বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রেমময়,,,,,,, পর্ব(১২)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md mainul islam (sagor) (০ পয়েন্ট)

X লেখিকা - Polok Hossain পলক হোসাইন ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~ জবা আর জুই স্কুল থেকে এসেছে।জুই চিঠিটা লুকিয়ে রাখাতে জবা এখনো ওর প্রতি রাগ করে আছে।অন্যসময় দুইবোন এক সাথে গল্প করতে করতে বাড়ি ফিরে কিন্তু আজ ওদের কারো মুখে কোনো কথা নেই।এমনকি জবা জুইয়ের দিকে তাকিয়ে পর্যন্ত দেখছে না।জবা স্কুল ব্যাগ রেখে চিঠিটা আবারও টেবিলে খুঁজতে লাগলো।জুই নিশ্চয়ই ওর টেবিলের ড্রয়ারে লুকিয়ে রেখেছে।কিন্তু চিঠিটা কোথাও পাওয়া গেলো না।আজ একটা দারুণ প্ল্যান করে রেখেছিলো জবা।ভেবে রেখেছিলো আজ রুমন স্যার পড়াতে আসলে সে চিঠিটা স্যারকে এগিয়ে দিয়ে বলবে বাসায় গিয়ে চিঠিটা খুলে পড়ে নিতে।কিন্তু কিছুই হলো না। . হেমন্তর মা এসেছেন।নিহিলার জন্য কিছু ড্রেস কিনে এনেছেন তিনি।নিহিলার সাথে তার ছেলের বিয়ের কথাবার্তা হওয়ার পর থেকেই এই ভদ্রমহিলা কোনাকোনো ওজুহাতে এই বাড়িতে এসে তার ছেলের হবু বউকে দেখে যান।তবে আসার সময় প্রতিবারই নিহিলার জন্য ড্রেস,রোকসানার জন্য শাড়ি নিয়ে আসেন। আজও নিহিলার জন্য কিছু জামা নিয়ে এসেছেন।বসার রুমে তিনি নিহিলার মা আর মামীর সাথে কথা বলছেন।নিহিলা ঘোমটা পরে চা নিয়ে গেলো।হেমন্তর মা নিহিলাকে বললেন- -বসো মা..বসো. নিহিলা বসলো।মাথা ঝুকে বসে রইলো।তিনি আবার বললেন- -খাওয়াদাওয়া কি ছেড়ে দিয়েছো খুকি?পাতলা মেয়ে আরও পাতলা হয়ে গেছে। রোকসানা বললেন- -খেতে চায় না।আমি জোর করে খাইয়ে দেই। হেমন্তর মা হাসতে হাসতে নিহিলাকে বললেন- -খুকি বলাতে কিছু মনে করো নি তো!আমি আবার সবাইকেই খুকি বলে ডাকি।আমার মেয়েটাকে খুকি ডাকি,ভাতিজিদের খুকি ডাকি।তাই তোমাকেও ডেকে ফেলেছি। রোকসানা নিহিলাকে চোখে ইশারা করলেন তার হবু শাশুড়িকে চায়ের কাপ এগিয়ে দিতে।নিহিলা রোকসানার চোখের ইশারা বুঝে তাকে চায়ের কাপ এগিয়ে দিলো।ভদ্রমহিলা চা হাতে নিয়ে নিহিলাকে বললেন- -এইরকম শান্তশিষ্ট একটা মেয়েই দরকার ছিল আমার ছেলের জন্য।আলহামদুলিল্লাহ.. রোকসানা নিহিলাকে আবার চোখে ইশারা করে বোঝালেন ভদ্র মহিলার পা ছুয়ে সালাম করতে।নিহিলা মায়ের চোখের ইশারা বুঝে হেমন্তর মায়ের পা ছুয়ে সালাম করলো।হেমন্তর মা নিহিলার মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বললো- -বেঁচে থাকো মা।বেঁচে থাকো। তিনি চায়ে চুমুক দিতে দিতে বললেন- -সেই স্বাদের চা।বিয়ের পর এইরকম করেই প্রতিদিন সকালে আমাকে চা বানিয়ে দিবে।আমি চায়ে চিনি বেশী খাই।চায়ে বেশি করে চিনি দিবে।তোমার হাত দেখাও তো মা.. নিহিলা তার কথা মতো হাত দেখালো।