বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রেমময়,,,,,,,, পর্ব(৬)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md mainul islam (sagor) (০ পয়েন্ট)

X লেখিকা - Polok Hossain পলক হোসাইন ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~ হেমন্ত ছেলেটি দরজার বাহিরে দাঁড়িয়ে আছে।হাতে কিছু মিষ্টির বাক্স।নিহিলা নিজেও খানিকটা চমকে গেছে।এই ছেলে এইভাবে হুট করে এসে পরবে কে জানতো।সে কাউকে কিছু জানিয়ে আসে নি হয়তো।জানিয়ে আসলে কেউ না কেউ বাড়ি থাকতো।মা আর মামী তো বাসা থেকে এক কদমও বের হতেন না।জামাই সাদরে তারা ভালো মন্দ রান্নার কাজে লেগে যেতেন।ছেলেটিকে ভেতরে আসতে না বললে বিষয়টা অভদ্রতা দেখাবে।মুখোমুখি দাঁড়িয়ে কেমন যেন লজ্জা লজ্জা লাগছে নিহিলার।নিহিলা থেমে থেমে বললো- -আসুন..ভেতরে আসুন। হেমন্ত বাহিরে দাঁড়িয়েই বললো- -তৈমুর আঙ্কেল বাসায় আছেন? নিহিলা বললো- -জি না।মামা বাসায় নেই। -কখন আসবেন তিনি? -এখুনি এসে পরবেন।আপনি না হয় অপেক্ষা করুন। -তৈমুর আঙ্কেলকে ফোন করেছিলাম।কিন্তু তার ফোন বন্ধ।আসলে হঠাৎ চলে আসাতে.. নিহিলা তার কথা থামিয়ে বললো- -অসুবিধে নেই।আপনি অপেক্ষা করতে পারেন।ভেতরে আসুন। হেমন্তকে ড্রয়িংরুমে বসানো হলো।নিহিলা রান্নাঘরে চলে গেলো।এই মুহূর্তে তার উচিত মামা না আসা পর্যন্ত ছেলেটির সামনে বসে তার সঙ্গে কিছুক্ষণ গল্প করা।এইটাও সে জানে।কিন্তু ছেলেটির সামনে দাঁড়াতেই কেমন যেন লজ্জা করছিলো।কিছুক্ষণ তার পাশে বসে থাকলে হয়তো সেই লজ্জা মোমের মতো গলে গলে পরবে। সাবেরা চা বানাচ্ছে।নিহিলা সাবেরাকে বললো- -আরও এক কাপ চা বসা.. -কার জন্য?কে আইসে বুবু? -তোর পছন্দের মানুষ এসেছে। সাবেরা অবাক হয়ে বললো- -আমার পছন্দের মানুষ আবার ক্যাডা? -তুই নিজেই গিয়ে দেখে আয়।তাকে চিনতে পারিস কিনা দেখি। সাবেরাও তাই করলো।ড্রয়িং রুমে উকি দিতেই দেখলো হেমন্ত বসে আছে।সাবেরা এসে হেসে হেসে নিহিলাকে বললো- -বুবু..এইটা তো দেখি আমার হবু দুলাভাই.. -এক কাজ কর,তুই চা বানিয়ে তাকে দিয়ে আয়। -আপনে তার সামনে বইসা থাকেন গা।আমি চা বানাইয়া আনি দুইজনের জইন্য। -আমি ওখানে যাবো না।আমার জন্য বানানো চা টুকু তাকে দিয়ে চলে আয় তুই।আর কিচ্ছু করা লাগবে না। -এইডা কেমন হইলো!ততোক্ষণ লোকটা একা একা বইসা থাকবো? -তোর ইচ্ছে হলে তুই তার সাথে বসে বসে গল্প কর গিয়ে।আমি সেখানে যাচ্ছি না। -জিদ ধইরেন না বুবু।আপনে তার পাশে গিয়া বসেন।কথা কন।