বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ঘরের লক্ষি বউ

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md Tuhin (গ্যাংস্টার) (০ পয়েন্ট)

X "লেখক,তুহিন __সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে।আর সে রমণী গুলো হলো ঘরের লক্ষ্মী বউ। __পরিবারের বড় ছেলে রিহান তার একটা ছোট বোন আছে।রিহান ও তার বাবা শহরের ছোট একটা ব্যবসা আছে।এদিকে রিহানের বোন রিতু স্কুলে গেলে তার মা একা তা ছাড়া রিহান এর মা এখন প্রায় সময় অসুস্থ থাকে। তাই মা,বাবা চিন্তুা করলো রিহানকে বিবাহ করাবে।রিহানের মা ও খালা অনেক যায়গা খুঁজে দেখলো কিন্তু কোনো মেয়েকে পছন্দ হয় না।রিহান এর খালা বলে?বুবু তোমার ছেলের কপাল খারাপ, এতো মেয়ে দেখার পরেও পছন্দ হচ্ছে না কি করা যায়।রিহানের মা হতাশা না হয়ে অনেক খুঁজার পরে গ্রামের একটা মেয়েকে খুব ভালো লাগছে।কিন্তু অনেকজনে বলে মেয়েটা সহজসরল,সংসার দেখাশুনা করতে পারে কি না সন্দেহ এ ইত্যাদি ইত্যাদি বলতেছে। " " __রিহানের মা লোকের কথা না শুনে বিয়েতে মতামত দেয়, রিহানও মেয়েটাকে দেখে পছন্দ করে। মেয়েটার নাম ছিলো ইফতি আক্তার জান্নাত সবাই জান্নাত বলে ডাকে।সবার যখন পছন্দ অবশেষ এ হয়ে গেলো রিহান ও জান্নাতের বিয়ে।জান্নাত এখন স্বামী সংসার করে তবে তেমন চালাক না এ সহজসরল কারো সাথে তেমন বসে বসে আড্ডা দেয় না। কিন্তু জান্নাত খুব চালাক যা কেউ জানে না ও তার শাশুড়ি আম্মা ও জানে না।জান্নাত শশুর বাড়ির সব মানুষকে অল্পদিনে আপণ করে নিছে।সবাইকে খুব ভালোবাসে সম্মান করে।রিহান ও খুব খুশি জান্নাতকে নিয়ে কিন্তু একটা সমস্যা জান্নাত সহজসরল কিভাবে ভবিষ্যৎ এ সংসার দেখাশুনা করবে এ নিয়ে রিহানের মা প্রায় সময় চিন্তা করে। " " __জান্নাতের বিয়ের প্রায় দুই,মাস পরে একদিন রিতু গেছে স্কুলে রিহান ও তার বাবা ব্যবসার কাজে শহরে গেছে। এখন ঘরে শুধু জান্নাত ও তার শাশুড়ি। জান্নাতের শাশুড়ি সকাল থেকে শরীরটা খু্ব একটা ভালো না তাই ডাক্তারে কাছে যাবে।সাথে জান্নাতকেও নিয়ে যাবে, তাকে কিছু কেনাকাটা করে দিবে বলে।জান্নাত হিজাব পরে শাশুড়ি আম্মার সাথে যাওয়ার জন্য রেডি হলো।ডাক্তারে কাছে যাওয়ার জন্য হাঁঠতেছে জান্নাত ও তার শাশুড়ি। জান্নাতের শাশুড়ি প্রথমে ডাক্তারে কাছে না গিয়ে জান্নাতকে বলে?? __চলো বউমা তোমার জন্য শাড়ি কিনবো? __না আম্মা আগে আপনে ডাক্তার এর কাছে চলেন এর পরে শাড়ি কিনে দিতে পারবেন। __না বউমা ডাক্তার এর কাছে গেলেও সেখানে সিরিয়াল লাইনে বসে থাকতে হবে, আগে চলো তোমার জন্য শাড়ি কিনবো। __আম্মা সমস্যা নাই আমি আপনার সাথে বসে