হেমন্তর মা বললেন- -যেই রমণীর হাতে তিল থাকে তার রান্না মজা হয়।তোমার হাতে তিল নেই তাতে কি হয়েছে!আমার ধারণা তোমার হাতের রান্না খুব ভালো হবে।আমার ছেলে প্রতিদিন মজাদার রান্না খাওয়ার সুযোগ পাবে। তিনি নিহিলাকে তার পাশে বসতে বললেন।নিহিলা তার পাশে বসলো।নিহিলার ঘোমটা সরিয়ে তিনি নিহিলার দুই কান দেখতে দেখতে বললেন- -কান খালি রাখা যাবে না।মেয়েদের টুকটাক গহনা পরে থাকতে হয়।কানে দুল পরে রাখবে এখন থেকে। নিহিলা হ্যা সূচক মাথা নাড়ালো।রোকসানা বললেন- -আরেক কাপ চা বানিয়ে দিতে বলি? -বলুন।চা খাওয়ার অতিরিক্ত অভ্যাস আছে আমার।তবে আমি খুকির হাতে খাবো। 'খুকি' বলে তিনি আবারও নিহিলাকে সম্বোধন করলেন।তিনি চান নিহিলা তার জন্য দ্বিতীয় কাপ চা বানিয়ে আনুক। . নিহিলা দ্বিতীয় কাপ চা বানাতে গেলো।এমনসময় জুই এসে বললো- -আপু,আরেক কাপ বেশী চা বানিও।রুমন স্যার আমাকে আর জবা আপুকে পড়াতে এসেছে।রুমন স্যারের জন্য আরেক কাপ। . . রুমন জবা আর জুইকে পড়াচ্ছে।গত তিনদিন সে পড়াতে আসে নি।জবা পড়তে পড়তে বললো- -স্যার একটা কথা বলবো? -বলো.. -আপনি কি অসুস্থ? -আমাকে কি অসুস্থ দেখাচ্ছে? -না..ওই কয়দিন পড়াতে আসেন নি যে? -বন্ধুদের সাথে সেন্টমার্টিন গিয়েছিলাম। জুই হঠাৎ করে বললো- -আমি তো ভেবেছিলাম আপনি বিয়ে করে ফেলেছেন স্যার তাই আসতে পারেন নি।আপনি আমাদের দাওয়াত দিতে হয়তো ভুলে গিয়েছিলেন এই ভেবে আমি মন খারাপ করে বসে রয়েছিলাম। জবা জুইয়ের দিকে ভ্রু কুচকে তাকিয়ে বললো- -তুই এতো বেশী কথা বলিস কেন রে? জুই বললো- -কি বেশী কথা বললাম!আমার কাছে যেইটা মনে হয়েছে আমি সেইটাই বলেছি। রুমন দুজনের কথা থামিয়ে বললো- -আর একটা কথা না।বইয়ের দিকে তাকাও। দুইজন আবার বইয়ের দিকে তাকিয়ে পড়তে লাগলো।রুমন এদিকওদিক তাকাচ্ছে।অন্যসময় নিহিলা মেয়েটাকে আশেপাশে দেখা যেতো আজ দেখা যাচ্ছে না।রুমন ওদেরকে উদ্দেশ্য করে বললো- -তোমাদের ফুপাতো বোনটার নাম যেন কি? জবা বললো- -নিহিলা আপু। রুমন শুকনা কাশি কেশে বললো- -তাকে দেখছি না যে তাই জিজ্ঞেস করলাম। জুই বললো- -নিহিলা আপুর বিয়ে ঠিক হয়েছে স্যার।নিহিলা আপুর হবু শাশুড়ি এসেছে।তাই নিহিলা আপু কাজে ব্যস্ত আছে। রুমন চমকে গিয়ে বললো- -তোমার আপুর বিয়ে ঠিক হয়েছে? -জি স্যার।তা তো কবেই! -ওহ..আচ্ছা।আমি আজকেই জানলাম।এতোদিন তোমরা কেউ বলো নি তাই জানি না। এমন একটা খবর হঠাৎ করে শুনতে পাবে তা রুমনের ধারণায় ছিলো না।মিষ্টি মেয়েটার বিয়ে হয়ে যাবে শুনতেই যেন কেমন লাগছে।মনে হচ্ছে একটা দামী জিনিস সে হারাতে বসেছে।এতোটা খারাপ তো তার লাগার কথা না।তবে হঠাৎ কেন মন খারাপের মতো অনুভূতি স্পর্শ করতে চাইছে! জুই বললো- -নিহিলা আপুকে কি দরকার আছে স্যার?