বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
Note: B=Brother(ভাই)
S=Sister(বোন)
B- আপু পঞ্চাশটা টাকা দে তো।
S- কি !! টাকা কি গাছে ধরে নাকি
B- তুইনা কাল টিউশনির টাকা পেলি, ঐখান থেকে দেনা
আপু।
S- কানের কাছে ঘেনর ঘেনর করিস নাতো, ভাগ
এখান
থেকে।
B- আমাকে টাকা দিলেই তো চলে যাই। আচ্ছা
পঞ্চাশ
টাকা না চল্লিশ টাকা দে।
S- ইস্ তোর জ্বালায় আর পারা গেল না। এই নে বিশ
টাকা ভাগ এখান থেকে।
B- মাত্র বিশ টাকা দিলি । Ok সমস্যা নাই ফুসকা এনে
তোকে দেখিয়ে দেখিয়ে খাব । তখন কিন্তু
আবার
নজর দিস না।
S- কি!! ফুসকা খাবি তুই। এইনে আরো বিশ
টাকা,আমার জন্যে আনিস।
[মোট চল্লিশ টাকা নিয়ে প্রিয়ন্ত দরজার সামনে
গিয়ে
বলতে লাগলো।]
B- আমি কি তোর মত মেয়ে মানুষ নাকি যে ফুসকা
খাব। আমার টাকাটা দরকার ছিল তাই তোকে বোকা
বানিয়ে নিয়ে গেলাম।
S- তবে রে পাজি তোর একদিন কি আমার একদিন।
খবরদার আমার টাকা দিয়ে যা,
না হয় বাসায় ডুকতে দিব না।
[কে পায় আর প্রিয়ন্ত এর নাগাল।
প্রিয়ন্ত এর বড় বোন, প্রিয়ন্ত যাওয়ার কিছুক্ষণ
পরেই ফুসকা বানিয়েসে কিন্তু খায়নি।
মনস্থির করেছে প্রিয়ন্ত আসলে তাকে
দেখিয়ে
দেখিয়ে খাবে। একফোঁটাও দিবে না তাকে।
রাত আট টায় বাড়ি ফিরেছে প্রিয়ন্ত।
প্রিয়ন্ত ভেবে রেখেছে আপু অবশ্যই তাকে
বকা দিবে
কিন্তু না কোন টু শব্দ পর্যন্ত করলো না।
প্রিয়ন্ত ড্রয়িং রুমে বসে টিভি দেখছে। কিছুক্ষণ
পর
তার বোন একটি প্লেটে করে কি যেন এনে
খেতে শুরু
করলো।]
B- কি খাস আপু
S- মধু খাই মধু। এই মধুর নাম ফুসকা, খাবি.....?
B- দে না আপু একটু খাই।
S- ভাগ এখান থেকে। বিকালে আমার থেকে ফুসকা
কথা
বলে টাকা নিয়েছিস মনে আছে? এখন আমি খাই তুই
চেয়ে চেয়ে দেখ।
[প্রিয়ন্ত গোমরা মুখে বসে আছে আর তার
বোন
ফুসকা খাচ্ছে আর মিটমিট করে হাসছে।]
S- প্রিয়ন্ত,
B- বল
S- রেকের মধ্যে প্লেটে রাখা আছে নিয়ে খা।
আবার না
দিলে তো আমার পেট খারাপ হবে।
[মূহুর্তেই প্রিয়ন্তর চেহারা উজ্জ্বল হয়ে গেল।]
B- লক্ষ্মী আপু আমার...
[এই কথা বলে ফুসকা আনতে রেকের দিকে
অগ্রসর হয়
প্রিয়ন্ত...।
এভাবেই কেটে গেল অনেকটা দিন ......
আজ প্রিয়ন্তর বাড়ি আলোক উজ্জ্বল।
নিয়ম বাতি গুলো জ্বলছে আর নিভছে।
তার বোনের আজ বিয়ে। কিন্তু প্রিয়ন্তর এর বুক
ফেটে কান্না পাচ্ছে।
নিশাত চলে গেলে কার সাথে সে খুনসুটি করবে।
কে
তাকে ফুসকা বানিয়ে খাওয়াবে।
বিয়ে পরানো শেষ এখন বর যাত্রী তার
বোনকে কে
নিয়ে চলে যাবে,
কিন্তু প্রিয়ন্তর কিছুতেই মানতে পারছে না তার আপু
আর এই বাড়িতে থাকবে না।
দুই ভাই বোন একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কান্না
করছে।]
S- প্রিয়ন্ত কথা দে ভাই একবার করে হলেও আমার
সাথে ঐ বাড়িতে গিয়ে দেখা করবি? কথা দিলাম
প্রতিদিন তোকে আমি ফুসকা বানিয়ে খাওয়াবো।
[প্রিয়ন্ত এর মুখ দিয়ে কথা বের হয় না, শুধুই নির্বাক
দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে তার আপুর দিকে। মাথা
নাড়িয়ে
সম্মতি জানায়।
তার চোখের কোণ বেয়ে অশ্রু ধারা নামে
বোন উপস্হিত থাকায় সে বুঝতে পারেনি
বোনের
ভালোবাসাটা।
আজ বোনের ভালোবাসাটা শুধুই স্মৃতি।
সেই স্মৃতিতে হাতরিয়ে বোনের ভালোবাসাটা
উপলব্ধি করা ছাড়া যে আর কিছুই করার নেই।]
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now