বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পিশাচ শিশু-(১)

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Shayer Ahmed (০ পয়েন্ট)

X সারাদিন মাথাটা ব্যাথা করছে। ভাবলাম ঘুমালে সেরে যাবে। কিন্তু বিকেলে ঘুম থেকে উঠে দেখলাম ব্যাথাতো সারেনি, মনে হয় খানিকটা বেড়েছে। ভাবলাম কফি খেতে পারলে হয়ত ব্যাথাটা যাবে। কিন্তু কুক ব্যাটাকে পেলাম না। নিশ্চয় বউয়ের সাথে প্রেম করতে গেছে। তাই বের হলাম শহরের উদ্দেশ্যে। শহরে নেমে আমার প্রিয় কফি শপের উদ্দেশ্যে যাচ্ছি। হটাৎ শহরের যে অংশে ভিখারিরা দাঁড়িয়ে ভিক্ষে করে সেখানে এক মহিলা ভিখারির (যেহেতু সেখানে দাঁড়িয়ে আছে, ভিখারি ছাড়া আর কিছু ভাবিনি) প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ হল। কিন্তু কেন হল বুঝলাম না। তার মাঝে কিছু এক্তা ছিল! মাথার সামনে কগাছি চুল শুধু সাদা। তা ছাড়া বোঝার উপায় নেই মহিলাটি বয়স্কা। চেহারার কোথাও বলিরেখা নেই। পরনে মলিন পোশাক। কিন্তু অন্যান্য ভিখারিদের মত পথচারীদের কাছে ভিক্ষে চেয়ে তাদের বিরক্ত করছে না । পথচারী বা ভিখারিরা যে তার অস্তিত্ব সম্পর্কে সচেতন তাও মনে হচ্ছে না। যাই হোক, মাথা ব্যাথার কারনে বেশি মাথা ঘামালাম না। কফি শপে কফি, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আর নুডলস খাওয়ার পর মনে হল মাথা ব্যাথা কিছুটা কমেছে। দাম চুকিয়ে বাইরে বেরিয়ে দেখি সন্ধ্যা পার হওয়ার পথে। মৃদুমন্দ বাতাস বইছে। ভাবলাম কিছু নিব না, হেঁটেই যাব। হাঁটছি হটাত আমার সামনে বিকেলে দেখা সেই মহিলা ভিখারিনি (তখনও পর্যন্ত আমার তাই ধারনা)। কিছু বলছে না। ভাবলাম মানসিক সমস্যা আছে হয়ত, মানিব্যাগ খুলে টাকা বের করতে গিয়ে ব্যাগে একটি মাত্র ৫ টাকার কয়েন দেখলাম। কয়েনকে সবসময় আমি ঝামেলা মনে করি। প্রায়ই হারিয়ে ফেলি। ভাবলাম একে দিয়ে দেই। একে কয়েনটি দিলে মহিলা মৃদু হেসে কয়েনটি আমার হাত থেকে গ্রহণ করে। এরপর কিছু না বলে চলে যায়। হটৎ একটা সুগন্ধ পেতে শুরু করলাম, যদিও উৎসটা ধরতে পারলাম না। হাঁটছি, হটাৎ তীব্র হাওয়া বওয়া শু রু করল। টাঙ্গাইলের কুখ্যাত কালবৈশাখীর লক্ষণ। বিনা নোটিশে এসে সব লণ্ডভণ্ড করে দিয়ে যায়। নিজের বোকামীর জন্য নিজের উপর রাগ হচ্ছে। এমন এক জায়গায় এসে গেছি, ঘন্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকলেও যান বাহন পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। ঝড় হলে যে কোথাও আশ্রয় নিব, ধারেকাছে সেরকম কোন দোকানপাটও চোখে পরছে না। মেসে তাড়াতাড়ি পৌঁছাবার জন্য ডান পাশের শর্টকাট রাস্তাটি ধরলাম ভুতের গল্পে প্রায় নায়ক শটকাটে গনতব্যে পচাবার জন্য ডান পাশের রাস্তা ধরে হাঁটতে গিয়ে সোজা পেত্নির খপ্পরে পরে, এরকম আমি পড়েছি)।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now