বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অন্তহীন

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X ১. এখন রাত প্রায় ১ টার কাছাকাছি।এমনিতেই দোলন রাত ১১ টায় ঘুমিয়ে পড়ে।আজও রাত ১১ টায় শুয়েছে।কিন্তু আজ তার আর ঘুম আসছে না।টেনশনে হলে তার এমন হয়।সে খুবই টেনশনে আছে।কারণ,মুআজ তার ছোট বোনকে ফেশবুকে নক করে বলেছে,তাকে সে খোঁজ করছে,সে যেন তার সাথে যোগাযোগ করে।এ কথা শুনে দোলন এর টেনশন বেড়ে গেলো।হঠাৎ এমন কথা কেন? তার ফোন নম্বর ত মুআজ এর জানা,তাহলে সে কেন তার বোনকে ফেশবুকে নক দিয়ে এসব কথা বললো? কোন খারাপ কিছু নয় ত? চিন্তায় দোলনের কাঁপুনি শুরু হয়ে গেলো।তার ভেতরটা অস্থির অস্থির করছে।কি এমন বলার আছে মুআজ এর? সে কি তাহলে সব বুঝে গেলো? বছর দুয়েক হলো তাদের বন্ধুত্ব।কলেজ এ ভর্তির সময় পরিচয়।ধীরে ধীরে মুআজ এর প্রেম এ পড়ে যায় দোলন।কিন্তু এ কথা সে মুআজ কে এখনও বলেনি।মুআজকে বললে,মুআজ যদি রাগ করে ওর সাথে কথা বলা বন্ধ করে দেয়?যদি আর দেখা না করে? এসব ভয়ে সে আজও মুআজকে বলেনি যে সে ওকে কতটা ভালোবাসে।ফেশবুকে মুআজের যত ছবি আছে,সব দোলন ডাউনলোড করে গুগল ফোটোস এ সেভ করে রেখেছে। তাদের সব কনভারসেশন দোলন স্ক্রীনশর্ট দিয়ে ফোনে রেখে দিয়েছে।দোলনের অবসর কাটে বই পড়ে,গান শুনে আর মুআজ এর ছবি ও কনভারসেশন পড়ে।তার ভালোবাসাটুকু নিজের মধ্যেই সে গোপন করে রেখেছে।সে মনে করে,মুআজ ঠিকই একদিন বুঝবে। তাহলে কি সেই দিনটা চলে আসছে? আনন্দ আর ভয় মেশানো এক অনুভূতি কাজ করছে দোলনের মাঝে।তার মনে হচ্ছে,কখন রাত পেরিয়ে ভোর হবে? ২. কখন যে দোলন ঘুমিয়ে পড়েছিলো ,, সে খেয়ালই করেনি।ঘুম ভাংগতেই হুরমুর করে সে উঠে পড়ল।ফোন হাতে নিয়েই সে কল দিলো মুআজ কে।কয়েকবার রিং হলো।কেউ ধরলো না।দোলনের অস্থিরতা বাড়লো।ফোনকেন ধরছে না মুআজ? কিছুক্ষন পর মুআজ ফোন রিসিভ করলো। - হ্যালো মুআজ! -দোলন,তোমার সাথে কথা আছে। - হ্যা বলো। - বলবো,ফোনে না।সামনা সামনি - কোন সমস্যা হয়েছে? -নাথিং হ্যপেন্ড।টেক কেয়ার। ওপাশ থেকে ফোনটা কেটে দেওয়া হয়েছে।দোলন এর অস্থিরতা আরো বাড়লো।এভাবে কথা বলার কারণ কি? আর কোন ভালো মন্দ না বলেই ফোন কেটে দেওয়া।কোন সমস্যা? এসব ভাবতে ভাবতেই দোলনের ফোনে মেসেজ এলো।দোলন মেসেজ ওপেন করে দেখে,সেটা মুআজ এর।মেসেজ এ লিখা- "বিকেল ৪ টা,রমনা পার্ক।এসো কিন্তু! " ৩. বিকেল ৬ টার কাছাকাছি।দোলন মুআজ পাশাবাসি বসে আছে। বিশাল এক গাছের নিচে একটা বেঞ্চ এ।জায়গাটা অসম্ভব সুন্দর।মুআজ বললো- - চলো,এখন ওঠা যাক,সন্ধ্যা হয়ে আসছে। - হুম। - আইসক্রীম খাবে? বহুদিন খাওয়া হয়নি। - হুম। - কি হুম হুম করো? কথা বলো।আগে আমার দিকে তাকাও ত। দোলনের চোখ ভর্তি জল।সে কি করে মুআজ এর দিকে তাকাবে? মুআজ ত বুঝে ফেলবে সে কাঁদছে।আর তখনই শুরু হবে হাজারটা প্রশ্ন।প্রশ্নের উত্তর ত দোলনের জানা নেই।সে কি করবে তখন?সে কি বলবে,মুআজ আমি তোমাকে ভালেবাসি।তুমি কি করে অন্য কাউকে বিেয় করতে পার? কি করে আমাকে এত কস্ট দিতে পারো?প্লিজ বলে দাও আমাকে,আমি এখন কি করবো।কি করার আছে আমার!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now