তার সময় কাটবো আর আপনেরও মন ভালা হইয়া যাইবো। -তুই অনেক বেশী কথা বলিস.. -আমি আপনের জায়গায় থাকলে এইডাই করতাম। নিহিলার দ্বিধাদ্বন্দ কাজ করছে।সাবেরার কথা মতো সে যাবে কি না বুঝতে পারছে না।অরনিতার কথাও মনে পরছে।অরনিতা বলেছিলো ছেলেটির সাথে একবার কথা বলে নিতে।ছেলেটির কথাবার্তা আচরণের বিষয়টা পরীক্ষা করার সময় হয়তো এখন। নিহিলা নিজেকে সামলে নিয়ে ছেলেটির সামনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিলো।মাথায় ওড়না টেনে নিলো।ড্রয়িং রুমে যাওয়ার আগে দুই গ্লাস পানি খেয়ে গলা ভিজিয়ে নিলো।গলাটা সাংঘাতিকভাবে শুকিয়ে আসছে।বুক ধড়ফড় করছে।কপালে বিন্দুবিন্দু ঘাম জমে গেছে।বিয়ের আগেই এই অবস্থা।বিয়ের পর কয় নম্বর বিপদ সংকেত হবে কে জানে! . হেমন্ত সোফায় বসে আছে।দেওয়ালে সুই সুতার তৈরী চমৎকার কিছু ওয়ালম্যাট ঝোলানো।ওগুলোই দেখছে বসে বসে।ফোন হাতে নিয়ে আবারও ফোন দিলো নিহিলার মামা তৈমুর সাহেবকে কিন্তু তার ফোন এখনো বন্ধ।তিনি বাসায় না থাকলেও বাকিমানুষদের তো বাসায় থাকার কথা।কিন্তু কাউকেই দেখা যাচ্ছে না।মানুষজন কাউকে দেখতে পেলে হয়তো একটু সময় কাটানো যেতো।হেমন্তও নিহিলাকে দেখে ভালো মতো চিনেছে।ছবির চেয়েও এই মেয়ে বাস্তবে অনেক সুন্দর।মেয়েটি সামনে এসে বসলে মন্দ হতো না।ভাবতে ভাবতে নিহিলা সত্যি সত্যি এসে পরলো তার সামনে।ওর জামার রঙ হলুদ আর সবুজ।এই দুই রঙে ওকে অভূতপূর্ব সুন্দর লাগছে। নিহিলা সোফায় এসে বসলো।ছেলেটিকে কি বলা যায় বুঝতে পারছে না সে।কিছু একটা তো বলা দরকার।কিন্তু কি বলবে সে!নিহিলা কিছু বলার আগেই হেমন্ত বললো- -আপনি নিহিলা?রাইট? হেমন্ত ছেলেটি নিজেই কথার ভূমিকা শুরু করায় নিহিলা কিছুটা স্বস্তি পেলো।এখন আর তাকে কোনো কথা বলার প্রসঙ্গ খুঁজতে হচ্ছে না।নিহিলা ধীর স্বরে বলল- -জি আমি নিহিলা। -আমি হেমন্ত।হয়তো চিনতে পেরেছন। -জি।আমিও আপনাকে চিনতে পেরেছি। -কাউকে দেখছি না যে? -বাহিরে গিয়েছে সবাই।তবে এখুনি চলে আসবে। -আচ্ছা। হেমন্ত আবার চুপ হয়ে রইলো।সব প্রশ্ন সে নিজেই করে যাচ্ছে।আর মেয়েটি এক কথায় জবাব দিচ্ছে।এক কথায় জবাব দিলে গল্পের আসর জমে না।গল্পের আসর জমাতে হলে প্রশ্নের জবাব আরও বড় করে দেওয়া উচিত।এবং সেই জবাবের মাঝে দুইএকটা প্রশ্ন তার নিজ থেকেও করা উচিত। নিহিলা মুখ ঝুকে নিচের দিকে তাকিয়ে আছে।চোখের পাতা উচু করে কিছুক্ষণ পরপর হেমন্তের দিকে তাকাচ্ছে।হঠাৎ হেমন্তও ওর দিকে তাকালো।চোখেচোখ পরতেই নিহিলা লজ্জিত ভঙ্গিতে অপ্রস্তুত হয়ে বলে উঠলো- -বাসার সবাই কেমন আছে? হেমন্ত বললো- -ভালো আছে।