বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মূল্যহীন-ভালোবাসা - 2

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X ফারাবি : শাহেদ ভাই। গেট বন্ধ করেন না। শাহেদ : তা এত রাত কই ছিলে তোমায় এর আগে তো এত রাত হয়নি। ফারাবি: না ভাই। আজ দুইটা টিউশনি পেলাম তো তাই রাত হয়ছে। শাহেদ : ভেতরে আসো এর পর যেন লেট না হয়। ফারাবি : ওকে ভাইয়া। ***** ফারাবি : মা কেমন আছো তোমরা।বাবা কেমন আছে। আম্মু: হ্যা বাবা ভালো আছি আমরা। তুমি কেমন আছো । ফারাবি : আম্মু আমি ভালো আছি। তোমরা খাইছো। আম্মু : হ্যা বাবা এইতো একটু আগে খেলাম। তুমি খাইছো বাবা। ফারাবি : খাইনি আম্মু। এইতো একটু আগে ম্যাচে আসলাম। এখন ফ্রেস হয়ে আপনাকে কল দিলাম। আম্মু : তা বাবা কিছু লাগবে কি? এখন তো তোর বাবার কাছে টাকা। আমার কাছে আছে পাঠিয়ে দেবো কালকে। ফারাবি : না আম্মু আমার টাকা লাগবে না। আব্বু কে ফোন টা দাও তো। আম্মু : এই নে বাবা। আব্বু : কেমন আছো বাব জান।তোমার শরীর ভালো তো। ফারাবি : আমি ভালো আছি আব্বু ডাচবাংলায় ২০০০ টাকা পাঠিয়ে দিয়েছি। তুলে নিয়েন। আমার প্রথম রোজগারের টাকা। আব্বু : কষ্ট করে টাকা পাঠালি কেন তোমারি তো লাগবে। ফারাবি : আমি একটা টিউশনি করে টাকা পাইছি। আর প্রথম বেতনের টাকা পাঠাইছি । আব্বু : ঠিক আছে বাবা তুমি বাড়ি আসবে কবে। ফারাবি : কয়েক দিন পর সেমিস্টার পরিক্ষা আছে। তারপর যাবো। আব্বু : আচ্ছা বাবা ভালো থেকো নিজের খেয়াল রেখো। ফারাবি : ঠিক আছে বাবা এখন রাখি তাহলে। *****--**** আমি ফারাবি। আর এত ক্ষন বাবা মার সাথে কথা বললাম। আমাদের পরিবার মধ্যবিত্ত পরিবার আর বাবা কৃষক। তাই সব খরচ দিতে গরমিল হয়ে যায়। আর আমি শহরে পড়ি আর বাবা যা রোজগার করে তা দিয়ে টেনে টুনে সংসার চলে। আর সেজন্য আমি সবার কাছে একটু অবহেলার পাত্র। গ্রামের ছেলে তো তাই। পরেরদিন রিক্সসায় যাচ্ছিলাম কলেজে। অচেনা মেয়ে : এই যে শুনেন।। এইযে ছেলে একটু শুনেন ( জোরে চিৎকার করে) ফারাবি : ভাই রিক্সা থামান একটু। অচেনা মেয়ে : আপনাকে কখন থেকে ডাকি আপনি শুনেন নি কেন? ফারাবি : আমি তো শুনেছি কিন্তু বুঝতে পারিনি কাকে বলেছেন। অচেনা: আপনি কি একটু হেল্প করতে পারবেন ? ফারাবি : হ্যা বলুন। অচেনা : না মানে আমি অনেক্ষন ধরে অপেক্ষা করছিলাম রিক্সার জন্য পাইনি আজকে ক্লাস টেক্সট পরিক্ষা আছে তাই যদি একটু,,,,, ফারাবি : বুঝেছি। বাট আমি অচেনা কাউকে হেল্প করিনা। অচেনা : আমি শান্তা ইসলাম। আর অনার্স প্রথম ইয়ারে পড়ি। আর কোথায় পড়ি এটা তো