বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অস্বাভাবিক মৃত্যু

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান আর.এচ জাহেদ হাসান (০ পয়েন্ট)

X ঘটনাটি আমি এক বড় ভাইয়ার কাছ থেকে শোনা । আমি তার ভাষায় উপস্থাপন করলাম। একদিন হঠাৎ আমার নানু মারা যান । তো আমারা সবাই খুব শোকাহত ছিলাম । নানু রাত প্রায় ১২ টার দিকে ইন্তেকাল করেন । আমার বড় আপুর বাসা বেশ দুরে থাকায় আসতে দেরি হচ্ছিল । আমার আম্মু এক রুমে বসে কান্না করছিলেন আর দোয়া পাঠ করতে ছিলেন । অন্য রুমে আমি আর আমার বাবা লাশের পাশে বসে ছিলাম আর দোয়া পরতে ছিলাম । আব্বু একটু বাহিরে গেল । লাশের কাছে তো কাউকে না কাউকে থাকতেই হয় তাই আমি লাশটা ধরে বসে ছিলাম । হঠাৎ করে আমার মনে হল লাশটা বেশ ঠান্ডা । লাশতো ঠান্ডা থাকবেই তার জন্য বরফের মতো ঠান্ডা!! লাশটা বেশ ঠান্ডা হতে লাগল । হঠাৎ করে মনে হল আমাদের রুমের মধ্যে যেন কেউ আছে । রুমের মধ্যে ও বেশ ঠান্ডা লাগতে লাগল আমার । আমি একটা ফুল শাট পরে নিলাম । হঠাৎ করে আমার মনে হল যেন খাটটা একটু নড়ে উঠল । আমি একটু ভয় পেয়ে গেলাম । আব্বু আসার পর আব্বুকে কথাটা বল্লাম আব্বুও বেশ ভয় পেয়ে গেল । হঠাৎ করে আমাদের টিনের চালে কেযন হাটতে লাগল আমরা সবাই খুবই ভয় পেয়ে গেলাম । এর কিছুখন পর মনে হল কেযেন টিনের ওপর এক বেগ নুরি পাথর ঢেলে দিয়েছে । বাসার সবাই খুব ভয় পেয়ে গেল । হঠাৎ আবার খাট টা নড়ে উঠলো । আমি বেশ ভয় পেয়ে গেলাম । আমি একটু বাথরুমে যাই তারপর রুমে এসে দেখি নানুর লাশের মুখের কাপড় টা সরানো । আমি এতে একটু অবাক হই । আব্বু কে ডাকি এবং জিজ্ঞাসা করি আব্বু খুলছে নাকি ।কিন্তু আব্বু না বলায় একটু ভয় পাই । এর ভিতর রুমে ভেতরের ঠান্ডা বেড়েই চলছিল । কিছুক্ষণ পরপর খাটটা নড়ে উঠছিল । যার ফলে আমর ভয়টা বেড়েই চলছিল । আমার মনে হচ্ছিল এর থেকে আমি অজ্ঞান হয়ে যেতাম তাহলেই ভালো হত । কিছুক্ষণ পর খবর এলো আপুরা এসে পরেছে। আব্বু আমাকে বল্লো, গিয়ে আপুদের এগিয়ে আনতে । এবং আরো বলে দেয় কেউ যদি পেছন থেকে আমাকে ডাকে তাহলে যেন না তাকাই । তবে কোনো সমস্যা হল না । তবে আপুদের বাসায় আনার পর যা দেখি তা দেখে আমার আপু আর আম্মু অজ্ঞান হয়ে যায় । লাশের মুখের ওপরের কাপরটা আবার ও সরানো তার সাথে লাশের চোখ দুটো খোলা । চোখ দুটো একদম স্তির । বাবা বলল না আর এ রুমে থাকা সম্ভব না। আমরা ওই রুম থেকে চলে আসি। এবং ফজরের আযান এর পর যাই । গিয়ে যা দেখি তা ছিল অকল্পনিয় । লাশটা পাশের দিকে কাত করানো । আর খাটের চাদর এবং যে চাদর টা দিয়ে লাশটা জরানো ছিলো সেগুলো কোচকানো । যেন লাশটা অনেক বার নরেছে । ...................