তবে একটা খুশীর সংবাদ নিয়ে এসেছিলাম।আমার ভাগিনা হয়েছে।মানে আমার বড় বোনের ছেলে হয়েছে। -আলহামদুলিল্লাহ্।শুনে ভালো লাগলো। -দোয়া করবেন।তবে একটা বিষয় নিয়ে ভাবতে হচ্ছে।ভাগিনার নাম কি রাখা যায়? নিহিলা একটু ভেবে নিয়ে বললো- -প্রিয় আমার এক বন্ধুর নাম।ওর নামটা আমার খুব পছন্দ। -হ্যা।এই নামটাও সুন্দর। নিহিলা মুচকি হাসলো।হেমন্ত বললো- -আপনি কি গান গাইতে পারেন? -না।গান শিখি নি।গাওয়ার চেষ্টাও করি নি।মাঝেমাঝে গুনগুনিয়ে গান গাওয়া হয় আর কি.. -আপনার কণ্ঠ সুন্দর তাই জিজ্ঞেস করলাম।কিছু মনে করেন নি তো? নিহিলা সামান্য হেসে বললো- -না।আমি কিছু মনে করি নি। -একটা কথা মনে পরছে..ভার্সিটিত ে আমার এক ফ্রেন্ড ছিল।ওর নাম লিমা।ওর কন্ঠ সুন্দর।সারাক্ষণ গান গাইতো।আমরা ওর নাম দিয়েছিলাম কোকিল আপা।এই নামে ওকে খুব ক্ষেপাতাম। নিহিলা হাসলো।হেমন্তও হেসে ফেললো। সাবেরা দুইকাপ চা-সহ ট্রে হাতে নিয়ে আড়ালে দাঁড়িয়ে আছে।কি নিয়ে তাদের মাঝে এতো হাসাহাসি চলছে ব্যাপারটা আন্দাজ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।কিন্তু কিছুই বুঝতে পারছে না। সাবেরা এইবার ট্রে নিয়ে সামনে গেলো।নিহিলা সাবেরাকে মিষ্টির বাক্সগুলো দেখিয়ে বললো- -এগুলো ভেতরে নিয়ে যা। নিহিলার কথা মতো মিষ্টির বাক্সগুলো হাতে নিয়ে সাবেরা চলে গেলো। নিহিলা হেমন্তকে চা এগিয়ে দিয়ে বললো- -নিন,চা খান। হেমন্ত চা খেতে খেতে বললো- -আপনার নাম্বারটা আমার কাছে ছিল।বাট আনফর্চুনেটলি নাম্বারটা ডিলিট হয়ে গেছে। -আপনার নাম্বারও আমার কাছে আছে।মামী দিয়েছিলো আপনার নাম্বার।কিন্তু আর কথা বলা হয়ে ওঠে নি। -আমিও নাম্বারটা আর চাই নি।তাই কালেক্টও করা হয় নি।কারন আমার ইচ্ছে ছিল আপনার সাথে লাইভ কথা বলার। -যাক,এখন ফোন ছাড়াই সামনাসামনি কথা বলতে পারছি আমরা।আসলে এমন একটা সুযোগের অপেক্ষায় আমিও ছিলাম -যদিও বিয়ে এখন ঠিকঠাক।তবুও আমি আপনার কাছ থেকে পার্সোনালি একটা বিষয় জানতে চাই। -জি অবশ্যই।বলুন.. -আপনার কি এই বিয়েতে কোনো আপত্তি আছে?যদি থাকে তাহলে খোলাসা করে বলতে পারেন। -না।এমন কিছু না।আমি নিজের ইচ্ছাতেই এই বিয়েতে রাজি হয়েছি। -এইটুকু জানাই আমার জন্য খুব বেশী জরুরি ছিল।বিয়ের ক্ষেত্রে ফ্যামিলির চেয়ে নিজেদের মতামত ও ইচ্ছেটাই সবচেয়ে বড় বলে আমি মনে করি।যেমন ধরুন,এই বিয়েতে একদিকে ছেলে রাজি কিন্তু মেয়ে রাজি না।মেয়েকে ফ্যামিলি থেকে জোর করে বাধ্য করা হয়েছে বিয়ে করার জন্য।সেইক্ষেত্র ে দেখা যাবে বিয়ের পর তারা স্বামী-স্ত্রী হয়ে সুখে থাকতে পারবে না।