বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

না বলা ভালোবাসা

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ ছহিনুর রহমান বিন মনির (০ পয়েন্ট)

X হাতে একগুচ্ছো লাল গোলাপ,মনের ভিতরে অব্যক্ত কথার ছুটোফুটি বলতে না পারা কথা গুলো প্রতিনিয়তো আমাকে কাঁদিয়ে যাচ্ছে........ আজও বলা হয় নি তোমাকে ভালোবাসার কথা টি। আমি আশিক,,,স্টাডি লেভেল শেষ করেছি মাত্র।ভেবেছিলাম এখন কিছুদিন বিন্দাস ভাবে জীবনটাকে উপভোগ করবো।।কিন্তু সেটা হয়তো আমার ভাগ্যে ছিলো না,তাই পড়ালেখা শেষ করতে না করতেই ঘাড়ে চেপে বসলো একটা মেয়ে।। মানে আমার পরিবাার থেকে হুট করেই আমার বিয়ে ঠিক করে ফেললো।। তাও আবার একটা শ্যামলা বর্ণের মেয়ের সাথে।।মেয়েটার বাবা নাকি আমার বাবার বন্ধু হয় আর সেই জন্য বাবা এমন একটা মেয়ের সাথে আমার বিয়ে ঠিক করলো।। সে দিন সকালে অফিস যাওয়ার জন্য রেডি হচ্ছিলাম এমন সময় ছোট বোনটা এসে হাতে একটা ছবি ধরিয়ে দিলো,কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাবা এসে বললো :-আজকে অফিস যাওয়া বন্ধ ছুটি চেয়ে নাও। :-কেন? :-তোমাকে নিশ্চয় তোমার ছোট বোন একটা ছবি দেখিয়েছে। :-হুম দেখেছি। :-মেয়েটি আমার বন্ধুর মেয়ে খু্ব ভালো আর ওর সাথে তোমার বিয়ে ঠিক করেছি আজকে তোমার বিয়ে। বিয়ের কথা শুনে মাথার উপর আকাশ ভেঙ্গে পড়ার মতন অবস্থা হলো আমার। আমার বিয়ে অথচ আমিই জানি না।। :-বাবা এটা কি বলছো তুমি,আমার বিয়ে আর তুমি আমাকে আজকে সকালে বলছো আমাকে তাও আবার বিয়ের দিন।।মেয়েটি দেখতে কেমন তার ব্যবহার কেমন আমার পছন্দ হবে কি হবে না একটা বারও চিন্তা করে দেখার কথা ভাবলে না তোমরা। :-বললামই তো মেয়েটি আমার বন্ধুর মেয়ে আর মেয়েটির সম্পর্কে আমি সবই জানি কারন তাকে ছোট থেকেই দেখে আসছি তুমি। অতঃপর বাবার জোরাজোরিতে শেষমেষ বিয়ে করতে হলো আমাকে।বিয়ের সময় মেয়েটির দিকে একটাবারের জন্যও ঘুরেও দেখি নাই,বিয়ে করে মেয়েটিকে আমাদের বাসায় নিয়ে আসা হলো। ওহ মেয়েটির নাম সুমি...... রাত প্রাই ১২ টারও বেশি বেজে গেছে,কিন্তু আমার রুমে ঢুকতে একদমই ইচ্ছে করছে না।। আমার আজকে বাসর রাত কিন্তু সেদিকে আমার বিন্দুমাত্র খেয়াল নেই,বিয়ে করার আগে লোক মুখে দু একবার শুনেছিলাম সুমি নাকি দেখতে কালো,আর যাকে মন থেকে মেনে নিতে পারি নি তার সাথে বাসর করে কি করবো। শেষমেষ কোনো উপাই না দেখে রাত ১ টার দিকে রুমে ঢুকলাম ঢুকে দেখি সুমি মস্তবড় একটা লাল রংএর ঘোমটা দিয়ে খাঁটের উপরে বসে আছে। ধিরে ধিরে সুমির কাছে গেলাম, :-এই মেয়ে শুনো তোমার আর আমার বিয়ে হয়ছে ঠিকি