বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অজানা অনুভূতি

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X রাত বারোটার কাছাকাছি। চার রাস্তার মোড়ের ব্যাস্ত রাস্তাটা একদম নিস্তব্ধ। কোথাও কোন মানুষ নেই। হালকা দূরে তাকিয়ে দেখি বৃদ্ধ রহিম চাচা তার দোকান বন্ধ করছে। রহিম চাচা কোন বিয়ে করেননি তাই তার কোন সন্তানও নেই। পরিবারের অার যারা ছিলো সকলেই এক এক করে না ফেরার দেশে চলে গেছে। দৌড়ে তার দোকানের সামনে গেলাম। পকেটে হাত দিতেই দুইটা দশ টাকার নোট বের হলো। চাচার দিকে একটা দশ টাকার নোক বারিয়ে দিয়ে বললাম -চাচা একটা বেনসন সিগারেট দেন। চাচা অামার দিকে ঘুরে বললো, -কে? ও লাবু। দাড়াও বাবা,, চাচা অামাকে একটা সিগারেট দিলেন অার সাথে ম্যাচটা দিলেন। অামি সিগারেটের মাথায় অাগুন ধরিয়ে ম্যাচটা চাচাকে দিয়ে হাটা ধরলাম নদীর ধারে। - বাবা অাজকে বসবা না? মন খারাপ নাকি? -না চাচা। ক্যালেন্ডারের পাতায় দেখলাম অাজকে নাকি চাদের অালো সাধারনের চেয়ে দ্বিগুন। অার এখানে বড় বড় বিল্ডিং এর ফাকে ফাকে চাঁদটা ভালো দেখা যায় না। তাই নদীর পাড়টায় যাচ্ছি। অাজকে জোৎস্না স্নান করতে মন চাইলো। তাই অাজ বসবো না। অাবার হাটা ধরলাম চাচাকে বিদায় জানিয়ে। সত্যি বলতে কী কিছু কিছু গল্পের কোন মানে হয় না। অাবার কিছু কিছু গল্প অল্পতেই বিশাল অাবেগের সৃষ্টি করে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৯ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now