মনের মাঝে অশান্তি তাড়া করে বেড়াবে।তখন সংসার শুরু না হতেই সম্পর্কের মাঝে ফাটল ধরবে। নিহিলা অবাক হয়ে বললো- -আপনি কি সাইক্রিয়াটিস্ট? -না।তবে সাইকোলজি নিয়ে টুকটাক লেখালেখি করি।পেশায় আমি একজন ব্যাংকার।বাংলাদেশ ব্যাংকে আছি। -ওহ..আচ্ছা। সাবেরার গলার আওয়াজ শোনা যাচ্ছে।সাবেরা চেঁচিয়ে বললো- -বুবু,আপনের ফোন বাজে। নিহিলা হেমন্তকে বললো- -আপনি একটু বসুন।আমি আসছি। এই বলেলে নিহিলা উঠে পরলো। . অরনিতা ফোন করেছে।নিহিলা ফোন রিসিভ করলো। -হ্যালো অরু..ঠিক সময়ে ফোন করেছিস দোস্ত।আগে একটু জিরিয়ে নেই এরপর বলছি সব। অরনিতা কিছু না বুঝেই বললো- -এইরকমভাবে বলছিস কেন?কি হয়েছে রে? -ওই যে,মামা যেই ছেলেটার সাথে আমার বিয়ে ঠিক করেছেন ওই ছেলেটা এসেছে।ড্রয়িং রুমে বসে চা খাচ্ছে।বাসায় আমি আর সাবেরা।আর কেউ নেই।তাই আমাকে বাধ্য হয়ে আপ্যায়ণ করতে হচ্ছে।আমি কিছুক্ষণ বসে রয়েছিলাম।টুকটাক কিছু কথা হয়েছে।প্রথম প্রথম বুঝতেই পারছিলাম না কি বলবো। -আগে বল!ছেলে কেমন?পছন্দ হয়েছে তোর? -দেখতে খারাপ না। -ছেলের ব্যবহার কেমন? -ভালোই।রসিকতা করতে জানে। -এইতো গুড।কিছু একটা তো আইডিয়া করতে পেরেছিস। -পনেরো মিনিটের মতো বসে আছে।এখন পর্যন্ত কেউ বাসায় আসছে না।আমার আর ইচ্ছে করছে না ছেলেটির সামনে যেতে।লজ্জা লাগছে।ভয়ে হাতের তালু এখনো ঠান্ডা হয়ে আছে। -আরে..গাধী।এইটাই তো সুযোগ। -কিসের সুযোগ? -তুই একটা আস্ত গাধী।কেউ বাসায় নেই।মন খুলে কথা বল।ফোনে যেই কথা বলতে পারবি না সেই কথাগুলো লাইভ বলতে পারবি।সামনাসামন ি মন খুলে কথা বলার এই একটা সুযোগ। -কিন্তু কি কথা বলবো আমি? -হায় কপাল,তুই কথা বলার টপিক খুঁজে পাস না? -না তো।কি বলবো? -আমি তোর জায়গায় হলে তাকে প্রশ্ন করতে করতে একেবারে ভাজা ভাজা করে ফেলতাম।লাইভ ইন্টার্ভিউ নিতাম।আমার প্রশ্নগুলোর নমুনা এইরকম হতো- ১.কয়টা প্রেম করেছেন? ২.কয়বার ছ্যাকা খেয়েছেন? ৩.ক্রাশ খাওয়া রোগ আছে আপনার? ৪.এই পর্যন্ত কয়টা মেয়েকে প্রপোজ করেছিলেন? ৫.ধরুন,আপনি একটা মেয়েকে প্রচণ্ড ভালোবাসেন কিন্তু মেয়েটির ফ্যামিলি মেয়েটিকে অন্য কোথাও বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে।তখন মেয়েটিকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার মতো সাহস আছে আপনার? ৬.স্মোকিং করেন? ৭.মেয়ে পটানোর যোগ্যতা আছে আপনার? ৮.একটা মেয়ের পেছনে সর্বোচ্চ কতোদিন পর্যন্ত ঘুরেছেন? ৯.বাসরঘরে বউ যদি পালিয়ে যায় তখন আপনি কি করবেন? নিহিলা অরনিতাকে থামিয়ে দিয়ে বললো- -এসব কি বলা শুরু করেছিস?