কিন্তু আমি তোমাকে মন থেকে মেনে নিতে পারি নাই আর কোনোদিন ও পারবো না।। সবার সামনে আমরা স্বামী-স্ত্রী হলেও কখনো আমাদের ভিতরে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক থাকবে না বুঝেছো। কথা গুলো একটানে বলে ফেললাম সুমি কে। কিন্তু সুমি কোনো উত্তর দিলো না ঘোমটা লাগিয়ে বসে রইল। :-আমার খুব ঘুম পাচ্ছে বলেই সুমির পাশে সুয়ে পড়লাম আর সুমি বসে রইলো সেদিনও সুমির মুখ দেখলাম না। সকালে ঘুম ভাঙ্গলো একটা অজানা কন্ঠে :-এই যে শুনছেন,আপনার চা :-ঘুমঘুম চোখে তাকিয়ে দেখি সুমি আমার সামনে দাড়িয়ে হাতে চা'য়ের কাপ। দেখে তো আমি রিতিমত ভয় পেয়ে গেছি।।বাবার উপর খুব রাগ হতে লাগলো নিজের বন্ধুত্বের খাঁতিরে আমার জীবনটা নষ্ট করে দিলো। এমন একটা মেয়েকে নিয়ে বন্ধুূুসূলভে চলবো কি করে।। হাত থেকে চা'এর কাপ টা নিয়ে খেতে খেতে বারান্দাতে চলে আসলাম। চা খাওয়া শেষ করে ফ্রেশ হয়ে অফিসের জন্য রেডি হচ্ছিলাম এমন সময় পিছন থেকে ছোট বোনটা বলে উঠলো। :-ভাইয়া কোথাই যাচ্ছো? :-কোথাই আবার যাবো অফিসে যাচ্ছি। :-অফিসে যাচ্ছো মানে,তোমার গতকাল কে বিয়ে হয়ছে আর আজকে তুমি অফিসে যাচ্ছো। :-নতুন বিয়ে হয়ছে তো কি হয়ছে সারাদির বউ এর আঁচল ধরে বসে থাকবো নাকি। :-ভাইয়া গায়ের রং দেখে তুমি সুমি আপুকে মেনে নিতে পারছো না,কিন্তু সুমি আপু সত্যি অনেক ভালো আর ১০ জন মেয়ের মতন না। :-তোকে জ্ঞান দিতে বলেছি আমি যাহ্ খাবার রেডি কর অফিসের জন্য লেইট হয়ে যাচ্ছে আমার। খাবার টেবিলে গিয়ে চুপচাপ খেতে বসলাম সুমির দিকে একবারো তাকানোর প্রয়োজন মনে করলাম না। খাওয়া শেষ করে অফিসে চলে গেলাম। এভাবেই কাঁটছে আমার বিবাহ জীবন,প্রাই ৩মাস হয়ে গেছে এখন পর্যন্ত সুমিকে ভালো করে দেখিও নাই কখনো।। সকাল বেলা তাড়াতাড়ি করে অফিস এ চলে আসি আর রাত করে বাসায় ফিরি যাতে মেয়েটিকে আমার দেখতে না হয়। কারন বাসায় যতক্ষন থাকি ততোক্ষন মনের ভিতরে একধরনের রাগ কাজ করে। সেদিন সকালে অফিসের জন্য বার হচ্ছিলাম এমন সময় বাবা ডাক দিলো। :-আশিক একটু এদিকে আসবি। :-হুম বলো বাবা। :-ভাবছি কিছুদিনের জন্য আমি আর তোর বোন গ্রামের বাড়িতে যাবো। :-কতদিন থাকবে? :-তাও মাসখানেক,আসলে অনেক দিন ধরে যাওয়া হয় নি তো তাই। :-আচ্ছা ঠিক আছে,। :-সুমির প্রতি একটু খেয়াল রাখিস,আমরা তো কেও বাসায় থাকবো না মেয়েটা একা একা কি যে করবে। :-তো ওকেও তোমাদের সাথে নিয়ে যাও। :-কি বলিস পাগলের মতন সুমিকে নিয়ে যাবো কেন তুই থাকতে। :-আচ্ছা ঠিক আছে, বলেই অফিসে চলে আসলাম। অফিসে কাজ করতে করতে হঠাৎ করেই মনে হলো বাসাই কেও নেই আজকে তাই তাড়াতাড়ি