বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পদার্থবিদ আইনস্টাইন এর আবিষ্কার

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান karim (০ পয়েন্ট)

X মহাকর্ষীয় তরঙ্গ আবিষ্কারের জন্য পদার্থ বিদ্যায় নোবেলঃ | জার্মান পদার্থবিদ আইনস্টাইন একশ বছর অর্থাৎ ১৯১৫ সালে তার সাধারণ অপেক্ষবাদ তত্ত্বে এই মহাকর্ষীয় তরঙ্গের ধারণা দেন, যে সূর্যের থেকে প্রায় ৩০ গুণ ভারী দুটি কৃষ্ণ গহ্বরের সংঘর্ষ থেকে উৎপন্ন হয় এ মহাকর্ষীয় তরঙ্গ যা স্থান-কালকে বাঁকিয়ে দেয়। | স্থান কালকে বাঁকিয়ে দেয় বলতে ভদ্র লোক বুঝিয়েছেন পৃথিবীসহ বস্তু জগতের সব কিছু এমন কি সময়ও এই তরঙ্গের কম্পনের ফলে কিছুটা বিকৃত হয়ে যায়। মানে বেড়ে যায়। ভদ্র ভাষায় বললে জিনিষটা এরকম আমরা মানুষরা কিছুটা লম্বা হয়ে যাই। | প্রশ্ন হচ্ছে তো বুঝি না কেন? যে লম্বা হয়েছি। উত্তর হল, বস্তু জগতের সব কিছুই লম্বা হয়ে গেছে বুঝার জন্য যে কিছু একটাকে মাপকাঠি ধরবেন এমনকি সেও লম্বা হয়ে গেছে। আরো সহজ করে বুঝালে, ধরেন ১কেজি ওজনের বাটখারাটা কিঞ্চিত বেড়ে গেছে এটা বেড়ে গেছে বুঝার জন্য, যে বাটখারা গুলো বাড়েনি তার প্রয়জোন কিন্তু পৃথিবীর সব বাটখারাই যদি সমপরিমাণ বেড়ে যায় তখন কিভাবে বুঝবেন??? খুব কঠিন কাজ নিঃসন্দেহে!! | আর সবচেয়ে বড় কথা হল এ বেড়ে যাওয়া পরিমাণ, আনুমানিক আমার ঠিক মনে নেই তবে একটি ফোটন কণাকে প্রায় টেন মিলিয়ন না বিলিয়ন বার ভাগ করলে যা হয় সেই নাই বললেই চলে এমন সামান্য পরিমাণ বাড়ে, একতো বস্তুজগতের সবকিছুই বেড়ে যায় তাই কেউ বুঝেনা তার উপর এতই সামান্য যে জটিল অনুবিক্ষণেও সে সামান্য পরিমাণ পরিমাপ করা যায় না। | ইহাই মরহুম আইনস্টাইন বলে গেছেন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে তাহার এই তরঙ্গ আর তরঙ্গের কম্পনের ফলে স্থান কাল বেঁকে যাওয়া, কে ই বা প্রমাণ করবেন? বিজ্ঞান তো ফাকা বুলি বিশ্বাস করে না। | মজার বিষয় হল আইনস্টাইন নিজেও এক সময় ওই তত্ত্ব ‘ভুল’ বলে ভাবতে শুরু করেছিলেন। এখন আরো মজার বিষয় হল তিনি সত্য ছিলেন প্রুফ হয়েছিল আর এখন প্রুফ সহ, তরঙ্গ শনাক্ত করার পদ্ধতিও শনাক্ত হল। কিন্তু তিনি জেনে যেতে পারলেন না। | শতবছর পর লাইগো-ভিরগোর গবেষকরা জানান, সূর্যের থেকে প্রায় ৩০ গুণ ভারী দুটি কৃষ্ণ গহ্বরের সংঘর্ষ থেকে উৎপন্ন মহাকর্ষীয় তরঙ্গ (গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েভ) তারা শনাক্ত করতে পেরেছেন। আর মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্ত করার পদ্ধতি উদ্ভাবন ও গবেষণার জন্যেই তিন বিজ্ঞানী এবার নোবেল পেলেন। | বিজয়ীরা হলেন রেইনার উইজ, ব্যারি সি ব্যারিশ ও কিপ এস থ্রন। এরা তিনজনই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২০৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now