বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সেভেনআপ

"মজার অভিজ্ঞতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান অয়ন (০ পয়েন্ট)

X অতপর গরমে আতিষ্ঠ হইয়া একটা সেভেনআপের উদ্দেশ্যে বাইর হইলাম। সময় প্রায় ১২টা হাই স্কুলের মেয়েদের ছুটি হইছে! রাস্তায় উপচে পরা মেয়েদের ভিড় আর তাদের দেখতে উতসুক ছেলেরাও পিছায়া নাই। আমাদের বাড়ির চিপা গলিতে আমি প্রায় কোন্ঠাসা হইয়া পরছি। কোনমতে কষ্ট কইরা সামনে আগাইতে হইতেছে। আমার সামনে আরও দুইটা পোলা জাইতাছে। সম্ভবত সেভেন এইটে পড়ে। দুইজন দুনিয়ার যত আজাইরা ভিত্তিহীন প্যাচাল লইয়া পডরপডর করতাছে। হঠাত ডান পাশের পোলাটা ধপ কইরা পাশের একটা মাইয়ারে ধাক্কা দিলো। আমি হা কইরা তাকাইয়া আছি!! মাইয়া দুনিয়ার সব বিরক্তি মুখে তুইল্লা পোলার দিকে তাকাইলো। পোলা হাসতেছে। মাইয়া কিছু না কইয়া আবার হাটা ধরলো। বুঝতে পারলাম যে মাইয়া চাইলেও পোলার সাথে মুখের জোরেও পারবো না গায়ের জোরেও পারবো না। আমি একটু কষ্ট কইরা ভিড় ঠেইলা আরেকটু সামনে আগাইলাম। ঠিক পোলা দুইটার পিছে। তারপর ঠাস কইরা ডান পাশের পোলাডার মাথায় একোটা মাইরাই আস্তে ভিড়ের মইধ্যে উধাও হইয়া গেলাম। পোলা উইঠাই লগেরটারে ধইরা অর চুইদ্দ গুস্টিরে ধইরা গালাগালি সুরু করল। লগেরটাঅ থতমত খাইয়া কিছু না বুইঝাই অরও চুইদ্দ গুস্টিরে ছাড় দিলো না। অতপর রাস্তার মইধ্যেই হাতাহাতি থেইকা মারামারি… এতক্ষনে আমি আমার সেভেন আপের লক্ষে পোচাইয়া গেছি। বোতলে খালি চুমুক দেই আর ওগো কাহিনী দেখি… অবশেষে দুই তিন জন মুরুব্বি আইসা দুইটার গালে কষাইয়া দুইটা থাপ্পর দিয়া কয়েকটা থ্রেট মাইরা ছাইরা দিলো। এদিকে আমার সেভেনআপ খাওয়াও শেষ। এবার আবার বাড়ির পথে রওনা.… কিছু কিছু কুকর্মের কুনু সাক্ষী না রাখাই বেটার gj


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now