তাকে ডেকে দিবো? রুমন তার চিন্তার ঘোর কাটিয়ে বললো- -না।ডাকার প্রয়োজন নেই।তোমরা পড়ো। জবা আর জুই পড়তে লাগলো।সাবেরা এসে রুমনকে চা দিয়ে গেলো।অন্যদিন নিহিলা মেয়েটি চা দিয়ে যেতো।মাঝে মাঝে চা এনে দিয়ে দুই একটা কথা বলে গল্পও করতো।এখন আর কোনো দিন হয়তো সেই গল্প করার সুযোগ হয়ে উঠবে না। . . হেমন্তর মা এখনো গল্প করেই যাচ্ছেন।নিহিলা দ্বিতীয় বারের মতো চা বানিয়ে নিয়ে গেলো তার জন্য।হেমন্তের মা বললেন- -মেয়ে মানুষ হতে হয় লক্ষী।আলহামদুলিল্লাহ।আমার ছেলে খুব ভাগ্যবান। ভদ্রমহিলার কথা শুনেই বোঝা যাচ্ছে তিনি বেশী কথা বলার মহিলা।গল্প করলে ছাড়তে চান না।শ্রোতা বেধে রেখে আলাপ জমানোর মানুষ তিনি। হেমন্তর মা বললেন- -হেমন্তর বিয়ের জন্য যখন মেয়ে খোজা হচ্ছিল তখন মনের মতো কোনো মেয়েই খুঁজে পাচ্ছিলাম না।আমার মনে হয়েছিলো ছেলের বিয়ে না দেখেই হয়তো মরতে হবে আমার।দুনিয়াতে এতো মেয়ে অথচ খোঁজার সময় মেয়েই নেই।মেয়ে ভালো পেলে পরিবার ভালো পাই না।পরিবার ভালো পেলে মেয়ে ভালো পাই না।আমার তখন হয়েছিলো এই দশা।কিন্তু ভাগ্যক্রমে আপনাদের ঘরের মেয়েকে পেয়ে গেলাম।এইটা যেন একটা নিয়তির খেলা। নিহিলার মামী বললেন- -আমাদের জামাই সাহেব কেমন আছে? -ভালো আছে।মা ভক্ত ছেলে হেমন্ত।মনের মতো একটা বউ পাওয়ার দোয়া করেছিলাম।ভাগ্য আমাকে তা-ই পাইয়ে দিয়েছে।আলহামদুল িল্লাহ্.. নিহিলা চুপচাপ বসে রইলো।চুপচাপ বসে থাকাটা যদিও একটা কঠিন কাজ কিন্তু তাকে এইটাই করতে হচ্ছে।কারো বাড়ির বউ হতে যাচ্ছে সে এখন থেকে চুপচাপ বসে থাকার অভ্যাস করতে হবে তার। . . অরনিতা রুনার শাড়িটা পরেছে।শাড়িটা পরে আয়নার সামনে গিয়ে নিজেকে নিজে কয়েকবার দেখে নিলো।শাড়িটা পরা হয়তো সুন্দর হয় নি।কোনোরকমে পেঁচিয়ে পরেছে সে।এমনিতেও সে শাড়ি পরতে পারে না।তবে আজ তার শাশুড়ির বিয়ের শাড়িটা পরার একটা কারন আছে।সে ইচ্ছে করেই এই শাড়িটা পরেছে।উদয় ওইদিন যেইভাবে তাকে সারপ্রাইজ দিয়েছিলো একইরকমভাবে আজও সে উদয়কে একটা সারপ্রাইজ দিতে চায়।সে ভেবে রেখেছে বাসর রাতে সে যেইভাবে নতুন বউ হয়ে বসে রয়েছিলো এই শাড়ি পরেও ঠিক একইরকমভাবে আজ সে বসে থাকবে।ঘর অন্ধকার থাকবে।উদয় এসে বাতি জালিয়ে অন্ধকার রুমটা আলোকিত করে দেখবে তার বিছনায় নব বধূ বসে আছে।এসব দেখে উদয় নিশ্চয়ই চমকে যাবে। অরনিতা সেজে নিলো।উদয়ের আসার সময় হয়েছে।অরনিতা রুমের বাতি নিভিয়ে বসে রইলো। রুমের দরজায় কড়া নড়লো।মনে হচ্ছে উদয় এসেছে।কিন্তু না।হালিমার গলার স্বর পাওয়া গেলো।হালিমা ডাকলো- -ছোট ভাবী... অরনিতা উঠে গিয়ে দরজা হাল্কা সরিয়ে শুধু মাথা বের করে বললো- -কি হয়েছে হালিমা? হালিমা খেয়াল করলো অরনিতা খুব সেজেছে।ওকে খুব সুন্দরও দেখাচ্ছে।