বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মিসরীয় সভ্যতা ও ইসলাম ধর্ম-02

"ভিন্ন খবর" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X যখন আরব্য সভ্যতাতে প্যাগান ও আদীবাসী ধর্মাবলম্বীদের আরবের কুরাইশ বংস নামের এক আরব্য বেদুঈন জাতির হামলা শুরু হলো তখন থেকে সেখানে নতুন একটি ধর্ম শুরু হতে থাকলো যার নাম ইসলাম। অবশ্য কুরাইশ বংশের সকল পুর্বপুরুষেরা এই প্যাগান ধর্ম মেনে আসতো। মূলত প্রথমদিকে ইসলাম কোন ধর্ম ছিলো না। সকল প্যাগান ধর্মাবলম্বীদের হত্যা করার পর আরবের মক্কায় একটি রাজনৌতিক দল গঠন করা হয়। এটা ছিলো একটি রাজনৈতিক সাংস্কৃতি যা পরবর্তীতে ইসলাম ধর্মের প্রধান প্রচারক ও প্রধান নবী মুহাম্মদ (সাঃ) যে ছিলো সেই কুরাইশ বংশের একজন তার হাত ধরে ইসলাম ধর্ম নামে প্রচারিত হতে থাকে। এই নবী মুহাম্মদ (সাঃ) সেই বিজ্ঞানে ভরা ইসলাম ধর্মের প্রধান ঐশরিক কিতাব পবিত্র কোরান নিয়ে আসেন। আর ঠিক সেই সময় মিশরে রাজত্ব করছিলো হেরাক্লিয়াস নামের এক রাজা। ততদিনে মিশর জ্ঞান বিজ্ঞানে অনেক এগিয়ে গিয়েছিল। তাদের মধ্যে ধর্ম নামের কুসংস্কার থেকে বেরিয়ে আসার সুত্রপাতও ঘটেছিলো যা পরে আবার ধর্মান্ধতাতে বিশ্বাস স্থাপন করেছিলো তবে সেটা অন্য গল্প। এই সময় মিশরীয় সেই রাজা হেরাক্লিয়াস দক্ষিন আরবের সাথে বাণিজ্য স্থাপন করেছিলেন। কিন্তু হেরাক্লিয়াস এর রাজ্যের সাথে আরবের ব্যবসা একসময় কাল হয়ে দড়িয়েছিলো সেসময়ের মিশরীয়দের জন্য। কারন আরব্য জাতির এই দলটি ছিল যুদ্ধ, মারামারি, আর ডাকাতি করাতে শ্রেষ্ট এক জাতি। তাদেরকে মিশরীরা উৎপাতকারী জাতি বলেই চিনতো। আরবের উত্তর পুর্বের সাম্রাজ্য আর দক্ষিন আরবের মধ্যে যখন এই যুদ্ধ আর হানাহানি লেগেই থাকতো তখন এক বালকের জন্ম হলো বর্তমান মক্কা নগরীতে যার নাম ছিলো মুহাম্মদ। এই বালককে পেয়ে সেখানকার মানুষেরা পেলো এক শক্তিশালী নেতৃত্ব। যে সময়টিকে বর্তমানে ইতিহাসবীদেরা একটি ধর্মীয় পুনর্জন্মের সমকাল বলে থাকে। তখন যদি আবার এই জাতীয় ধর্মের পুনর্জন্ম না হতো তবে আজ মানুষ এই কুসংস্কার থেকে মুক্ত থাকতে পারতো। এই বালক মুহাম্মদ পরবর্তীতে তার বয়স ৪০ হবার পর থেকে এই ইসলাম নামের নতুন ধর্মটি প্রচার করা শুরু করে। তখন আরবে খ্রিষ্টান, ইহুদী, প্যাগান ধর্মের প্রচলন ছিলো। তবে আরবের মানুষের ধরনা ছিলো এই সব ধর্ম অন্য দেশ বা বাইরে থেকে আরবে এসেছিলো তাই সেখানে একটি নতুন ঈশ্বর এর প্রয়োজন পড়লো।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now