(নয়ন)
::- ছাগোলের দল একেকটা।বের হ বলছি আমার ঘর থেকে ।বলে আবার শুয়ে পরলাম বালিস কানে গুজে।
::- মানেটাকি
তুই আবার ঘুমাবি নাকি?(রিয়া)
::- না না তোদের সাথে ডান্স করবো। বিরক্ত করিস না।
বলা শেষ না হতেই ওরা আমায় হাত ধরে টেনে তুলল।
::- তারাতারি রেডি হ। বেড়াতে যাব।
আর কি ঘুম থেকে ওঠে রেডি হয়ে কেবল. ঘরে ঢুকবো সবগুলা সালাম করতে লাগল।
::- আরে আরে কি করছিস।
::- তোকে সালাম দিলাম এবার সালামি দে ।নইলে তোকে ছারবোনা।(অভি)
::- আমায় বিক্রি কর। সকাল বেলা সবগুলা আমায় জালানোর প্লান করে আসছে।
::- ধুর তোকে বিক্রি করলে কেউ নিবে না। লাভ নাই সালামি দে।(নয়ন)
::- হুম ঠিক। তোক বিক্রি করলে এক টাকাও পাবনা।(রিয়া)
এই বলে সবাই হাসতে লাগলো। কিছু বলতে যাব আম্মু খাওয়ার জন্য ডাক দিল। সবাই খেয়েদেয়ে ঘুরতে বের হলাম। যেতে যেতে দেখি যে একটা ফুচকার দোকান।
::- এই চলনা ফুচকা খাই।( রিয়া)
::- না আমার খেতে ইচ্ছে করছেনা।
কিন্তু সবাই জোর করে নিয়ে গেল। খাওয়া শেষে,
::- দোস্ত আমারনা একটা ফোন আসছে একটু আসছি।( রিয়া)
::- দোস্ত আমার মানি ব্যাগটা না ঘরে ফেলে আসছি।(অভি)
::- ওই কি ফুচকা খাওয়ালি রে পেটে ব্যাথা করছে। মনে হচ্ছে মরে যাব। আমার এখনো বিয়েই হয়নি। বিয়ের আগেই যদি আমার বউ বিধবা হয় আমি তোকে ছাড়বোনা।(নয়ন)
::- বুঝেছি এটার টাকাও আমায় দিতে হবে তাইতো।মেজাজটা খারাপ হয়ে গেল। টাকাটা দিয়ে সামনে তাকাই দেখি কেউ নাই। অনেক খুঁজলাম। নাহ নেই। আমার কান্না পাচ্ছিল।একটা গাছের নিচে গিয়ে বসে পরলাম। মনে মনে ভাবছে ওরা আমার সাথে এমন করতে পারলো।
হঠাৎ সবগুলা এসে একসাথে ঈদ মোবারক বলে চেচিয়ে ওঠলো। সবার হাতে একটা করে গিফট আর কিছু খাবার।........আমি অবাক চোখে তাকিয়ে থাকলাম।
::- কিরে ভাবলি কি করে তোকে ছাড়া আমরা চলে যাব। তুই ছাড়া আমাদের ঈদ কি ঈদ হবে।
আমার চোখে পানি চলে আসলো।তারপর সভাই মিলে অনেক মজা করলাম। আসলে বন্ধুরা এমনই।তাদের ছাড়া জীবনটা যেন শূন্য।ঈদ মানে আনন্দ। আর সেই আনন্দকে পূনতা দান করে বন্ধুরা। তাদের ছাড়া যে ঈদের আনন্দটাই মাটি। আমি চাই যে সারা জীবন যেন ওরা এভাবেই আমায় জালাই।
