বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অতি সাধারন গল্পকথা

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X একদিন দুপুরের ব্রেকে স্কুলের গাছতলায় বিশ্রাম করছিলাম আমরা। সাথে বল্টু। হঠাৎ ক্লাস ফাইভের এক বাচ্ছা মেয়ে বল্টুকে প্রপোজ করেছে... শুনে বল্টু বলল, "তুমি এত বাচ্ছা মেয়ে আমাকে প্রপোজ করতে এসেছো? নাক টিপলে দুধ বের হবে তোমার!" পাশ থেকে বাচ্ছা মেয়ের বান্ধবী ফিসফিস করে বলল, "এটা কারে প্রপোজ করলিরে, যার কোন জেনারাল নলেজ নাই...কি টিপলে কি বের হবে, সেটাও জানেনা এই ছেলে!! : আমাদের পাশের বাড়ির এক লোক অনেক বছর ধরে বিয়ের জন্য মেয়ে দেখে বেড়াচ্ছিল। কিন্তু কিছুতেই তার কোনো মেয়েকে পছন্দ হচ্ছে না। বছরের পর বছর ধরে সে মেয়ে দেখে বেড়াচ্ছে। অতঃপর এবার একটি মেয়ে দেখতে গেলে বাঁধে বিপত্তি। মেয়ের মা পাত্রকে দেখে অজ্ঞান হয়ে যায়। হুশ ফিরে আসার পর সবাই তাকে জিজ্ঞেস করলো, পাত্রকে দেখে বেহুঁশ হলে কেন? মেয়ের মা বললো, ২০ বছর আগে সে আমাকেও দেখতে এসেছিল! : কাজিরচর গ্রামের চোরাকারবারি কাল্লু খাঁ তার সাগরেদকে ডেকে বললো, ‘যা তো দেখে আয় রাস্তায় কোনো পুলিশ আছে কি না।’ খানিক পরেই সাগরেদ একদল পুলিশ নিয়ে হাজির। বললো, ‘ওস্তাদ, রাস্তায় কোথাও পুলিশ পাইনি, তাই থানা থেকেই ডেকে নিয়ে এলাম! এই হলো কাজিরচরের কাল্লুৃ খাঁর নলেজ। : আমাদের স্কুলের সখিনা ও কু্দ্দুস প্রেম করছিল অনেকদিন থেকে। ওরা গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড দুইজনেই পরীক্ষায় ফেইল করছে। লজ্জা না থাকায় সেই রাতেই দুজন ফোনে কথা বলতেছে। সখিনা: জান, আব্বু তো আমাকে বলছে যে পড়ালেখা বন্ধ! আমাকে নাকি রিকশাওয়ালার সাথে বিয়ে দেবে! কু্দ্দুস: চিন্তা কইরোনা, আমার বাপেও আমারে পড়ালেখা ছাইড়া রিকশা চালাইতে কইছে! : আমাদের ঢাকার ফ্লাটের বল্টু একদিন ফোন করলো থানাতে : হ্যালো, ইন্সপেক্টর সাব। ফোন করে আমাকে এক ব্যক্তি বারবার হুমকি দিচ্ছে! ইন্সপেক্টর : কে হুমকি দিচ্ছে? কী বলছে? বল্টু : টেলিফোন অফিস থেকে হুমকি দিচ্ছে। বলছে ১৫ তারিখের মধ্যে টাকা না দিলে ফোনের লাইন কেটে দেবে! এ ব্যাপারে থানাতে জিডি করতে পারি? : ম্যাডাম একদিন ক্লাসে এসে বললেন, সক্রেটিস একটা গল্প বলো, যাতে মনটা ভাল হয়। আজ মনটা ভাল নেই আমার। আমি বললাম ওকে ম্যাডাম বলছি- "একবার এক কৃষকের ঘোড়া অসুস্থ হয়ে পড়লো। চিকিৎসার জন্য কৃষক এক পশুর ডাক্তারকে ডেকে আনলো। ডাক্তার ঘোড়াটিকে ভালো করে পরীক্ষা করে বলল---"আপনার ঘোড়াটা খুবই সিরিয়াস রোগে আক্রান্ত। আমি তিন দিন ঔষধ দিয়ে দেখব, যদি সেরে যায় তাহলে তো ভালো, নইলে এই ঘোড়াটাকে মেরে ফেলতে হবে। কারণ ওর এটা খুব সংক্রামক রোগ, ওর দেহ থেকে এই রোগটা অন্য প্রাণীর শরীরে সংক্রামিত হতে পারে।" ডাক্তারের এইসব কথা পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটা ছাগল শুনলো। পরের দিন ডাক্তার এলেন, ঘোড়াকে ঔষধ দিয়ে চলে গেলেন। ডাক্তার যাওয়ার পর ছাগলটি ঘোড়াকে গিয়ে বলল--"উঠো বন্ধু, হিম্মত রাখো, নইলে তোমাকে মেরে ফেলা হবে।" পরের দিন আবার ডাক্তার এলেন, ঘোড়াকে ঔষধ দিয়ে চলে গেলেন। ছাগলটি আবার ঘোড়ার কাছে গিয়ে বলল--"বন্ধু, তোমাকে উঠতেই হবে, হিম্মত হারিয়ে ফেললে তোমাকে মেরে ফেলা হবে। আমি তোমাকে মদত করছি, তুমি উঠো।" তৃতীয় দিন ডাক্তার এসে কৃষককে বললেন--"আমার খুব কষ্ট হচ্ছে যে এই ঘোড়াটাকে মেরে ফেলতে হবে ভেবে, কারণ তিন দিনের চিকিৎসার পর আমি ওর কোন উন্নতি টের পেলাম না।" ডাক্তার যাওয়ার পর ছাগলটি ঘোড়ার কাছে এসে বলল--"দেখো বন্ধু, তোমার জন্য এখন 'করো অথবা মরো' স্থিতি প্রস্তুত হয়ে গেছে। তাই আজ যদি তুমি না উঠ, কাল তুমি মরে যাবে। এজন্য বলছি, হিম্মত হারিও না, এই তো বেশ...আর একটু....বন্ধু, তুমি পারবে ...সাবাশ..এখন জোরে খুব জোরে দৌড় দাও...সাবাশ.....! এই সময় কৃষক এসে দেখলো তার অসুস্থ ঘোড়াটা দৌঁড়ুচ্ছে। কৃষক খুশিতে উন্মত্ত হয়ে উঠল। সে আশেপাশের সবাইকে একত্রিত করে চেঁচিয়ে বলল - "চমৎকার হয়ে গেছে, আমার ঘোড়াটা একদম ঠিক হয়ে গেছে,...আমি এটা সেলিব্রেট করব। আজই আমরা আমরা ছাগলের মাংস খাবো এ খুশীতে। ছাগলটাকে জবাই করো এখনি!" গল্পটা বলার পর প্রশ্ন করলাম ম্যাডামকে, কি শিখতে পারি এ গল্প থেকে ম্যাম? চেয়ে দেখি ম্যাডামের চোখে জল!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now