বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রেমময়,,,,,,, পর্ব(১৫)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md mainul islam (sagor) (০ পয়েন্ট)

X লেখিকা - Polok Hossain পলক হোসাইন ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~ -নিহিলা,দরজা খোল। রোকসানা এসে নিহিলার রুমের দরজা ধাক্কাতে লাগলেন।নিহিলা দরজা খুললো।রোকসানা চিন্তিত স্বরে বললেন- -কি হয়েছে তোর? -কিছু হয় নি মা। -দরজা বন্ধ করে এইভাবে বসে আছিস কেন? -ভালো লাগছিলো না।তাই বসে আছি। -আমাকে বল।বোকার মতো মনের মধ্যে কথা রেখে দিবি না। -তুমি খামাখা এতো কথা বলছো।বললাম তো আমার কিছুই হয় নি। -তুই কিছু লুকাচ্ছিস। -কিছুই লুকাচ্ছি না।তুমি শান্ত হয়ে বসো। -কোথায় গিয়েছিলি আগে সেটা বল।তোর মামাকেই শুধু বলে গিয়েছিস আমাকে কিছু জানালি না কেন? -মামা যেখানে রাজি সেখানে সবাই রাজি।মামার অনুমিত পেয়ে গেছি তাই আর তোমাদের কাউকে কিছু বলার প্রয়োজন মনে করি নি। রোকসানা খেয়াল করলেন নিহিলার চোখ কিছুটা ফোলা।চোখের পাতা ফুলে আছে।রোকসানা বললেন- -তোর মন খারাপ।ঠিক বলেছি? নিহিলা কিছু বললো না।মাথা ঝুকে অন্যদিকে তাকিয়ে রইলো।রোকসানা নিহিলার পাশে বসে বললেন- -কেউ তোকে কিছু বলেছে? -মা,বললাম তো আমার কিছু হয় নি।কেউ আমাকে কিছু বলে নি।আমাকে একা থাকতে দেও।তুমি সাবেরাকে গিয়ে বলো আমার জন্য চা বানিয়ে আনতে।মাথা ধরেছে। রোকসানা উঠে পরলেন।নিহিলা চুপচাপ বসে রইলো।হঠাৎ নিহিলার ফোন এলো।নিহিলা ফোন হাতে নিয়ে দেখলো হেমন্ত ফোন করেছে।হেমন্তর নাম্বারটা ফোন স্ক্রিনে দেখা মাত্রই রাগ হচ্ছে নিহিলার।ফোন ধরতে ইচ্ছে হচ্ছে না তবুও ফোন হাতে নিয়ে রিসিভ করলো সে।অপরপ্রান্ত থেকে হেমন্ত বললো- -নিহিলা.. -আমাকে ফোন করেছেন কেন? -আমার কথা শুনুন নিহিলা। -প্লিজ।আমাকে ফোন দিবেন না।আপনার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে হচ্ছে না আমার। -একটা জরুরি কাজে আটকে পরেছিলাম। -আপনি জরুরি কাজে আটকে পরেছেন ভালো কথা।আমাকে একবার জানিয়ে দেয়ার প্রয়োজন মনে করলেন না!আপনাকে ফোন করেও পাই নি।কতোক্ষণ রাস্তার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম।কি বিশ্রী অবস্থা।মামার কাছে মিথ্যেও বলেছি।আর আপনি কি করলেন?আমাকে একা দাঁড় করিয়ে রেখে এখন বলছেন আপনি কাজে আটকে পরেছিলেন! -আগে আমার কথা তো শুনুন... -প্লিজ।আপনার কোনো কথা শুনতে ইচ্ছে হচ্ছে না আমার।বাই।