বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ধৈর্যের গুণ

" ঈশপের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X এক বনে এক শেয়াল ছিল। সে অনেকদিন ধরে না খেতে পেয়ে প্রায় মরা মরা অবস্থা। সে একদিন মনে পথের ধার দিয়ে যাচ্ছিল। যেতে যেতে ভাবছিল, “আজ যদি খাবার না পাই তো আমি হয়তো মরেই যাব।” কিন্তু কি করে যে খাবার সংগ্রহ করব সেটাই বুঝতে পারছি না। আমি কয়েকদিন ধরে না খেয়ে এতই দূর্বল হয়ে পড়েছি যে আমার পক্ষে শিকার করা আর সম্ভব নয়। এমনিতেই শিকারগুলো খুব চালাক হয়ে গেছে আজকাল। কিছুতেই ধরা যায় না। আর এই দূর্বল শরীরে কি করে ধরব।” এই ভাবছিল আর মনটা ভার করে পথ ধরে হাঁটছিল। হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ তার নাকে এলো রুটি আর মাংসের গন্ধ। সে যতটা সম্ভব দ্রুত ছুটে গেল গন্ধটা যেখানে থেকে আসছে। দিয়ে দেখে, একটা গাছের কোঠরের মধ্যে কিছু রুটি আর মাংসের টুকরো রাখা আছে। শেয়ালটি আশেপাশে তাকিয়ে দেখল, কয়েকটি রাখাল মাঠে মেষ চড়াচ্ছে। সে বুঝতে পারল এ খাবার গুলো রাখালদের। কিন্তু শেয়ালের পেটে তখন চনমনে খিদে তার উপর খাবারের গন্ধে খিদেটা বহুগুণ বেড়ে গিয়েছে। খিদের জ্বালা আর সহ্য হচ্ছিল না। সে কোঠরের মধ্যে ঢুকে গপ গপ করে সব খাবার খেতে লাগল। এদিকে খাবার খেতে খেতে শেয়ালের পেট হয়ে গেল ঢোল। খেতে খেতে যখন আর পেটে জায়গা নেই তখন সে ভাবল, এবার তবে কোঠর থেকে বেড়নো যাক কোঠর থেকে। কিন্তু চাইলেই কি আর বেড়ুনো যায়! যেমনি সে বেড়ুতে যাবে অমনি আর ভোম্বল পেটে গাছের কোঠরে আটকে গেল। অনেক চেষ্টা করেও আর কিছুতেই বের করতে পারল না। শেষে নিরুপায় হয়ে কাঁদতে লাগল। আর ভয় হতে লাগল এই যদি রাখাল বালকরা ফিরে আসে আর যদি ফিরে এসে তাকে দেখে তবে আর তার আস্ত রাখবে না। নির্ঘাত তাকে মেরে ফেলব। যেই না ভাবা অমনি আরও জোরে কাঁদতে লাগল। সেই সময় বনের পথ ধরে আর একটি শেয়াল যাচ্ছিল।হঠাৎ সে কান্নার শব্দ শুনতে পেয়ে প্রথম শেয়ালের কাছে উপস্থিত হল। ২য় শেয়াল ১ম শেয়ালকে বলল, কি ব্যপার শেয়াল ভাই, তুমি কাঁদছ কেন? তোমার কি হয়েছে? ১ম শেয়াল বলল, আর বলো না ভাই। অনেক খিদে পেয়েছিল। খিদের জ্বালায় মরতে বসেছিলাম। অবশেষে এই কোঠরের মধ্যে কিছু খাবার পেয়ে তাই খাচ্ছিলাম। এখন মনে হচ্ছে খাওয়াটা একটু বেশি হয়ে গেছে। বের হতে পারছি না কোঠর থেকে। পেট আটকে গেছে। কি করা যায় বলো তো। তখন ২য় শেয়াল বলল, এতে আর চিন্তা করার কি আছে, কিছুক্ষণ অপেক্ষা করো। পেটের খাবার হজম হয়ে গেলেই তোমার পেটটা কমে যাবে আর তখন তুমি আনায়াসে বেরিয়ে আসতে পারবে। ১ম শেয়ালটি বলল, অনেক ধন্যবাদ ভাই। আমার এ কথাটি মনেই ছিল না। ২য় শেয়ালটি যেতে যেতে বলল, যে ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করে সে অনেক সমস্যা থেকেই মুক্তি পায়। সবুরে মেওয়া ফলে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২৩২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ "ধৈর্যের গুণ"

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now