করে বাসায় ফিরতে হবে। অফিস ছুটি করে সরাসারি বাসায় রওনা দিলাম। কলিং বেল চাপতেই এসে সুমি দরজা খুলে দিলো। :-আপনি আজকে এত তাড়াতাড়ি। :-এসে কি ঝামেলাতে ফেলে দিলাম। :-নাহ্ নাহ্ তা হবে কেন,আসলে আপনি তো কখনো এতে তাড়াতাড়ি আসেন না তাই :-আজকে তাড়াতাড়ি অফিসের কাজ শেষ হয়ে গেছে তাই। :-ওহ আচ্ছা। :-তুমি খাবার রেডি করো খুব ক্ষুধা পেয়েছে আমি ফ্রেস হয়ে এসে খাবো। সুমি কিছুক্ষন মুখের দিকে বোকার মতন চেয়ে থাকার পর বললো :-ভাত তো এখনো রান্না হয় নি,আসলে আপনি তো কখনো এত তাড়াতাড়ি অফিস থেকে ফিরেন না তাই। :-ওহ তাহলে ঠিক আছে,আমি বাইরে থেকে খেয়ে নিবো। :-নাহ্ নাহ্ বাইরে থেকে খাওয়ার দরকার নাই আপনি একটু অপেক্ষা করেন ফ্রেশ হয়ে আসতে আসতে আমার ভাত হয়ে যাবে। :-এতো কষ্ট করতে হবে না। আমি বাইরে থেকে খেয়ে নিবো। বলেই চলে আসলাম। বাসায় তো আজকে কেও ই নাই তো শুধু শুধু একজনের জন্য কষ্ট করে ভাত রান্না করার কি দরকার। তাই আবার ফিরে গেলাম। :-এই তোমাকে আর ভাত রান্না করতে হবে না, চলো বাইরে খাবো আজকে। সুমি আমার কথা শুনে মুখের দিকে বোকার মতন তাকিয়ে রইলো। :-কি হলো যাও রেডি হয়ে নাও আমি বসছি। :-আচ্ছা। বলেই সুমি রেডি হতে চলে গেলো। বিয়ের এতদিন পর সুমি কে নিয়ে কোথাও ঘুরতে যাচ্ছি,সোঁফাতে বসে অপেক্ষা করছিলাম সুমির জন্য। হঠাৎ দেখি সামনে একটা শাড়ি পরিহিতা মেয়ে। তাকিয়ে দেখি ওটা আর কেও নই আমার বউ। আজকেই ১ম সুমিকে ভালো করে দেখছি। নীল রংএর শাড়ি হাত ভর্তি কাচের চুড়ি চোখে হালকা কাজল,, ঠোঁটে লাল লিপস্টিক আর কপালে ছোট্ট একটা কালো টিপ পরে এসেছে। মেয়েটি ওতটাও কালো নই আসলে শ্যামবর্ণ দেখতে। তবে আজকের এই সাঁজে তাকে মোটেও অসুন্দরি লাগছে না। কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকার পর সুমি নিজে থেকেই বলে উঠলো। :-কি দেখছেন। সুমির কথা শুনে, বলে উঠলাম কিছু না চলো। রাতের আধাঁরে ল্যাম্পপোস্ট এর আলোতে বার বার সুমিকে দেখছি কিন্তু ওকে বুঝতে দিচ্ছি না। দুজনে মিলে রিক্সাতে উঠলাম। এই ১ম সুমির শরিরের সাথে আমার শরিরের স্পর্শ লাগলো। কেমন একধরনের অজানা ভালোবাসার অনুভব করলাম। রিক্সা থেকে নেমে দু জনে রেষ্টুরেন্ট এ খেতে ঢুকলাম। খাওয়া দাওয়া শেষ করে,দু জনে মিলে হাঁটতে লাগলাম। অন্ধ্যকার রাতে দু জনে হাঁটছি মনের ভিতরে হাজারো অব্যক্ত কথা ঘুরপাক খাচ্ছে। মেয়েটিকে অনেক কষ্ট দিয়ে ফেলেছি,আসলেই তো গায়ের রং দিয়ে কি হবে মেয়েটার মন টা আসলেও অনেক ভালো"না হলে আমার এত অপমান সহ্য করার পরও আমার সাথে সংসার করে কি করে। যে মেয়েটিকে কখনো বউ এর মর্যাদা দিলাম