আমাকে আর ফোন করবেন না কখনো। নিহিলা ফোন রেখে দিলো।হেমন্ত আবারও ফোন করলো ওকে।বার বার ফোন করে গেলো।কিন্তু নিহিলা একবারও হেমন্তর ফোন উঠালো না। জুই আজ সকাল সকাল স্কুল থেকে বাড়ি চলে এসেছে।বেলা বাজে বারোটার মতো।রুমে এসে স্কুল ব্যাগ রেখেই বিছানায় শুয়ে পরলো।নিহিলা অবাক হয়ে বললো- -কি হয়েছে তোর? জুই শুকনো গলায় বললো- -জ্বর এসেছে। -জবা আসে নি তোর সাথে? -আমি স্কুল ছুটি নিয়ে এসে পরেছি।স্কুল ছুটি দিলে জবা আপু চলে আসবে। -ওহ..আচ্ছা। নিহিলার ফোনে আবারও কল আসলো।নিহিলা ফোন না ধরায় ওর ফোন বার বার বাজতে লাগলো।জুই বললো- -ফোন ধরছো না কেন আপু? নিহিলা স্বাভাবিকভাবে বললো- -ইচ্ছে হচ্ছে না তাই ধরছি না। -বার বার ফোন করছে।ইমার্জেন্স ি ফোন কলও তো হতে পারে। -যাই হোক।আমি ফোন ধরবো না।যতো ইচ্ছে ফোন বাজতে থাকুক। -কিন্তু ফোনটা করছে কে? -সেটা জেনে তোর লাভ নেই।তুই চুপচাপ শুয়ে থাক। জুই চুপচাপ শুয়ে রইলো। তৈমুর সাহেবের গলার স্বর পাওয়া গেলো।তৈমুর নিহিলাকে ডেকে তার ফোন নিহিলাকে এগিয়ে দিয়ে বললেন- -তোর জন্য ফোন এসেছে।কথা বল। -আমার জন্য ফোন তোমার মোবাইলে এসেছে?কে ফোন করেছে মামা? -হেমন্ত ফোন করেছে। নিহিলা ভ্রু কুচকে ফোন হাতে নিলো।হেমন্তর প্রতি ওর রাগী ভাবটা মামাকে বোঝানো যাবে না।নিহিলা ফোন হাতে নিয়ে অন্যদিকে চলে গেলো।নিহিলা ফোন কানে ধরে বললো- -আমি ফোন ধরছি না এর মানে তো এটাই বোঝাচ্ছে যে আমি আপনার সাথে কথা বলতে চাচ্ছি না।মামার ফোনে কল করার এতো কিসের দরকার ছিল! ফোনের অপরপ্রান্ত থেকে হেমন্ত বললো- -আপনি কি রাগ করে আছেন আমার সাথে? -না।রাগ করি নি।আপনার কথা বলা শেষ হলে ফোন রেখে দিতে পারেন। -শুনুন,আমাকে বিশ্বাস করুন।আমি সত্যি বলছি আমি ইচ্ছে করে আপনাকে অপেক্ষা করিয়ে রাখি নি।আপনার সাথে ফোনে কথা হওয়ার পর আমকে হসপিটালে যেতে হয়েছিল।আমার বোনের শরীর ভালো ছিল না।ফোনটা তাই বাসায় রেখেই চলে গিয়েছি।সামনে বিপদ দেখলে মাথায় তখন কিছুই কাজ করে না।আমার বোনটাকে নিয়ে আমিও অনেক বিপদে পরে গিয়েছিলাম।আমি এখনো হস্পিটালে আছি। নিহিলা কিছু বললো না।শুধু চুপচাপ শুনলো।হেমন্ত বললো- -এখনো কি রাগ করে আছেন আমার সাথে?কথা বলছেন না কেন? নিহিলা ধীরস্বরে বলল- -আমার মাথা ধরেছে।ফোন রাখি।পরে কথা বলবো আপনার সাথে। নিহিলা ফোন কেটে দিলো।ওদের কথা এই পর্যন্তই ইতি টেনে নিলো।নিহিলার সারাবেলা কাটলো মনমরা হয়ে। . সন্ধ্যায় রুমন স্যার পড়াতে আসলো।কিন্তু আজ জুই মেয়েটা অসুস্থতার জন্য পড়তে পারলো না।