বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
একদেশে এক সেনাপতি সেই দেশের শাসকের সৈন্যদের হাতে নিহত হওয়ার সুবাদে মসনদে বসে। কিন্তু রাজপ্রাসাদের আরেক ষড়যন্ত্রের সেই সেনারাজা নিহত হয়। মৃত্যুর সময় রাজা দুই নাবালক পুত্র আর একদল দাস রেখে যায়। সেনারাজার মৃত্যুর পর আরেক সেনারাজা ক্ষমতায় বসে - তখন দাসদের মাঝে কোন্দলের কারনে তার বিধবা স্ত্রী রাজপাটে আসেন। ঘটনাচক্রে উনি দ্বিতীয় সেনারাজা কর্তৃক অবৈধভাবে উপটৌকন পাওয়া রাজপ্রাসাদ - যা সেনাছাউনিতেই অবস্থিত - সেখানে বসত করেন বিধায় নিজেকে সব সময়ই রানী বিবেচনা করেন। নিজেকে এবং দুই রাজকুমারকে সব আইনে উর্দ্ধে বিবেচনার সাথে যারা বোমাবাজী, খুন আর হত্যাকান্ড করে বিরোধীদের দমন করে - তাদের সাইকে আইনের বাইরে রাখায় বিশ্বাস করেন। সেই রানীর দু্ইপুত্র স্বভাবতই উড়নচন্ডী চরিত্রের হয়। শিক্ষার আলো থেকে দুরে থাকা এই রাজকুমাররা ক্ষমতায় থেকে রাজ্যের সম্পদ লুট করে - ভিনদেশে পাচার করে। যুবরাজদের একজন ক্ষমতাশীন হওয়ার আগেই বিরোধীদের খতম করার লক্ষ্যে জংগীদের দিয়ে বোমাহামলা করে।
কিন্তু নিয়তির নিষ্টুর পরিহাস - সৈন্যবাহিনী একসময় যুবরাজদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেয়। পাঠানো আগে বিষয়টাকে বিধিসন্মত করার লক্ষ্যে এদের চিরস্থায়ী রোগী হিসাবে ঘোষনা করে। এদিকে দেশের মানুষ বিরোধীদের ক্ষমতায় বসায় এবং লুটেরা রাজকুমারদের বিচারের দাবী করে। সাধারন মানুষের প্রশ্ন - এই দূর্নীতিগ্রস্থ রাজকুমারদের বিদেশে বসবাস আর চিকিৎসার জন্যে যে বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে সেই অর্থের উৎস কি? মধ্যপ্রাচ্যের উষর মরুভূমিতে হারভাঙ্গা পরিশ্রম করে দেশে পাঠানো ডলারগুলো কিভাবে ওদের সেবায় চলে যাচ্ছে? কিন্তু এই প্রশ্নের উত্তর রানী বা তার দাসরা কোনভাবেই গুরুত্বপূর্ন মনে করে না। এরা মনে করে সাধারন মানুষ এখন বোকাই আছে।
দেশে এনে এদের বিচারের সন্মুখিন করার কথা শাসকরা বিবেচনা করে - কিন্তু চিরস্থায়ী রোগী হিসাবে ভিনদেশে বসবাসকারী লুটেরা রাজকুমারদের সমর্থক এবং দাসরা বিষয়টি মেনে নেবে কেন? এরা তাদেরকে অনন্তকাল ভিনদেশের চিকিৎসার জন্যে রেখে দিতে দাবী করে। এরা আইন মানে না - এরা চায় রাজকুমাররা তাদের লুটপাটের অর্থ খরচ করে ভিনদেশে সুখে থাকুক।
দেশের ক্ষমতাশীনরা যখন তাদের দেশে আসতে বলে - কারন এদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের সম্পদের লুটপাটের অভিযোগ আছে - তখন রানীর দাসরা হৈ চৈ করে রাস্তায় নেমে পড়ে - গাড়ী ভাংগে - সাধারন প্রজাদের জীবন অতিস্ঠ করে তোলে।
এরা কেন যেন আইনের মুখোমুখি হওয়ার আগেই বিচার বন্ধ করতে চায় - চায় আবারো ক্ষমতায় এসে শয়তানের পুঁজা শুরু করবে - যে শাসনে লুটের বিচার হবে না। বোমাবাজরা হবে দেশে মন্ত্রী। খুনীরা হবে দেশের হর্তাকর্তা। আর এরা নির্বোধ রানীকে তোষামোদের ঢেউয়ে ভাসিয়ে নির্বোধ রাজকুমারদের মাথায় লবন রেখে বড়ই খাবে আনন্দের সাথে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now