বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
হাদিসে বর্ণত আছে যে, মহান আল্লাহ যখন আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করে আল্লাহ তার স্বীয় কুদরতি ডান হাত দ্বারা আদম (আঃ)- এর পিঠ মাসেহ করলেন অর্থাৎ পিঠ মুছে দিলেন। এতে আদম (আঃ)-এর পিঠ থেকে তার সব সন্তান বের হয়ে পড়ল, যাদেরকে আল্লাহ কেয়ামত পর্যন্ত সৃষ্টি করবেন এবং সবারই দু'চোখের মাঝখানে একপ্রকার নূরের আলোর আভা রাখলেন। এরপর তাদের সবাইকে আদম (আঃ)-এর নিকট উপস্থিত করলেন। আদম (আঃ) বললেন, হে আমার রব! এরা কারা? আল্লাহ উত্তরে বললেন -এরা তোমার সন্তান। এমন সময় আদম (আঃ) দেখলেন যে, তদের মধ্যে একজনের দু'চোখের মাঝখানে নূরের আলো আভা তাকে অবাক করে তুলল। তিনি প্রশ্ন করলেন- হে আমার রব! এ লোকটি কে? আল্লাহ বললেন- এ তোমার সন্তান দাউদ। তখন আদম (আঃ)
বললেন- আপনি তার বয়স কত বছর নির্ধারিত করেছেন? আল্লাহ বললেন- ষাট বছর। আদম (আঃ) বললেন- আপনি আমার বয়স হতে তাকে ৪০বছর বৃদ্ধি বা বেশি দিয়ে দিন। যখন আদম (আঃ)-এর ৪০বছর ব্যতিত যখন আদম (আঃ)- এর ৯৬০বছর শেষ হয়ে গেল তখন তার নিকট মৃত্যুর ফেরেশতা অর্থাৎ আজরাইল (আঃ) এসে উপস্তিত হলেন। আজরাইল (আঃ)-কে দেখে আদম (আঃ) বললেন- আমার বয়সের আরও চল্লিশ বছর কি বাকি নেই? তখন আজরাইল (আঃ) বললেন- আপনি কি তা আপনার সন্তান দাউদকে দিয়ে দেননি। তখন আদম (আঃ) তা অস্বীকার করলেন। আর এজন্যই আদম (আঃ)-এর সন্তাররাও অস্বীকার করে থাকে। আদম (আঃ) যেমন ভুলে গিয়ে আল্লাহর আদেশ অমান্য করে নিষিদ্ধ গাছের ফল খেয়েছিলেন। সুতরাং তার সান্তানরাও ভুলে যায়। আর আদম (আঃ)- এর ভুল- ত্রুটি হয়েছিল। এজন্য তার সন্তানদেরও ভুল-ত্রুটি হয়ে থাকে।
[আপনারা উপরের উল্লেখিত হাদিসের ঘটনা
থেকে আপনারা কি শিক্ষা অর্জন করলেন
তা মন্তব্যের মাধ্যমে সবাইকে জানান]
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now