জানেন। ফারাবি : আমি ফারাবি। অনার্স সেকেন্ড ইয়ার। শান্তা : তো এখন কি লিফট পাবো। ফারাবি : লিফট তো দিতে পারবো না। শান্তা : কি এই পাচ মিনিট কথা বলে ধ্যাত আপনি আসলেই,,,,,,,,, ফারাবি : হুম নেন রিক্সায় যান। শান্তা : আপনি যাবেন না। ফারাবি : আপনি এটায় জান আমি পরে রিক্সাপেলে জাবো। শান্তা : অকে। ------- আবির : কিরে লেট কেন। ফারাবি : না এমনি । আবির : তুই তো প্রথম ক্লাস মিস করিস না তো আজ। ফারাবি : রিক্সা পাইনি তাই হেটে আসলাম। আবির : ভাল আজ ক্লাস হবে না চল। ফারাবি : কই যাবো । আবির : আরে দোস্ত পিকনিক যাবি আর নতুন জামাকাপড় কিনবি না এই পুরান কাপড় পড়বি নাকি। ফারাবি : ওকে চল। আজকে তুই চয়েস করে কিনে দিস। তারপর দুই বন্ধু মিলে একটা উন্নত মানের মার্কেট থেকে প্যান্ট শার্ট কিনে। আবির বাসায় যায় আর আমি আমার ম্যাচে আসলাম। সাত দিন পর পিকনিক যাবার ডেট হয়েছে। রাতে খেয়ে অনেক দিন পর ফেসবুকে ঢুকে দেখি একটা ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট এসেছে। আর নাম টা খুব সুন্দর আর নামের থেকে প্রোফাইল পিক টা আরো সুন্দর। একসেপ্ট করবো কিনা ভাবতে ভাবতে আনমনেই একসেপ্ট করে ফেলি।এক্সেপ্ট করার সাথে সাথে মেসেজ আসে। ** : হাই। ফারাবি : জি বলেন। ** : কেমন আছেন। ফারাবি : জি ভালো আছি।আপনার নাম কি আর আমি কি আপনাকে চিনি বা আপুনি আমায় চিনেন। ** : হ্যা, বাট অচেনা কারো সাথে কি কথা বলা যাবেনা। ফারাবি : না আসলে আমায় তো কেউ রিকুয়েস্ট দেয়না তাই। ** : ও, তা কি করেন। ফারাবি : এই তো শুয়ে আছি। ** : ও তা আমরা কি বন্ধু হতে পারি। ফারাবি : ভেবে দেখি। আগে কথা বলি তারপর না হয় ফ্রেন্ড সীপ করি। ** : ওকে। আমায় আপনি চিনেন। আমিও চিনি। ফারাবি : কি করে। ** : আরে আজকে যাকে হেল্প করলেন। আমি সে ফারাবি : ও তার মানে আপনি মিস শান্তা। শান্তা : হুম।তা তখন কি করে কলেজ আসলেন। ফারাবি : গিয়েছি কোনরকমে। রিক্সা পাইনি তাই হেটেই গিয়েছি। শান্তা : সত্যি সরি আমার জন্য আপনি কষ্ট করলেন। ফারাবি : না ঠিক আছে। শান্তা : আপনার বাবা মা কি করেন। ফারাবি : আমার বাবা ফার্মার মা হাউসওয়াইফ। আপনার? শান্তা : আমার বাবা মাও। তা কয় ভাই বোন,আপনারা ? ফারাবি : আমরা তিন ভাইবোন। আমি বড়।আপনরা। শান্তা : আমরা চার বোন এক ভাই। আচ্ছা বাই পরে কথা হবে। ফারাবি : ওকে। খোদা হাফেজ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মূল্যহীন-ভালোবাসা - 3
→ মূল্যহীন-ভালোবাসা - 1

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now