বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

Blue Whale(The Suside Game)

"ভিন্ন খবর" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান নায়লা রাফা মাহেরা (০ পয়েন্ট)

X Blue Whale || নীল তিমি এটি একটি অনলাইন গেইম এর নাম। গেইমটি খেলে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৫০ জন মারা গেছে। আপনারা হয়তো ভাবছেন মামুলি এই গেইমটি খেলে মারা যেতে হবে কেন?? কি এমন আছে গেইমটিতে?? প্রথমেই বলে রাখি এটি কোন সাধারণ বা মামুলি মোবাইল গেইম নয়। গেইমটির লেভেল ৫০ পার করলেই আপনার মৃত্যু নিশ্চিত। চলুন গেইমটির সম্পর্কে ভয়ঙ্কর কিছু তথ্য জেনে নেই। গেইমটির শুরুতেই আপনাকে বলে দেয়া হবে 'এটি একটি সুইসাইড গেইম, যদি রাজি থাকুন তবে Yes button ক্লিক করুন' আপনি যখন yes button ক্লিক করবেন ধরে নিন আপনার মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত। গেইমটি স্টার্ট করার পর আপনাকে প্রতিদিন একটি করে কাজ দেয়া হবে এভাবে চলবে টানা ৫০ দিন। এক দিন একটি কাজ আর তার সাথে সাথে কম্পিলিট হবে এক একটি লেভেল। এক লেভেল কম্পিলিট হওয়ার পর দেয়া হবে আরেক লেভেলের কাজ। এমনিভাবে শেষ হবে ৫০ টি কাজ অথবা ৫০ টি লেভেল, এর পরই মৃত্যু। প্রথম লেভেলে কাজ হবে সকাল ১০ টায় ঘুম থেকে ঊঠা এবং জানালা খুলে বাহিরের আওয়াজ শোনা।( কাজ শেষে ভিডিও করে আপলোড দেয়া।) ২য় লেভেল - অপরিচিত ৫ জনের সাথে ৫ মিনিট কথা বলা। (রেকর্ড করে আপলোড দেয়া।) ৩য় লেভেল - ভোর ৫ টায় ঘুম থেকে উঠা। ৪র্থ লেভেল - যে আপনেকে ঘৃনা করে তার সাথে সম্পর্ক স্থাপন করা। ৫ম লেভেল - আপনাকে একটি মিউজিক দেয়া হবে যা ভোর ৪.২০ মিনিটে উঠে বারবার শুনা। ৬ষ্ঠ লেভেল- অপরিচিত একটি যায়গায় ঘুরে আসা ৭ম লেভেল- ভোর ৪.২০ মিনিট এ ঊঠে চাদ থেকে ঘুরে আসা। ৮ম লেভেল - ভোর ৪.২০ মিনিটে উঠে চাদের কিনারায় বসা। গেইমটি স্টার্ট করার পর এই কাজ গুলো আসবে। এগুলো কম্পিলিট করার পর বাকি কাজ আসবে। কম্পিলিট না করলে আর আসবে না। সিরিয়ালি যা আসবে >>সোশ্যাল মিডিয়ায় # I_am_whale লিখে স্ট্যাটাস দেয়া >> হাতের উপর রড় দিয়ে # F57 লিখা >> ভোর ৪ টায় উঠে হরর মুভি দেখা >> ঘুমের ঔষুদ খেয়ে রাতে হাটতে যাওয়া >> অন্য হাতে সুই দিয়ে নীল তিমি আকা >> ড্রাগস নেয়া >> উলঙ্গ হয়ে ছবি তোলা >> গভীর রাতে কবরস্থানে অবস্থান করা >> ফিজিকেল রিলেশন করে ছবি আপলোড দেয়া এভাবে আরো অনেক কাজ দেয়া হবে। গেইমটি স্টার্ট করার পর থেকেই আপনার ব্রেইন ওয়াশ শুরু হবে। এক সময় আপনার ব্রেইন গেইম এডমিনের নিয়ন্ত্রনে চলে যাবে। আপনি হয়তো ভাবছেন এগুলো আপনি কেন করবেন?? আসলে আপনি যখন yes button ক্লিক করেছেন তখনি আপনার মোবাইলের সব তথ্য তাদের হাতে চলে গেছে। কন্টাক্ট নং, ছবি, মেইল অর্থাৎ সব কিছুই থাকবে তাদের নিয়ন্ত্রনে। যা দিয়ে আপনাকে ব্ল্যাক মেইল করা হবে। আপনি যদি বলেন আপনি আর খেলবেননা তারা তখন আপনার মা বাবা ভাই বোন কে হত্যা করার হুমকি দিবে। বিষয়টি তারা খুব বিশ্বস্ততার সাথে করবে। আপনাকে অনেক গুলো এভিডেন্স দেখাবে যে তারা কিভাবে তাদের হত্যা করবে। আপনার বাবা অথবা মায়ের লোকেশন ট্রেস করে মার্ডার পলিসি বলে দেবে। চাপে পড়ে সবই করতে হবে। গেইমটি বাবানো হয়েছে মূলত টিন এজার দের জন্য, যাদের বয়স ১৩-১৯ এর মধ্যে। এই সময় এরা খুব এক্সসাইটেড এবং আবেগী হয়। তাই ব্ল্যাকমেইল করা সহজ। উপরের লেভেল গুলো শেষ করার পর বলা হবে দু পায়ে ব্লেড দিয়ে একে yess লিখতে। খুব ভোরে উঠে তাদের দেয়া কিছু ভিডিও ক্লিপ দেখতে। যেখানে প্রচুর হরর মিউজিক এবং ভিডিও দেয়া থাকে। ইউটিউব এ গিয়ে শুনতে পারেন। আপনার নিজেরি পশম দাঁড়িয়ে যাবে। বিশেষ করে গভীর রাতে। মিউজিক গুলো এতটাই স্ট্রং যে দ্রুতই আপনার ব্রেন ওয়াশ করে দিবে আর মৃত্যুর দিকে দাবিত করবে। লাস্ট স্টেজে গিয়ে গভীর রাতে আপনাকে তারা একটি ড্রাগস দিবে আর ১০ থেকে ১৫ তলা একটি বিল্ডিং এর চাদের উপর গিয়ে পুশ করতে বলবে এবং মোবাইলে একজন আপনার কানে কানে বলবে 'চাদের কিনারায় এসো, নিচে দেখ, মৃত্যুতেই তোমার এখন সুখ, যাও' এভাবেই মৃত্যু ঘটবে আপনার। যেভাবে ঘটেছিলো ২৫০ জনের। রাশিয়ার দুই বোন ক্যলি এবং কায়রন একসাথে মৃত্যু বরন করে যা ছিলো সব থেকে আলোচিত ঘটনা। গেইমটি তৈরি করেন রাশিয়ান নাগরিক ফিলিফ। যে ছিলো একজন স্যাইকোলজির ছাত্র। তাকে অনৈতিক কাজের জন্য ইউনিভার্সিটি থেকে বের করে দেয়ার পর তিনি এ গেইমটি বানান। পরবর্তীতে তাকে রাশিয়ান পুলিশ গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর পুলিশি এক জবানবন্দীতে তিনি বলেন 'পৃথিবীতে হতাশ ব্যাক্তিদের বেঁচে থাকার কোন অধিকার নেই'


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now