না তবুও সে রোজ আমার খেদমত করে যাই। নিজেকে খুব অপরাধি মনে হচ্ছে আজকে। দু জনে নিরব হয়ে হাটছি,হঠাৎ দেখি সুমি রাস্তার মাঝখানে চলে গেছে হাঁটতে হাঁটতে। পিছন থেকে ডাক দিলাম কিন্তু না সুমি কোনো উত্তর দিলো না। এদিকে ব্যস্ত রাস্তা, হঠাৎ নিজের কথা না ভেবে সুমিকে নিতে চলে গেলাম, হাজার হলেও বিয়ে করা বউ তো। সে দিন ১ম সুমির হাত ধরেছিলাম। :-এই তুমি কি পাগল, রাস্তার মাঝখান দিয়ে কেও হাঁটে। :-আমি তো পাগলিই না হলে আপনার সাথে আমার চলে না দেখেও কি করে রোজ স্বপ্ন দেখি আপনাকে নিয়ে। সুমির কথা শুনে সেদিন আর মুখ দিয়ে কথা বার করতে পারলাম না। শুধু নিরব হয়ে সুমির হাত টা ধরে বাসায় চলে আসলাম আর একটি বারের জন্য ও তার হাত টা ছাড়ি নাই। সারারাত সুমিকে নিয়ে ভেবেছিলাম,একটা সময় হঠাৎ করেই সুমির দিকে তাকালাম দেখি সুমি ঘুমোচ্ছে। তাকিয়ে আর চোঁখ ফেরাতে পারলাম না। সত্যি মেয়েটার চেহারাতে এক ধরনের মায়া আছে,যেটা কখনো এর আগে আমি দেখি নাই,আর দেখবোই বা কি করে কখনো তো সুমির দিকে ভালো করে তাকাতামই না। ঘুমন্ত অবস্থাতে সুমিকে অনেক সুন্দরী লাগে। এক পলকে তাকিয়ে থাকলাম মেয়েটির দিকে। এই ১ম কোনো একটা মেয়ের প্রেমে পড়েছি আমি আর সেটা আর কেও না আমার বিয়ে করা বউ। কিন্তু তাকে বলবো কি করে,তার সাতে যে এতদিন ধরে অন্যায় করে এসেছি আমি। সকালে ঘুম ভাঙ্গলো সুমির ডাকে। তাকিয়ে অবাক হয়ে গেলাম, সদ্য গোসল সেরে এসেছে মাত্র লম্বা লম্বা কেশ বেয়ে পানির ফোটা পড়ছে এখনো। কোনো সাঁজ ছাড়াই একটা মেয়েকে এত সুন্দর লাগে কি করে। চোখ দুটিকে যত ফিরিতে নিতে চাই কিছুতেই ফেরাতে পারছি না। :-আপনার চা,,, খেয়ে ফ্রেস হয়ে আসেন আমি খাবার রেডি করছি আপনার জন্য। বলেই সুমি চলে গেলো, চা খাওয়ার ছলে আমি সুমির দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি। সুমি হয়তো আমাকে কিছু বলতে চাই কিন্তু আমাকে দেখে আর বলতে পারে না।।কেমন যানি সবসময় ভয়ে ভয়ে থাকে সামনে গেলেই ভিতু হয়ে যাই। খাবার খেতে খেতে সুমিকে বললাম, তোমার কিছু লাগবে,মানে কসমেটিক্স কিছু। :-নাহ্ :-লাগলে বলতে পারো। :-নাহ্ লাগবে নাহ্। :-আচ্ছা ঠিক আছে। বিকেলে রেডি হয়ে থাকবে ঠিক আছে তোমাকে নিয়ে শপিং এ যাবো আজকে অফিস থেকে ফিরে। বলেই বাসা থেকে চলে আসলাম,কিন্তু অফিসে এসে কিছুতেই মন বসছে না। তাড়াতাড়ি করে বাসায় ফিরে গেলাম। বাসায় গিয়ে সুমিকে রেডি হয়ে নিতে বললাম। আর নিজেও ফ্রেস হয়ে রেডি হয়ে নিলাম। সুমি আজকেও সেঁজেছে যেমনটা সেঁজেছিলো সেদিন রাতে,তবে সেদিন এর তুলনাতে আজকে একটু বেশি সুন্দরি লাগছে। সুমিকে বুঝতে দিলাম