জ্বর খুব বেড়েছে ওর।জবা একাই স্যারের কাছে পড়তে বসেছে।জবার ইচ্ছে হচ্ছে এই সুযোগটা কাজে লাগাতে।চিঠিটা স্যারের হাতে দিতে।কিন্তু সাহস হচ্ছে না।জবা বইয়ের দিকে তাকিয়ে আছে আর ভাবছে।এই মুহূর্তে কোনটা করলে ভালো হবে।জুই আজ আশেপাশে নেই।দারুণ একটা সুযোগ আছে হাতে।জবা কিছুক্ষণ ভেবে নিয়ে স্যারকে বলল- -স্যার একটা কথা জিজ্ঞেস করি? রুমন বললো- -বলো..কোনটা বুঝো নি? -না স্যার।অন্য কথা বলবো।পড়ার বিষয়ে কিছু না। রুমন অবাক হয়ে বললো- -বলো কি কথা? -আমি,জুই আর নিহিলা আমাদের তিন বোনের মধ্যে কে বেশি সুন্দর? রুমন কপালে ভাজ ফেলে বললো- -পড়ার মাঝখানে এইটা কোনো টপিক কথা বলার? জবা লজ্জিত ভঙ্গিতে বললো- -সরি স্যার। -তোমার পড়া তুমি পড়ো। জবার আর সাহস হচ্ছে না চিঠিটা স্যারকে দেয়ার।স্যারকে যদি চিঠিটা দেয়া হয় তবে স্যারের অভিব্যাক্তি কেমন হবে!স্যারকে কি খুশি হয়ে বলবেন 'জবা,এতোদিনে তুমি আমাকে বুঝতে পারলে।তুমি তো আমার মনের কথা লিখে ফেলেছো।' নাকি চিঠিটা স্যার দেখেই চোখমুখ লাল করে রাগে চিঠিটা টুকরোটুকরো করে ছিঁড়ে চলে যাবে।নাকি যাওয়ার আগে মা বাবার কাছে চিঠিটা দিয়ে স্যার তাদেরকে এতোগুলো নীতিবাক্য শুনিয়ে যাবে।ভাবতে ভাবতেই জবা পড়া বন্ধ করে বসে রইলো।রুমন জবাকে চুপচাপে বসে থাকতে দেখে বললো- -কি ব্যাপার?পড়া বন্ধ হলো কেন? জবা হকচকিয়ে বললো- -এইতো..পড়ছি স্যার। রুমন আশপাশে তাকাচ্ছে।নিহিলা মেয়েটিকে আজও আশেপাশে দেখা যাচ্ছে না।মেয়েটিকে একবার দেখা গেলে ভালোই হতো।মেয়েটির বিয়ে হয়ে গেলে মেয়েটিকে আর দেখাও যাবে না।রুমন জবাকে জিজ্ঞেস করলো- -তোমার আপুর বিয়ের কি খবর? জবা বললো- -কয়দিন পরই আপনি দাওয়াত পেয়ে যাবেন স্যার। -তোমার আপুকে ইদানীং দেখা যায় না যে..! -আপু হয়তো ফুপুর রুমে আছে।মা মেয়ে গল্প করছে মনে হয়। -আচ্ছা,তোমার আপু কি এই বিয়েতে খুশি? -খুশি হবে না কেন? -সে কি ছেলেটিকে দেখেছে? -জী দেখেছে। -তোমার আপুর কাছে কি ছেলেটিকে ভালো লেগেছে? -হু।লেগেছে। -তাদের কি কোনো দেখা সাক্ষাৎ হয়েছে? জবা বিস্ময়ে রুমনের দিকে তাকিয়ে বললো- -স্যার,আমি নিহিলা আপুকে ডেকে দেই।নিহিলা আপুর সাথে আপনি বসে বসে গল্প করুন আর যা ইচ্ছে হয় তাকেই জিজ্ঞেস করুন।ডেকে দিবো স্যার? রুমন নড়ে বসলো আর বললো- -না ডাকতে হবে না।ওসব কথা বাদ।তুমি তোমার পড়া পড়ো। জবা আবার আগের মতো পড়তে লাগলো। . . নিহিলা রোকসানার রুমে বসে আছে।রোকসানা বসে তজবি গুনছেন।