আমি এসব ওই ছেলেকে জিজ্ঞেস করবো?তুই আমার মতো মেয়েকে দিয়ে এইটাও আশা করিস? -আরে বাবা।ট্রাই কর।ট্রাই করতে দোষ কি!আমি যা বলেছি এইগুলো জিজ্ঞেস করিস।সাথে তোর নিজের কোনো প্রশ্ন থাকলে ওইগুলোও করবি।এইটা হচ্ছে প্রাথমিক পরীক্ষা।আমি তোর জায়গায় থাকলে এইটাই করতাম। -সরি অরু।আমি এইসব পারবো না।এগুলো জিজ্ঞেস করতে কেমন যেন লাগে.. -তুই একটা গাধী মার্কা।বাসায় কেউ নেই।ছেলেটা একা বসে আছে।ইচ্ছে মতো প্রশ্ন করে যা।কেউ নেই বাধা দেওয়ার মতো। -এর মানে তুইও কি এসব প্রশ্ন রোমিও দুলাভাইকে করেছিলি? -নারে..এখন অনেক আফসোস হয়।আমি সেই সুযোগ-ই পাই নি।যদি একবার সেই সুযোগ পেতাম তাহলে তো কোনো কথাই ছিলো না।আমার প্রশ্নের জালে তোর দুলাভাইকে আটকে ফেলতাম।এই কারনেই ওই উদয়ের আমার সারাক্ষণ লড়াই হয়।কথাতে কথাতে লড়াই আবার কথাতে কথাতে কাটাকাটি। -ঠিকাছে..ঠিকাছে..।ফোন রাখ।দেখি আমি আজ অরনিতা হতে পারি কি না। অরনিতা হেসে হেসে বললো- -এই তো ভেরী।গুড।ধর,আজ তুই নিহিলা না।আজ তুই অরনিতা।তোকে পারতেই হবে। নিহিলা ফোন রেখে দিলো। . নিহিলা ভাব নিয়ে হেমন্তর পাশে বসলো।চায়ের খালি কাপ দেখে হেমন্তকে উদ্দেশ্য করে বললো- -আরেক কাপ চায়ের ব্যবস্থা করি? -না।তা লাগবে না।আমি ওতোটা চাখোর না। নিহিলা ইতস্ততভাবে বললো- -আপনাকে কিছু জিজ্ঞেস করতে চাই আমি। -হুম।বলুন.. -আপনার কি কারো সাথে রিলেশন ছিল?মানে গার্লফফ্রেন্ড ছিল আপনার? কিছুক্ষণ আগে চুপচাপ বসে থাকা মেয়েটাকে হঠাৎ এমন প্রশ্ন করতে দেখে হেমন্ত কিছুটা চমকে গিয়ে জবাব দিলো- -না।আপনার বয়ফ্রেন্ড ছিল? -না..আমারও ছিল না।আরেকটা কথা জিজ্ঞেস করি? -করুন.. -আপনি কি স্মোকিং করেন? -আগে বন্ধুদের সাথে মিলে একটু আধটু করতাম।কিন্তু এখন তেমন কিছুই করি না।ব্যস্ত জীবনে স্মোকিং করার চিন্তাও মাথায় আসে না এখন। -আরেকটা কথা জিজ্ঞেস করি? হেমন্ত আবারও অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলো।তবে ওর প্রশ্নগুলো মজাদার লাগছে।উত্তর দিতে মোটেও বিরক্ত লাগছে না হেমন্তের কাছে।হেমন্ত এইবার হেলান দিয়ে বসে বললো- -করুন।কিন্তু এইবার কোনো ইজি কোয়েশ্চেন না।আরেকটু টাফ কোয়েশ্চেন করবেন যেন আমি এন্সার দিতে গিয়ে আটকে যাই।এবং ফেল করি। এই বলে হেমন্ত হাসতে লাগলো।নিহিলা থেমে গেলো।বেশী চতুরতা দেখাতে গিয়ে ছেলেটির সামনে সে নিজে হাসির পাত্র হয়ে যাচ্ছে না তো! To Be Continued...


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now