়াঃ তাহলে, কাল হতে স্কুলে যেতে নিষেধ করে দিও নুপুরের মাঃ ঠিক আছে। পরের দিন এরের ঘটনাঃ-- নুপুরঃ মা,রাসু ও আমাকে ভাত দাও স্কুলে যেতে হবে। নুপুরের মাঃ রাসুকে ভাত দিছি, আজ হতে তোকে আর স্কুলে যেতে হবেনা। নুপুরঃ কিন্তু মা, আমি পড়তে চাই,। নুপুরের মাঃ আজ হতে বাড়ীর কাজে সাহায্য করবি। নুপুরঃ আমি স্কুল হতে এসে সব কাজ করুম। নুপুরের মাঃ না, তোর স্কুলে যেতে হবেনা। ★নুপুরের আর কয়েক দিন স্কুলে যাওযা হলো না। কয়েক দিন পরে স্কুলের ঘটনাঃ জরিনা আপাঃ মাহি, কিরে তোর বান্ধবী,নুপুর কয়েক দিন দরে স্কুলে আসে না কেন? মাহিঃ ওর ভাই রাসু বললো,ওকে এখন হতে বাড়ির কাজে সাহায্য করতে হবে স্কুলে আসা যাবেনা। জরিনা আপাঃ ওতো লেখা পড়ায়, ভালো,,,।তা ছাড়া মেয়েদের ও লেখা পড়ার অধিকা আছে,,।ছেলে মেয়ে, সকলে সমান অধিকার।আমি দেখছি ভেপার টা, ইউসুফ ভাই এর সাথে কথা বলে। সবাই আলোচনা করে নুপুরের বাড়ী গেলোঃ- ইউসুফ ভাইঃ ও হামেদ মিয়া বাড়ি আছো নাকি? হামেদ মিয়াঃও ,আপনি আসেন, সাথে দেখি জরিনা মেডাম আছে! ইউসুফঃ নুপুর কই,? হামেদ মিয়াঃ ওর মাকে কাজে সাহায্য করছে। জরিনা আপাঃ ওকে ডাকেন সাথে ওর মাকেও। **ডাকার পরের ঘটনাঃ-- নুপুর তো কান্না করেছে,,, জরিনাঃ কান্না করিস না,। ও নুপুরের মা তুমিকি মেয়ের ভালো চাওনা, ইউসুফঃ হামেদ মিয়া, তুমিও কি মেয়ের ভালো চাওনা, হামেদ মিয়াঃ চাই তো? ইউসুফঃ তাহলে মেয়ের স্কুল, যাওয়া বন্ধ করলে কেন? হামেদ মিয়াঃ মেয়েদের এতো পড়াইয়া লাভ কি? জরিনাঃ উওর পারার হাসান মিয়ের,কিন্তু একটাই মেয়ে ,তার মেয়ে কিন্তু কয়েক টা হাসপাতাল, পরিচালনা করেন। লেখা পড়া ছাড়া কি সম্ভব হতো।আরো অনেক, মেয়ে আছে যারা লেখাপড়া করে মানুষের মতো মানুষ হয়েছে। ইউসুফ ভাইঃ হ্যা, তাই তো,,,, আমাদের নুপুর আরোও বড় কিছু হতেপারে। আপনা দের মুখ উজ্জ্বল করেতে পারে ★অনেক বুঝানোর পরে নুপুরের বাবা মা রাজি হলো,,, নুপুর আগের মতো স্কুলে যেতে পারলো,, ★ ★লেখা পড়া, ছেলে মেয়ের সমান আধিকার,,, ★ সবাইকে ধন্যবাদ,,,। সবার কাছে অনুরোধ, ছেলে মেয়েদের স্কুলে পাঠান। ★সবাইকে সময় নিয়ে পড়ার আনুরোধ রইলো।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৬২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now