হঠাৎ নিহিলার ফোন বাজতে লাগলো।হেমন্ত ফোন দিয়ে যাচ্ছে কিন্তু নিহিলা এইবারও ফোন উঠালো না।রোকসানা বললেন- -কি ব্যাপার?ফোন ধরছিস না কেন? -এমনি। -কে ফোন করেছে? নিহিলা মিথ্যে বলার চেষ্টা করে বললো- -রং নাম্বার থেকে ফোন আসছে।বার বার একটা নাম্বারেই ফোন আসছে।ফোন ধরার পর একটা লোক ফালতুভাবে কথা বলছিলো।বিরক্ত লাগছে তাই ফোন ধরছি না। -আমাকে ধরিয়ে দে।আমি কথা বলবো। -তুমি কি বলবে? -মেয়েদেরকে ফোনে বিরক্ত করার মজা শিখাবো। নিহিলা মুচকি হেসে বললো- -তুমিও না..মা।কি যে বলো।হাসি পায়। -আমি কি হাসি কোনো কথা বলেছি? -বলো নি।কিন্তু হাসি পাওয়ার মতো করে বলেছো তাই হাসি পাচ্ছে। রোকসানা হেসে ফেললেন।ফোন আবারও বাজতে লাগলো।রোকসানা বললেন- -দে ফোনটা আমার কাছে। নিহিলা ফোন হাতে নিয়ে বললো- -আমি বকে দিচ্ছি মা।তুমি তজবি পড়ো। নিহিলা ফোন নিয়ে রুম থেকে চলে গেলো।নিহিলা রুমের বাহিরে গিয়ে ফোন রিসিভ করলো- -হ্যালো।আপনি আবার কেন ফোন করছেন? হেমন্ত ফোনের অপরপ্রান্ত থেকে বললো- -জরুরি কথা আছে। -কি কথা?জলদি বলুন।আমি ফোন রেখে দিবো।ভালো লাগছে না কথা বলতে। হেমন্ত ব্যস্ত হয়ে বললো- -ফোন রাখার কথা আসছে কেন?আপনি কি ছাদে আসতে পারবেন?শুধু পাঁচ মিনিটের জন্য। -এখন?ছাদে যাবো কি করতে? -আপনাদের ছাদে এসে দাঁড়ান একটু। নিহিলা শুকনো গলায় বললো- -ঠিকাছে আসছি। নিহিলা ফোন কেটে সিঁড়ি বেয়ে ছাদে উঠে গেলো।চারিদিক অন্ধকার।একা একা ছাদে উঠলে কেমন যেন ভয় ভয় লাগে।মনে হয় এখনি বুঝি ভূত ঘায়েল করবে।নিহিলা ভয়ে ভয়ে ছাদে উঠলো।ছাদে চারিদিকে অন্ধকার ছাড়া কিছুই দেখা যাচ্ছে না।হঠাৎ ছাদে উঠতে বলার কারনও সে জানে না।হেমন্ত কি আজ মজা নিচ্ছে নিহিলার সাথে!এই ভেবে নিহিলার খুব রাগ হচ্ছে!মজা করারও লিমিট আছে।নিহিলা রাগ হয়ে ফিরে যেতেই হঠাৎ মনে হলো কে যেন পেছন থেকে নিহিলার ওড়না ধরেছে।নিহিলা থমকে দাঁড়িয়ে গেলো।ধীরে ধীরে ঘাড় ঘুরিয়ে পেছনে তাকিয়ে চমকে গেলো।হেমন্ত ওর ওড়না ধরে হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছে।হেমন্ত হেসে বললো- -সারপ্রাইজ। নিহিলা আগের মতোই তাকিয়ে আছে।নিহিলার হাসি পাচ্ছে না।হেমন্ত বললো- -কি হলো?রাগ করে আছেন? নিহিলা রাগ দেখিয়ে বললো- -এইখানে কি করছেন?কেউ দেখে ফেললে কি হবে জানেন?মামা দেখতে পেলে তো সর্বোনাশ হয়ে যাবে। -কেউ দেখবে না। -ওড়না ছাড়ুন।আমাকে যেতে দিন। -আপনাকে সহজে ছাড়ছি না সরি। -মজা করবেন না তো। -আমি জানি,আপনি আমার সাথে খুব রাগ করে আছেন।