বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

শাস্ত্রীর মৃত্যু

"সত্য ঘটনা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md Tuhin (গ্যাংস্টার) (০ পয়েন্ট)

X ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না বলে দাবি করেছেন তাঁর ছেলে অনিল শাস্ত্রী। পিতার মৃত্যু-সংক্রান্ত সমস্ত নথি প্রকাশের দাবি করেছেন কংগ্রেস নেতা অনিল। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার। সংবাদভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল সিএনএন-আইবিএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অনিল শাস্ত্রী বলেন, ‘আমার বাবার মৃতদেহ যখন দিল্লি বিমানবন্দরে নামানো হলো, তখনই আমাদের মনে সন্দেহ দেখা দেয়। এর কারণ হলো, তাঁর সারা শরীর নীল হয়ে গিয়েছিল। তাঁর মুখ নীল হয়ে গিয়েছিল।’ অনিল শাস্ত্রী বলেন, ‘বাবার লাশ দেখার পরপরই আমার মা সরাসরি এই সিদ্ধান্তে এসেছিলেন যে সেটা স্বাভাবিক মৃত্যু ছিল না। মা পরিবারের সবাইকে বলেছিলেন, এই মৃত্যু স্বাভাবিক নয়, এখানে গোলমেলে কিছু আছে।’ ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের তাসখন্দে গিয়েছিলেন লাল বাহাদুর শাস্ত্রী। ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর কয়েক ঘণ্টা পর শাস্ত্রীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়েছিল। যে চুক্তির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মৃত্যু হয়েছিল ভারতের তত্‍কালীন প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রীর। অর্ধশতাব্দী পর আজও সেই মৃত্যু নিয়ে রহস্য কাটেনি। এবারে সেই মৃত্য নিয়েই মুখ খুলেছেন খোদ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সুনীল শাস্ত্রী। চব্বিশঘণ্টাকে টেলিফোনে জানিয়েছেন সেদিনের কথা। জানিয়েছেন মৃত্যুর মাত্র ৪০ মিনিট আগে পরিবারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেছিলেন লালবাহাদুর শাস্ত্রী। রাশিয়ায় কোনও বিশেষ একজনের সঙ্গে দেখা হওয়ার ইঙ্গিতও ছিল সেই টেলিফোনে। কে ওই ব্যক্তি? যার সঙ্গে দেখা হওয়াকে সবচেয়ে বড় খবর বলেছিলেন শাস্ত্রী? তিনি কী নেতাজি? সন্দেহটা আরও দানা বাঁধে যখন জানা যায়, তাসখন্ডে যাওয়ার ঠিক আগেই নেতাজি অন্তর্ধান নিয়ে আরও একটি কমিশন তৈরির করতে চেয়ে ছিলেন তিনি। রেড রোডে নেতাজি মূর্তি উন্মোচন করতে এসে সুভাষচন্দ্রের ভাই অমিয় বসুকে নিজেই নাকি সেকথা জানিয়েছিলেন। অর্থাত্‍, প্রথমে নেতাজি অন্তর্ধান নিয়ে নতুন কমিশন তৈরির ভাবনা। পরে রাশিয়া থেকে মৃত্যুর কিছু ক্ষণ আগে সেই রহস্য ফোন। কোথাও কি এর ভেতর কোনও যোগসূত্র রয়েছে? বিশেষজ্ঞদের অনেকের মতে, নেতাজি অন্তর্ধানের সঙ্গেই মিলে মিশে আছে লালবাহাদুরের মৃত্যু রহস্যও। যার ওপর থেকে কুয়াশারা পর্দাটা আজও সরানো যায়নি।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২৭৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-
☆ ☆ ☆ ☆ ☆

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now