বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সজিব যখন অসুস্থ

"সত্য ঘটনা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md Sozibur Rohoman Sozib (০ পয়েন্ট)

X বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে যখন সজিব ঘুমাল তখনও স্বাভাবিক ছিল।কিন্তু পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখে মুখ ফুলেছে।মাকে যেয়ে দেখাল বিষয়টা। মা দেখে বলল তোর টন্সিল হয়েছে।তাড়াতাড়ি মাফলার জড়া গলাতে।মেজে ভাই রিপনকে মাফলারটা দিতে বলল।ভাই দিল।সকাল পেরোলো,দুপুর বেলা সজিব আবার খেলার ভক্ত।সেদিন একটা ফুটবল ম্যাচ ছিল।সজিব দলের গোলকিপার।বিকল্প কেউ নেই।ভাবলো খেলতে যাবেনা।কিন্তু এক বড় ভাই ফোন করে বলল,সজিব কোনে?আমি বললাম বাড়িতে। আমি খেলতে আসছি।গলায় মাফলার জড়িয়ে চলে গেলাম।খেলা ছিল আমার গ্রাম বালিহুদা বনাম সড়াবাড়িয়া।যা অনেক দুরে। সেখানে যেতে হল তিন চাকার গাড়িতে।আমি গাড়ির পিছনে বসলাম।যাহোক খেলা ড্রয়ের মাধ্যমে শেষ করে বাড়ি ফিরলাম।গাড়ি থেকে নেবে কেমন শীত অনুভুতি হল।বাড়ি যেয়ে দেখি আব্বা মাটি পড়ে এনেছে।মাটি মাখলাম,আর খাওয়া দাওয়া অনেক কিছু বন্ধ।এর আড়ে দুপুরে বাড়ির পাশে ডাক্তারের কাছে গেলে ঔষধ লিখে দেয়।সেগুলো খায়।পরদিন মনে করলাম সেরে যাবে কিন্তু না।আগের দিন গোসল করিনি দেখে আজ গোসল করলাম।মা আর আব্বা বাড়িতে ছিলনা। বাড়ি এসে দেখে আমি গোসল করেছি।এদেখে বকাবকি করে।যাহোক পরের দিন আব্বা আমাকে নিয়ে উপজেলা সাস্থ কম্প্লেক্সে গেল।সেখান থেকে কিছু ঔষধ দিল।সেদিন রাত্রে আবার আমাদের সঙ্গদের পিকনিক ছিল।ফোন আসল সজিব আসান চাচার দোকানে পিকনিক চলে আয়।মাকে বললাম।আব্বা মা কেউ যেতে দিবেনা।জোর করে চলে গেলাম।পকনিক শেষ হলো রাত ১টা নাগাদ।বাড়িতে আসলাম চুপিস্বরে ঘুমিয়ে পড়লাম।মুখ ফোলার কোনো উন্নতি নেই।মা বকছে যে,তুই গোসল করলি,বাইরে বেরলি,রাত একটা পর্যন্ত পিকনিক করলি।এজন্যই ফুলেছে বেশি।এদিকে আমার মন উতাল পাতাল করছে কলেজ যাবার জন্য।কিন্তু উপাই নেই। পরদিন পানি খেতে যেয়েও প্রচুর ব্যথা অনুভব করলাম।মা আব্বাকে দিয়ে পাশেন গ্রামে এক হিন্দু লোক হুকা খায় তার কাছে পাঠাল।তিনি টন্সিলের ঔষধ দিলেন এবং মসুর ডাল ও আলু বাদে সব খাওয়া বন্ধ করে দিলেন।তাও আবার তৈল বাদে।পর দিন আবার খেলা।এবার খেলা নিজের মাঠে।আসবে ভালাইপুর।একজন চাচা এবং একজন ভাই আসলো আমাকে ডাকতে।কিন্তু আব্বার আপত্তি।চলে গেল তারা।আমি কয়েকটি টাকা নিয়ে চা খাওয়ার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়লাম।ততক্ষনে হাফটাইম শেষ।খেলা বালিহুদা ৩-১ গোলে জয়লাভ করে।যেয়ে দেখি আমার রিপ্লেসমেন্ট আরেক সজিব।সবাই আমাকে স্বরন করছে।এর আগে শোক দিবসে আমাকে ফোন করে ডাকা হল।কিন্তু আমি অসুস্থ বলে যায়নি।ভোজ খাবার সময় আবারও ডাকল।তাও যায়নি।পরদিন দেখি ব্যথা কমেছে কিন্তু ফোলা কমেনি।তাই রাগ করে সব বিধি নিষেধ ভেঙে কাঙালে ভোজ খেলাম।মা গেল কমিউনিটি ক্লিনিকে এবং ঘটনা খুলে বলল।ডাক্তার বলে এটি মামস নামক রোগ।সারতে ১০বা১৫ দিন লাগবে।বেড়ে গেল অপেক্ষা। এখন দেখার বিষয় কবে রোগ সারে।পাঠক বন্ধুরা দোয়া করবেন। বিঃদ্রঃ লেখার বানান সহ অন্য কিছু ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানাচ্ছি।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২৩৩ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-
☆ ☆ ☆ ☆ ☆

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now