কিন্তু শুনুন,প্লিজ।রাগ করে থাকবেন না। -আপনি কিসের জন্য এসেছেন এখানে?বলে তাড়াতাড়ি চলে যান আর আমাকেও যেতে দিন। হেমন্ত ওড়না ছেড়ে বললো- -চলে যেতে চাও?ঠিকাছে চলে যাও। নিহিলা অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলো।গেলো না।হেমন্ত 'তুমি' সম্বোধন করে কথা বলছে।হঠাৎ অন্যরকম লাগছে ওকে।খুব বেশী অন্যরকম।হেমন্ত বললো- -কি হলো?যাচ্ছ না যে? নিহিলা শান্ত গলায় বললো- -কেন এসেছেন? -বলবো? -বলুন.. হেমন্ত পকেট থেকে তিনটি গোলাপ ফুল বের করে নিহিলাকে এগিয়ে দিয়ে হাটু গেড়ে বসে বললো- -আই লাভ ইউ। নিহিলার চোখে বিন্দু বিন্দু পানি জমে গেলো।রাগ পানি আকারে চোখে জমাট বেধে যাচ্ছে।নিহিলা এগিয়ে এসে ফুল হাতে নিয়ে মুচকি মুচকি হেসে বললো- -আপনি কি জানেন যে আপনি এত্তগুলা পচা! হেমন্ত হেসে বললো- -আমি জানি। নিহিলার চোখে পানি ঝড়ছে।তবুও নিহিলা হাসির ভঙ্গিতে বললো- -আই হেইট ইউ। হেমন্ত হেসে বললো- -আই নো.. নিহিলা কাঁদতে লাগলো।দরদরিয়ে ওর চোখ বেয়ে পানি পরছে।হেমন্ত বললো- -তোমার হাতটা ধরতে পারবো? নিহিলা হাত এগিয়ে দিয়ে বললো- -ধরুন.. হেমন্ত নিহিলার হাতে চুমু খেয়ে বললো- -আই লাভ ইউ,আই লাভ ইউ,আই লাভ ইউ.. নিহিলা কাঁদতে লাগলো আর ফিসফিসয়ে বললো- -আর যদি কখনো আপনি ওমন করেছেন তাহলে আর কক্ষনো কথা বলবো না আপনার সাথে।এইটা হবে আপনার শাস্তি।বুঝেছেন! হেমন্ত আঙুল দিয়ে নিহিলার চোখের পানি মুছে বললো- -পাগলী..আর কখনো ওইরকম ভুল হবে না।প্রমিজ। নিহিলা চোখের পানি মুছে বললো- -ছাদে উঠলেন কিভাবে?যদি পরে যেতেন..! -গাছে উঠারও অভ্যাস আছে আমার।আর এইটাতো ছাদ।অনেক ট্যাকনিক করে উঠা যায় ছাদে।এইসবে আমি গ্রাজুয়েট। নিহিলা হেসে বললো- -এইবার আমাকে বিদায় দিন।মামা দেখলে.. হেমন্ত বললো- -দেখলে কি হবে?আমি বলবো আমার হবু বউয়ের সাথে দেখা করতে এসেছি। -এখন হাত ছাড়ুন।আমাকে যেতে দিন। হেমন্ত হাত ছাড়লো।নিহিলা দৌড়ে চলে যেতে লাগলো।যাওয়ার সময় পেছনে তাকালো।হেমন্তও তাকিয়ে রইলো নিহিলার দিকে। চারিদিকে নিঃশব্দে প্রেমময় হাওয়া বইছে আর শীতল করে দিচ্ছে দুটি মন ও দুটি অভিমানী আত্মাকে।অন্ধকার আকাশে যেন অন্ধকার নেই।আছে প্রেমের আলো।এই আলো বহুদূর পর্যন্ত ছড়িয়ে আছে।দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে আরেকটিবার হেসে নিলো। To Be Continued...


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৭ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now