না,কিন্তু সুমি হয়তো চেয়েছিলো তার সাঁজার প্রশংসা শুনতে কিন্তু কিছু না বলেই সুমিকে নিয়ে বার হয়ে গেলাম। সুমির যাবতীয় কেনাকাটা একটু ঘোরাঘোরি রাস্তার ধারে দাড়িয়ে ফুচকা খাওয়া সব মিলিয়ে আজকের দিনটা সত্যি স্মরনীয় হয়ে থাকবে আমার কাছে,আর সেটাকে আরো স্মরনীয় করে রাখার জন্য সুমির জন্য একটা সারপ্রাইজ প্লান করে রাখলাম আজকে রাতে সুমিকে আমার ভালোবাসার কথা বলে দিবো। সুমিকে লুকিয়ে একগুচ্ছো ফুল আর একজোড়া নূপুর কিনে নিলাম। সুমি আজকে অনেক খুশি,আর সাতে আমিও। শপিংমল থেকে বার হয়ে মোবাইল ফোন কথা বলছিলাম। তাকিয়ে দেখি সুমি রাস্তা পার হতে যাচ্ছে। ফোনটা তাড়াতাড়ি রেখে দিয়ে সুমিকে ডাক দিলাম, আর হঠাৎ ই সুমি রাস্তার পাড়ে ছিটকে পড়লো। দৌড়িয়ে গেলাম,দেখি পুরো শরির ট্ রক্তাক্ত হয়ে আছে,তাড়াতাড়ি করে সুমিকে হাসপাতালে নিয়ে আসলাম। পুরো সময় টা সুমি আমার হাতটা শক্ত করে ধরে রেখেছিলো। হঠাৎ দেখি সুমি আমার হাত টা ছেড়ে দিলো,হাজার চেষ্টা করেও আর সুমির হাত টা ধরতে পারি নি সেদিন। ডাক্তার বললো সুমি আর নেই। কথাটি কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না,পুরোটা যেন একটা দুঃস্বপ্নের মতন কেটে যাচ্ছিলো। চিৎকার করে কাঁদতেও পারছিলাম না। শুধু বুকের ভিতরে একটা হাহাকার আর্তনাদ ক্রন্দন করে হৃদয়টাকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছিলো। সেদিন সুমিকে বুকের সাথে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বার বার বলেছিলাম, তোমাকে অনেক ভালোবাসি কিন্তু সুমি সেদিন আমার উপরে এতোটাই অভিমান করেছিলো একবারো আমার ভালোবাসাতে সাড়া দেয় নি। নিজের হাতে সেদিন আমার ভালোবাসাটাকে কবর দিয়েছিলাম, আজও প্রতিটাদিন সুমির কবরের সামনে দাড়িয়ে অপেক্ষা করি ,রোজ তাকে বলি ভালোবাসি কিন্তু সে এতটাই অভিমানি যে আজও আমার ভালোবাসাতে সাড়া দেয় নি। ভুলটা হয়তো আমারই ছিলো যার কারনে তাকে ভালোবাসার কথা টি বলতে পারি নি। আর যখন বলার সময় হলো তখন বলবার মানুষটিকেই হারিয়ে ফেললাম। পুরোনো স্মৃতি গুলো ভাবতে ভাবতে হঠাৎ ই চোখের কোনা গুলো ভিজে যাই দু ফোটা অশ্রু ফেলে বলি আজও ভালোবাসি তোমাকে........


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১৩৭৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ❣না বলা ভালোবাসা ❣পাঠ ২
→ ❣না বলা ভালোবাসা ❣পাট,,১
→ ভালোবাসা বলার আগে
→ না বলা ভালোবাসা
→ না বলা ভালোবাসা
→ না বলা ভালোবাসা
→ না বলা ভালোবাসা
→ আবেগী ভালোবাসার না বলা কথা,,,

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now