বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ইন্সপেক্টর জাবেদ বললেন,!
গুলিতে তো সাইলেন্সার লাগানো
ছিল।কিনেছিস কোথা
থেকে। সত্যি সত্যি বলবি নাকি
বাদুড়ের মতো উলঠো করে ঝুলিয়ে
রাখব?
"স্যার, সত্যিই বলছি।"
মামা এবার বললেন,
তুমি তো একবার তোমার কলেজের
সেরা শ্যুটার নির্বাচিত হয়েছিলে।
তাই না?
সরোয়ার বলল,"স্যার এটা ঠিক যে
গুলি আমি বেশ ভালোই চালাতে
পারি।কিন্তু আমি তাকে গুলি
করিনি।"
রাত ১২টা বেজে ২০ মিনিট এখন।
আমি
মামাকে বলে চলে এসেছি থানা
থেকে।থানায় খুব ঘুম পেয়েছিল
আমার।তাই চলে এসেছি।কিন্তু
এখন ঘুমের কোনো ছিঁটেফোটাও নেই।
মামার জন্য
অপেক্ষা করতে লাগলাম।
কিছুক্ষণের মধ্যে মামা এলেন।
মামার কাছ থেকে জানলাম তার
সন্দেহ রফিক সাহেবের মৃত্যু
হার্ট অ্যাটাকে হয়েছে।
আমি বললাম,কেন মামা? তার কাধে
তো গুলির চিহ্ন আছে।
মামা বললেন,সরোয়ারের মতে
সে রফিক সাহেবকে কাধে গুলি
লাগার পরও বুক চেপে ধরতে
দেখেছিল।আর একটা ব্যাপার
হলো কাধে গুলি লাগার
সাথে সাথে মারা যাওয়ার ঘটনা
কখনো শোনা যায় না।কিন্তু তিনি
সাথে সাথেই মারা গিয়েছিলেন।
কাল ফরেন্সিক রিপোর্ট দেখেই
বোঝা যাবে কোনটা সঠিক আর
কোনটা ভুল।
আমি বললাম, হার্ট অ্যাটাকে মারা
গেলে সেটা পরীক্ষার জন্য
তো ফরেন্সিক রিপোর্ট লাগেনা।
এমনিতে ডাক্তার দিয়ে পরীক্ষা
করা যায়।
কথাটা শুনে মামা এমন এক
ভঙ্গিতে আমার দিকে তাকালেন
যেন আমার ভবিষ্যৎ একেবারে
অন্ধকার। আলো
নিয়ে হাটতে হবে।
মামা বললেন,এটা স্বাভাবিক
মৃত্যু নয়। তার মৃত্যুর প্রত্যক্ষভাবে
হোক কিংবা পরোক্ষভাবেই হোক
গুলি করার কারণেই হয়েছে।তাই
কোনো সাধারণ
ডাক্তার দিয়ে চেক করানোর
কোনো মানেই হয়না।
আরও অনেক্ষণ কি যেনো বলছিলেন
মামা।
আমি তখন ঘুমিয়ে পড়েছিলাম
।একটাই জিনিষ শুধু বুঝলাম
মামা এখন রফিক সাহেবের খুন
নিয়েও তদন্ত করবেন।
পরদিন বিকেলে ফরেন্সিক রিপোর্ট
পেল মামা।তাতে উল্লেখ আছে
মৃত্যুর কারণ হলো হার্ট অ্যাটাক।
ফরেন্সিক রিপোর্ট পাওয়ার পর
ছেড়ে দেওয়া হয়েছে সরোয়ার
সাজ্জাদকে।তাকে কেন ছাড়া হলো
তা বুঝতে পারছিনা।
রাতে মামা কোথাও যাওয়ার জন্য
রেডি হচ্ছেন।বললাম,
"কোথায় যাচ্ছ মামা?"
"খুনী ধরতে।"
"কার খুনী।"
"রফিক এবং লতিফ সাহেবের।"
"সত্যি বলছ?আমিও যাব। "
"না।তোকে তো নেওয়া যাবেনা।
খুনীর হাতে রিভলভার থাকতে
পারে।"
"তাহলে তো আরও থ্রিলিং হবে
ব্যাপারটা।"
মামা শেষ পর্যন্ত আমার কাছে
পরাস্ত হলেন।
...............চলবে.........
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now