বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ফারাবি : না আসলে আমি চাইনি যে ওই বেপার টা কেউ জানুক।
শান্তা : ভালো। তা কিছু খাওয়াবেন না।
ফারাবি : কেন, আমি খাওয়াবো কেন?
শান্তা : বারে পাশে একটা মেয়ে সাত্থে হেটে যাচ্ছে তাকে তো অন্তঃতত একটা আইসক্রিম খাওয়াবেন। নাকি জিএফ মানা করেছে?
ফারাবি : আরে না। আমার জিওফ নাই আর আগে তো কারো সাথে এভাবে,,,,,,,,,,
শান্তা: বুঝেছি ওইযে দোকান জান গিয়ে দুইটা আইসক্রিম আনবেন।
ফারাবি : দুইটা কেন।
শান্তা : আরে হাদারাম এখানে কজন মানুষ আছে?
ফারাবি : বুঝেছি।
শান্তা : গুড বয়।
ফারাবি : এই নাও তোমার আইসক্রিম ।
শান্তা : হুম একটা ধরে থাকেন। আর আমি এটা খাই।
ফারাবি : (শালা মাইয়া দেখো স্বার্থপর মেয়ে একটা একাই খাচ্ছে আমার আমায়)
শান্তা : আরে হা করে কি দেখেন। নাকি আমায়। দেখে ক্রাশ খাইলেন। নেন ওটা খেয়ে নেন।
ফারাবি : আরে না, ওমন কিছু না।
শান্তা : তাহলে কেমন? আমি বুঝি দেখতে খারাপ।
নাকি আমায় জিএফ হিসাবে মানাবে না।
ফারাবি : সেটাও না। আর তুমি এই গুলা কি বলছো।
শান্তা : দেখুন আপনার বেপারে সব আগে থেকেই জানি। সো কোন প্রকার না শুনতে চাইনা।
ফারাবি : তোমার ম্যাচ এসেগেছে তুমি যাও।
শান্তা : হুম যাই আর ম্যাচে গিয়া কল দিবা।
ফারাবি : কেন?
শান্তা : আমি তো অন্তজামি নই যে জানবো যে ম্যাচে পৌছায়েছো তাই।।
ফারাবি : ও নং ত নাই।
শান্তা : দেখুন আপনার ফোনে শান্তা জান লিখা সেভ করা আছে?
ফারাবি : কে বলেছে নাই আমি জানি?
শান্তা : কচু যানো আমি সেইভ করে দিছি।
ফারাবি : ও আচ্ছা টাটা।
শান্তা : দেখে যেও। আর গিয়ে কল না দিলে কাল কে নাক ফাটিয়ে দেবো।
ফারাবি : -----( যে মেয়ে এ যা বুঝাতে চাইছে তাতে যদি আমি বলি হ্যা তাইলে আমি শেষ পুরা নাক বিহীন কইরা দিবে)
আবির : কিরে তুই কোথায়?
ফারাবি : এই তো তোর বোন কে রেখে এসে আমার ম্যাচে এসেছি।
আবির : ওকে বাই।
ফারাবি : খাইছেরে ওই মেয়েকে তো কল দেইনি?
তাড়াতাড়ি ফেসবুকে যাই দেখি মেয়েটা আছে কিনা।
শান্তা : কি বেপার কল কই?
ফারাবি : না ফ্রেসহয়ে ফেসবুকে আসলাম।
শান্তা : হাহা তা ফেসবুকে বুঝি কল দেয়।
ফারাবি : না মানে,,,,,,
শান্তা : যাইহোক জান খেয়ে ঘুমান। পরে যেন ফেসবুকে না দেখি।
ফারাবি : কেন আমি ফেসবুকে থাকলে কি.।
শান্তা : কি আবার বলুন।
ফারাবি : গুড নাইট ।
পরের দিন।
আমি রিক্সা দিয়ে কলেজে যাচ্ছি। আর দেখি মহারানী রাস্তায় ওয়েট করতেছে।
শান্তা : এই রিক্সা থামুন।
ফারাবি : আজকেও কি রিক্সা পাওনি?
শান্তা : পেয়েছিলাম বাট যায়নি আপনার সাথে যাব তাই।
শা
ফারাবি : ও তাহে জান আমি পরের,,,,
শান্তা : চুপ করে সরে বসুন।
ফারাবি : ঠিক আছে।
শান্তা : কি বেপার পরে যাবেন তো এদিকে আসো।
ফারাবি : যদি গায়ের সাথে গা লেগে যায়।
শান্তা : লাগলে লাগুক। আমার সাথে না লাগলে কোন মেয়ের সাথে লাগবে শুনি।
ফারাবি : ও এই তো কলেজে এসে গেছি।
শান্তা ::তো কি আজ ক্লাস করবো না চলো আজ তোমার চেহারা পাল্টাবো।
ফারাবি : মানে।
শান্তা : বুঝতে হবেনা চুপ থাকো। আর মামা **** চলুন।
ফারাবি : ওখানে গিয়ে কি হবে?
শান্তা : গেলেই বুঝবেন। আর এটা কি পড়েছেন শুনি। আর এই শার্ট টা প্রতিদিন পড়েন কেন?
ফারাবি : কই এটা তো ঠিক ঠাকই লাগছে। আর কে বলেছে আমার এই সেম শার্ট তিনটা আছে। আসলে পড়তে ভালো লাগে তাই।
শান্তা: কচু ঠিক আছে দেখতে একদম আবুল আবুল লাগছে।
ফারাবি : সে আবার কে।
শান্তা : আবুল তো আপনি।
****
*****
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now