ঘটনাটি আমি এক বড় ভাইয়ার কাছ থেকে শোনা । আমি তার ভাষায় উপস্থাপন করলাম। একদিন হঠাৎ আমার নানু মারা যান । তো আমারা সবাই খুব শোকাহত ছিলাম । নানু রাত প্রায় ১২ টার দিকে ইন্তেকাল করেন । আমার বড় আপুর বাসা বেশ দুরে থাকায় আসতে দেরি হচ্ছিল । আমার আম্মু এক রুমে বসে কান্না করছিলেন আর দোয়া পাঠ করতে ছিলেন । অন্য রুমে আমি আর আমার বাবা লাশের পাশে বসে ছিলাম আর দোয়া পরতে ছিলাম । আব্বু একটু বাহিরে গেল । লাশের কাছে তো কাউকে না কাউকে থাকতেই হয় তাই আমি লাশটা ধরে বসে ছিলাম । হঠাৎ করে আমার মনে হল লাশটা বেশ ঠান্ডা । লাশতো ঠান্ডা থাকবেই তার জন্য বরফের মতো ঠান্ডা!! লাশটা বেশ ঠান্ডা হতে লাগল । হঠাৎ করে মনে হল আমাদের রুমের মধ্যে যেন কেউ আছে । রুমের মধ্যে ও বেশ ঠান্ডা লাগতে লাগল আমার । আমি একটা ফুল শাট পরে নিলাম । হঠাৎ করে আমার মনে হল যেন খাটটা একটু নড়ে উঠল । আমি একটু ভয় পেয়ে গেলাম । আব্বু আসার পর আব্বুকে কথাটা বল্লাম আব্বুও বেশ ভয় পেয়ে গেল । হঠাৎ করে আমাদের টিনের চালে কেযন হাটতে লাগল আমরা সবাই খুবই ভয় পেয়ে গেলাম । এর কিছুখন পর মনে হল কেযেন টিনের ওপর এক বেগ নুরি পাথর ঢেলে দিয়েছে । বাসার সবাই খুব ভয় পেয়ে গেল । হঠাৎ আবার খাট টা নড়ে উঠলো । আমি বেশ ভয় পেয়ে গেলাম । আমি একটু বাথরুমে যাই তারপর রুমে এসে দেখি নানুর লাশের মুখের কাপড় টা সরানো । আমি এতে একটু অবাক হই । আব্বু কে ডাকি এবং জিজ্ঞাসা করি আব্বু খুলছে নাকি ।কিন্তু আব্বু না বলায় একটু ভয় পাই । এর ভিতর রুমে ভেতরের ঠান্ডা বেড়েই চলছিল । কিছুক্ষণ পরপর খাটটা নড়ে উঠছিল । যার ফলে আমর ভয়টা বেড়েই চলছিল । আমার মনে হচ্ছিল এর থেকে আমি অজ্ঞান হয়ে যেতাম তাহলেই ভালো হত । কিছুক্ষণ পর খবর এলো আপুরা এসে পরেছে। আব্বু আমাকে বল্লো, গিয়ে আপুদের এগিয়ে আনতে । এবং আরো বলে দেয় কেউ যদি পেছন থেকে আমাকে ডাকে তাহলে যেন না তাকাই । তবে কোনো সমস্যা হল না । তবে আপুদের বাসায় আনার পর যা দেখি তা দেখে আমার আপু আর আম্মু অজ্ঞান হয়ে যায় । লাশের মুখের ওপরের কাপরটা আবার ও সরানো তার সাথে লাশের চোখ দুটো খোলা । চোখ দুটো একদম স্তির । বাবা বলল না আর এ রুমে থাকা সম্ভব না। আমরা ওই রুম থেকে চলে আসি। এবং ফজরের আযান এর পর যাই । গিয়ে যা দেখি তা ছিল অকল্পনিয় । লাশটা পাশের দিকে কাত করানো । আর খাটের চাদর এবং যে চাদর টা দিয়ে লাশটা জরানো ছিলো সেগুলো কোচকানো । যেন লাশটা অনেক বার নরেছে ...................