বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
Md.Tuhin
আমি ও আমার অজান্তা,
অজান্তা নামটা অনেক অদ্ভুত। ঠিক সেরকমি আমাদের সম্পর্কটাও অনেক অদ্ভুত। আমি কল্পনায় একটা মেয়েকে নিয়ে কবিতা গল্প লিখতাম। কল্পনার সেই মেয়েটা বাস্তবে পাব কখনো ভাবতে পারিনি।
একদিন বিষণ্ণ মনে আমি দাঁড়ায় ছিলাম। একটা মেয়ে হঠাত এসে বলল আপনার ফোনেটা একটু দিবেন প্লিজ, আমার ফোনে চার্জ বন্ধ হয়ে গেছে। আমি ফোন দিলাম,
-: আপনার ফোনে টাকা নাই??
না, নেই।
-: আগে বললেন না কেন??
আপনিতো বলেন নি ফোন দিবেন।
:- আচ্ছা আমার ভুল হইছে মাফ চাই।
সমস্যা নাই আপনাকে মাফ করে দেওয়া হলো।
:- আপনার মত মানুষ আমি জীবনে দেখিনাই।
এর মধ্য আমি ওর হাত থেকে মোবাইলটা নিয়ে *874# ডায়াল করে ফেললাম। এই নিন এবার টাকা আছে।
:- ফোন নিয়ে দ্রুত নাম্বার উঠিয়ে, ২ মিনিট কথোপকথন, অতঃপর, ধন্যবাদ আপনাকে।
আমাকে না দিয়ে বাংলালিংক কোম্পানিকে দিন।
:- আপনার নাম কি??
আমার নাম ছদ্দবেশী।
:- এটা মানুষের নাম হতে পারে??
হ্যা, এই নামেই মানুষ আমাকে ডাকে।
:- আমার নাম অজান্তা।
আমি শুনতে চাইনি, তবুও ভালো নাম। চোখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে মিথ্যে বলছেন।
:- চোখ লাল করে,, আপনি চোখ দেখে বুঝতে পারেন কে সত্যি বলে আর কে মিথ্যে বলে??
হ্যা, এ কথাটা সত্যি বলেছেন।
:- আপনি কি দয়া করে বলবেন পাবনা থেকে ছাড়া পেয়েছেন কবে??
আমি কোনদিন পাবনায় যাইনি, তবে যাওয়ার খুব ইচ্ছে আছে।
:- আপনি কি জানেন আপনি একটা পাগল??
না, জানার কি আছে?? অনেকেই এই নামে ডাকে। নামটাও বেশ পছন্দের।সবাই খুব মজা পাই এই নামে ডাকতে।
:- আল্লাহ , তুমি কার কাছে নিয়ে আসলা।
দেখুন আল্লাহ আপনাকে আনে নাই, আপনি নিজেই এসেছেন।
:- আপনার মতো মানুষদের পুলিশে দেওয়া উচিত।
আপনার বাবা কি পুলিশের করে??
:- তাতে আপনার কি আসে যাই??
না, শুনেছি পুলিশের মেয়েরাও নাকি ঘুষ খাই, তাই আপনাকে ঘুষ দিতাম, যদি আপনি আমাকে থানায় নিয়ে যেতেন। পুলিশের গাড়িতে আমি, পাশে সুন্দরি একটা মেয়ে বসে, বিষয়টা ভাবতেও অনেক মজা লাগছে।
:- আপনাকে পাবনা পাঠানো উচিত।
সেটাও মন্দ না। চেষ্টা করুন, তবে হ্যা আপনার ঋণ কিন্তু শোধ করতে পারবনা।
আরো অনেক কিছু হইতে পারত, কিন্তু দুঃখের বিষয় সে সময়ে আমার মধুর স্বপ্ন বিষাক্ত হইয়া উঠিল।
আমার রুমমেট উচ্চ স্বরে ডাকিতে লাগিল দোস্ত ওঠ জলদি,, আর মাত্রে ১০ মিনিট সময় আছে। আমার কল্পনার অজান্তার নাম্বারটা পর্যন্ত আমি নিতে পারিলামনা। যদি আকি স্বপ্নে তাহার নাম্বার পাইতাম,, তাহলে রাতারাতি আমি ফেমুছ হয়ে জাইতাম,পরের দিন বড় আকারে আমার ছবি পত্রিকাতে ছাপা হয়ত,, যেখানে বড় অক্ষরে লেখা থাকিত,
"স্বপ্ন মাধ্যমে নাম্বার প্রাপ্ত ক্ষমতার অধিকারী "
এহা ভাবিয়ে চোখ মুছিতে মুছিতে উঠিয়া রুমমেট এর পশ্চাতে সজোরে লাথি লাগাইলাম, গুরুত্বর অপরাধ করিয়াছ বলিতে বলিতে দন্ত ঘষা মাজা করিতে গেলাম।
অতঃপর,
ছদ্দবেশী আমি
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now