বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
উপস্! আর হাটতে পারছি না,একটি জিরিয়ে না নিলেই নয়। ছোট একটা চায়ের দোকান দেখে বসে পরে রবি। চায়ের দোকানদার কে বলে মামা এক কাপ করা করে চা দিনতো। চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে রবি ভাবতে থাকে জীবন এর মানে। মাথার এপাশ থেকে ওপাশ পর্যন্ত খুজে ফেরে কিন্তু কিছুতেই রবি জীবনের মানে খুজে বের করতে পারে না। পাশে বসা লোকটি জিগাস করে আপনি কি চিন্তিত? "হুম অনেক চিন্তিত" রবি খুব তারাতারি উত্তর দেয় যেন ও প্রশ্নের জন্য আগ্রহে ছিল। এম.এ পাস করে হাতে সনদের বোঝা টেনে বেড়াচ্ছে রবি। কিন্তু চাকরি নেই। চাকুরি থাকবে কেমন করে? ওর তো 5 লাখ টাকাও নেই আবার মামা-খালু ও নেই।পাশে বসা লোকটিকে সহজ ভঙ্গিতে জিগাস করল "আপনি জীবন এর মানে জানেন?" পাশের বাসার লোকটি এমন ভাবে রবির দিকে তাকালো যেন এরকম কথা আর জীবনেও শোনেনি। লোকটি কথার উত্তর না দিয়ে গভীর ভাবনায় ডুবে গেল। মনে হলো সে জীবন এর মানে খুজতে প্রানমণ দিয়ে নেমে গেছে। চা শেষ হয়ে গেছে সেই কখন তবুই কাপ টা হাতেই আছে ওর। মনে হচ্ছে 4-5 কাপ চা খেতে পারলে ভালো হতো। সারাদিনের ক্লান্তি আর ক্ষিদে নিয়ে সেখানেই সে বসে থাকে। রাত প্রায় 10 টা। দোকানদার দোকান বন্ধ করবে। রবি কে বলে মামা বাসায় জান। রবি অবাক হয়ে বলে মামা বাসা মানে কি? প্রশ্ন শুনে দোকানদার এর মুখ হা করে তাকিয়ে থাকে। রবি চায়ের দাম টেবিল এ রেখে চলে যায়। দোকানদার অবাক হয়ে চেয়ে থাকে রবির চলে যাওয়া পথের দিকে। রবি হাটতে থাকে। তার পথ অজানা। অজানা পথে হাটতেই ওর ভালো লাগে। আসতে আসতে কুয়াশার মধ্যে হাড়িয়ে যায় রবি।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now