বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

তোমার অবহেলা....

"সত্য ঘটনা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মায়া(guest) (০ পয়েন্ট)

X যখন তোমায় ভাল বেসেছিলাম তখন একটাবারের জন্যে ও ভাবিনি তোমাকে ছাড়া কখনো থাকতে হবে।আর ভাববোই বা কানো আমার ভালবাসায় তো কোন দাগ ছিলনা "-এমন বক্তব্য ই ছিল ফারিয়ার। ও বলতে ভুলেই গেয়েছি-ফারিয়া হচ্ছে এই গল্পর নায়কা আর ফাহিম হচ্ছে নায়ক। ফারিয়া ফাহিমকে খুব ভালবাসত।ফাহিম যে ফারিয়াকে ভালবাসত না সেটা কিন্তুু না।তবে ফারিয়া বেশি ভালবাসত।ফারিয়ার একটাই ভয় সেটা হল ফাহিম কে ছাড়া বেচে থাকা।আর ফাহিম বাস্তবকে মেনে চলে। ফারিয়া সব সময় ভাবতো ফাহিমের পড়া শেষ করে একটা চাকুরি আর তারপর পরিবারকে জানিয়ে তাদের বিয়ে।আর এসব চিন্তা করতে করতে সে ভুলেই গিয়েছে ফাহিমের কি মতামত। আর ফাহিমের কি মত হতে পারে।সে ও ফারিয়া মতের সাথে এক মত।এটাই সাবাভিক।কিন্তু তা হল না। ফারিয়ার বাসা থেকে যখন তার বিয়ের জন্যে ছেলে দেখছে তখন ফারিয়া পাগল হয়ে ওঠে।কারন সে তো ফাহিমকে ভালবাসে।ফাহিম কে ছাড়া সে কিছুই ভাবতে পারেনা।তাকে ছাড়া ফারিয়া বাচতে পারবে না।এমন সময় ফাহিম ফোন করে -কান্না স্বরে হ্যালো(ফারিয়া) -কি হয়েছে? কাদছো কানো?(ফাহিম) ফারিয়া কান্নায় ভেঙ্গে পরে আর ফাহিম কে সব খুলে বলে। - সব শুনে ফাহিম বলে তুমি আমাকে দুইটা বছর সময় দাও আমি সব সামলে নিবো। ফারিয়া পরিবারকে অনেক বুঝিয়ে সময় নেয়।কিন্তু এর মধ্যে ফারিয়ার ভাল জায়গা থেকে বিয়ে এসেছ।ফারিয়া রাজি হয় নি।এজন্যে পরিবারের সবাই তার ওপর রাগ করেছিল।বিয়েতে রাজি না হওয়ায় সবাই তাকে বকাঝকা করত।তাতে ফারিয়ার একটু মন খারাপ হলেও যখন ফাহিমের সাথে কথা বলতো সব ভুলে যেত।ফাহিমের জন্যে ফারিয়া সব করতে পারবে। কিন্তু ফাহিম?? এভাবে দেখতে দেখতে কেটে গেল দুটা বছর।পরিবারের বকাঝকাতে আর পরিবারে থাকা সম্ভব হচ্ছিল না ফারিয়ার।ফাহিমের জন্যে পরিবারের সাথে ঝগড়া করতো।সে ভাবতো একবার ফাহিমকে পেলে সে আর কারো কথা শুনবে না।সে আর কখনও এ পরিবারে আসবে না।কিন্তুু ইদানিং ফাহিমকে বিয়ের কথা বললে সে এরিয়ে চলে।এ নিয়ে ফারিয়া কিছুই বুঝত না।ভাবতো হয়তো ব্যাস্ততার জন্যে হয়ত ফাহিম এরকম করছে।আমার। ফাহিম কখনও এমন কোনো কাজ করবে না যে তাকে ছাড়া আমায় থাকতে হবে। কিন্তু ফাহিম আগের মতো আর ফোনও দেয় না।কথা ও ঠিকমত বলে না।ফাহিমের আচরণ দেখে ও কথা শুনে ফারিয়া বুঝতে পারছিল যে ফাহিম বদলে যাচ্ছে কিন্তু ফারিয়া তা মেনে নিতে পারছিল না। আস্তে আস্তে ফাহিম বদলে গেল।ফারিয়া ফোন দিলে তাকে গালাগালি দিত।ফারিয়া ওবাক হয়ে যেত যে ফাহিমকে সে এত ভালবাসে সে ফাহিম তাকে এরকম করতো।আর ফারিয়ার চোখ বেয়ে জল ঝরতো।কষ্টটা কাউকে দেখাতে পারত না।তবুও সে বারবার ফাহিম কে ফোন দিত।কারন ফাহিমকে ছাড়া সে কিছুই ভাবতে পারত না। একদিন ফারিয়া ফাহিম কে বলে তার পরিবার তাকে বিয়ে দিবে।ফাহিম শুনে বলে যেখানে বিয়ে দিবে হয়ে যাও।আমি তোমাকে বিয়ে করতে পারবো না। একথা শুনে ফারিয়া বলে আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারবো না।তুমি কেন এমন করছো।আমি কি কিছু ভুল করেছি? তুমি যা বলেছো আমি তাই করেছি।তবে কেন এমন করছো? ফাহিম ফারিয়ার কোনো কথাই শোনেনা।ফারিয়াকে খুব অপমান করতো। এভাবে তাদের রিলেশন নষ্ট হয়ে যায়।ফারিয়া অনেক চেষ্টা করেছে ফাহিমকে ফিরিয়ে আনার কিন্তু........ ফারিয়া ঠিকি বুঝেছিল ফাহিম তাকে মন থেকে কখনও ভালবাসে নি কিন্তু তা মেনে নিতে পারছিল না।আজ বুঝতে পারছে ফাহিম কেন তাকে বেশি গুরুত্ব দিত না,কেন তাকে এরিয়ে চলত।কেন এত ভালবাসার পরও অবহেলা করতো। আজ ও ফারিয়া ফাহিমকে ভুলতে পারে নি।ভুলবেই বা কি কর ওর ভালবাসা তো মিথ্যে ছিলনা ফাহিমের মত।।।।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২০৩ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now