হালিমা বললো- -আম্মার কাছ থেইকা বইলা একটা মশারির ব্যবস্থা করসি।আপনে চাইলে আজকে আমার রুমে ঘুমাইতে পারবেন। -ইউ আর গ্রেট হালিমা।খুব ভালো কাজ করেছো।কিন্তু আজ না।আরেকদিন ঘুমাবো তোমার সাথে। হালিমা কিছু না বলেই চলে গেলো।অরনিতা আবার আগের মতো বিছানায় বসে রইলো।প্রায় পনেরো মিনিট হয়ে গেছে উদয়ের আসার কোনো নাম গন্ধই নেই।শাড়িটা পরে বসে থাকতে এখন বিরক্ত লাগছে।ঘুম ঘুমও পাচ্ছে।অরনিতা কখন যে ঘুমিয়ে গেলো নিজেও বুঝলো না। হঠাৎ মনে হলো কে যেন ডাকছে অরনিতাকে- -অরু..এই অরু.. অরনিতা চোখ বুঝে ঘুমের ঘোরেই চেঁচিয়ে উঠলো- -চোর... চোর.. উদয় অরনিতাকে ডেকে বললো- -অরু..আমি এসেছি।আমি উদয়।চোর না। অরনিতা ধপ করে উঠে বসলো।তাকিয়ে দেখলো উদয় পাশে দাঁড়িয়ে আছে।উদয়কে যেমনটা সারপ্রাইজ দিবে ভেবে রেখেছিলো তেমন কিছুই হলো না।ঘুমটা মাঝখানে এসে বাধা দিয়ে সারপ্রাইজ সব লণ্ডভণ্ড করে দিলো।উদয় বললো- -চোর কোথায় পেলে? -আমি একটা স্বপ্ন দেখছিলাম।দেখেছি চোরটাকে আমি হাতেনাতে ধরে ফেলেছি।আপনি ঘুম থেকে না জাগিয়ে দিলে এতোক্ষনে চোরটাকে স্বপ্নের মধ্যে মেরে তক্তা বানিয়ে ফেলতাম। উদয় হেসে ফেললো।অরনিতাকে পুরোনো ফ্যাশনের বিয়ের শাড়িতে দেখে উদয় বললো- -তুমি সেজেগুজে ঘুমাচ্ছো কেন? -আমি আপনাকে সারপ্রাইজ দেয়ার জন্য সব কিছু করেছিলাম।শাড়িটা রুনা আন্টির।মানে আপনার মায়ের বিয়ের শাড়ি।ভেবেছিলাম আপনাকে একটু চমকে দিবো।কিন্তু কখন যে ঘুমিয়ে পরেছি জানি না।আমার খুব কান্না পাচ্ছে।ধ্যাত.. -তাই নাকি!আমাকে সারপ্রাইজ দিতে চেয়েছিলে? -জী।এতো অবাক হচ্ছেন কেন? -না অবাক হচ্ছি না।তবে তোমাকে আগেরকার দিনের নায়িকাদের মতো লাগছে।খুব সুন্দর মানিয়েছে এই শাড়িতে। -আপনি আমার সামনে বসুন।আপনার কথা মতো একটা স্পেশাল জিনিস বানিয়ে রেখেছি। অরনিতা উদয়কে একটি গ্লাস এগিয়ে দিয়ে বললো- -এই নিন আপনার পছন্দের রেসিপি। উদয় গ্লাস হাতে নিলো।গ্লাস থেকে ডিম ফ্লেভার আসছে।উদয় গ্লাস হাতে নিয়ে নাক কুঁচকে বললো- -এইটা আবার কি? -ভুলে গেলেন?এইটা হচ্ছে আপনার উদয় রেসিপি।ডিম জুস। -ছি..কি বাজে গন্ধ.. অরনিতা হাসতে হাসতে বললো- -এখন ছি বলছেন কেন?উদয় রেসিপির এতো অপমান? -আমি তো মজা করেছিলাম কিন্তু তুমি সত্যি সত্যি এইটা বানিয়ে ফেললে! অরনিতা হাসতে লাগলো।শাড়িটা পুরোনো ফ্যাশনের হলেও শাড়িটিতে ওকে খুব মানিয়েছে।অরনিতার হাসি মুখটা আজ খুব বেশী ভালো লাগছে উদয়ের কাছে।হাসিটা খুব চেনা লাগছে।ওর সৌন্দর্য মাখা মুখে হাসিটা খুব মানিয়েছে।মন বলছে এই হাসিটার সাথে এই মুহূর্তেই মিশে যেতে। To Be Continued..


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৭ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now