ঘটনাটি আমি এক বড় ভাইয়ার কাছ থেকে শোনা । আমি তার ভাষায় উপস্থাপন করলাম। একদিন হঠাৎ আমার নানু মারা যান । তো আমারা সবাই খুব শোকাহত ছিলাম । নানু রাত প্রায় ১২ টার দিকে ইন্তেকাল করেন । আমার বড় আপুর বাসা বেশ দুরে থাকায় আসতে দেরি হচ্ছিল । আমার আম্মু এক রুমে বসে কান্না করছিলেন আর দোয়া পাঠ করতে ছিলেন । অন্য রুমে আমি আর আমার বাবা লাশের পাশে বসে ছিলাম আর দোয়া পরতে ছিলাম । আব্বু একটু বাহিরে গেল । লাশের কাছে তো কাউকে না কাউকে থাকতেই হয় তাই আমি লাশটা ধরে বসে ছিলাম । হঠাৎ করে আমার মনে হল লাশটা বেশ ঠান্ডা । লাশতো ঠান্ডা থাকবেই তার জন্য বরফের মতো ঠান্ডা!! লাশটা বেশ ঠান্ডা হতে লাগল । হঠাৎ করে মনে হল আমাদের রুমের মধ্যে যেন কেউ আছে । রুমের মধ্যে ও বেশ ঠান্ডা লাগতে লাগল আমার । আমি একটা ফুল শাট পরে নিলাম । হঠাৎ করে আমার মনে হল যেন খাটটা একটু নড়ে উঠল । আমি একটু ভয় পেয়ে গেলাম । আব্বু আসার পর আব্বুকে কথাটা বল্লাম আব্বুও বেশ ভয় পেয়ে গেল । হঠাৎ করে আমাদের টিনের চালে কেযন হাটতে লাগল আমরা সবাই খুবই ভয় পেয়ে গেলাম । এর কিছুখন পর মনে হল কেযেন টিনের ওপর এক বেগ নুরি পাথর ঢেলে দিয়েছে । বাসার সবাই খুব ভয় পেয়ে গেল । হঠাৎ আবার খাট টা নড়ে উঠলো । আমি বেশ ভয় পেয়ে গেলাম । আমি একটু বাথরুমে যাই তারপর রুমে এসে দেখি নানুর লাশের মুখের কাপড় টা সরানো । আমি এতে একটু অবাক হই । আব্বু কে ডাকি এবং জিজ্ঞাসা করি আব্বু খুলছে নাকি ।কিন্তু আব্বু না বলায় একটু ভয় পাই । এর ভিতর রুমে ভেতরের ঠান্ডা বেড়েই চলছিল । কিছুক্ষণ পরপর খাটটা নড়ে উঠছিল । যার ফলে আমর ভয়টা বেড়েই চলছিল । আমার মনে হচ্ছিল এর থেকে আমি অজ্ঞান হয়ে যেতাম তাহলেই ভালো হত । কিছুক্ষণ পর খবর এলো আপুরা এসে পরেছে। আব্বু আমাকে বল্লো, গিয়ে আপুদের এগিয়ে আনতে । এবং আরো বলে দেয় কেউ যদি পেছন থেকে আমাকে ডাকে তাহলে যেন না তাকাই । তবে কোনো সমস্যা হল না । তবে আপুদের বাসায় আনার পর যা দেখি তা দেখে আমার আপু আর আম্মু অজ্ঞান হয়ে যায় । লাশের মুখের ওপরের কাপরটা আবার ও সরানো তার সাথে লাশের চোখ দুটো খোলা । চোখ দুটো একদম স্তির । বাবা বলল না আর এ রুমে থাকা সম্ভব না। আমরা ওই রুম থেকে চলে আসি। এবং ফজরের আযান এর পর যাই । গিয়ে যা দেখি তা ছিল অকল্পনিয় । লাশটা পাশের দিকে কাত করানো । আর খাটের চাদর এবং যে চাদর টা দিয়ে লাশটা জরানো ছিলো সেগুলো কোচকানো । যেন লাশটা অনেক বার নরেছে । .............সমাপ্ত.............


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৭ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now