থাকবো। এমন হতে পারে শাড়ি কিনার পরে টাকা নাও থাকতে পারে তখন কি করবেন। চলেন আম্মা আগে আপনাকে ডাক্তার এর কাছে নিয়ে যাবো। >>ডাক্তারে কাছে নিয়ে যাওয়ার পরে সবকিছু পরিক্ষা করে ডাক্তার ওষুধ দিলে। সেগুলো কিনে জান্নাত আর শাশুড়ি আম্মা গেলো কাপড়ের দোকানে। সেখানে দোকানদারকে জান্নাতের শাশুড়ি আম্মা বলে?? __এই শাড়িটা কত টাকা? __১৫শত টাকা একদাম। __কিছু কম হবে নাকি? __না, তবে আপনে ১০০টাকা কম দেন। >>পাশ থেকে জান্নাত তার শাশুড়ি অাম্মার কানে কানে বলে?আম্মা আমরা আরেক দোকানে দেখবো শাড়ি। এ শাড়িটা দাম বেশি চলেন আরেক দোকানে।এ বলে বউ শাশুড়ি চলে গেলো আরেক দোকানে। সেখানেও সেইম শাড়ি আছে তবে দোকানদার হালাল পথে রুজি করে তাই দাম জিজ্ঞেস করলে বলে?? __এই শাড়ির দাম ১ হাজার টাকা। আপনার জন্য ৮ শত টাকা রাখবো।জান্নাতের শাশুড়ি বলে সেইম শাড়ি দুই,রঙের আমার বউমার জন্য দুই,টা প্যাকেট করো।শাড়ি কিনে জান্নাত আর শাশুড়ি বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা দেয়।শাশুড়ি কি জানি ভাবতেছে তাই জান্নাত বলে?? __আম্মা আপনে কি ভাবতেছেন? __না, কিছু না। __দেখছেন আম্মা আমার শশুর আব্বার কষ্টের রুজি টাকা তারা অন্যায় ভাবে নিতে চাইছিলো।আমরা যদি অন্য দোকানে না যাইতাম তাহলে আজকে ১২শত টাকা জলে ভেসে যেতো >>শাশুড়ি আম্মা এ কথা শুনে মুচকি মুচকি হাসতেছে। আর চিন্তা করে সহজসরল মেয়েটা কেমন করে হঠাৎ এমন চালাক হয়ে গেলো।আসল কথা হইছে জান্নাত খুব চালাক মেয়েদের সাথে বসে বসে আড্ডা দেয় না তাই সবাই বলে সহজসরল। বাড়িতে আসলে শাশুড়ি আম্মা জান্নাতকে বলে?? __বউমা এ টাকা গুলো অালমারি তে রাখো? >>টাকা রেখে আসার পরে শাশুড়িকে চাবি দিতে গেলে শাশুড়ি বলে? __জান্নাত তুমি চাবি রাখো। __না আম্মা তা কেমন করে হয়,আপনে চাবি রাখেন পরে কিছু হলে বিপদ হবে। __জান্নাত তুমি এ ঘরের লক্ষ্মী বউ তুমি থাকতে এ ঘরের কিছু হবে না। এতটুকু ভরসা আমি তোমার উপর করতে পারি। __আচ্ছা ঠিক আছে আমি রাখতেছি। আপনে শুধু আমার জন্য দোয়া করবেন যেনো এ সংসার টা আমি দেখে শুনে রাখতে পারি। __হ্যাঁ অবশ্যই দোয়া,তুমি আমার ঘরের লক্ষ্মী বউ!!! আমাদের দেশে এখন কিছু মেয়ে আছে প্রতিযোগিতা দেয়।সেলিম এর বউ যদি ১ হাজার টাকা শাড়ি কিনে তাহলে রহিম এর বউ ২ হাজার টাকার কিনবে।এমন মেয়ে গুলো জীবনেও ঘরের লক্ষ্মী বউ হতে পারবে না।যারা স্বামীর কষ্টের রুজির টাকা প্রতিযোগিতা করে নষ্ট করে তারা কি করে ঘরের লক্ষ্মী বউ হবে।তাই বলি সংসারে লক্ষ্মী বউ হতে চাইলে আমার কাল্পনিক গল্পের জান্নাত এর মতো মেয়ে গুলোর মতো সংসার করতে হবে। আর নেককার মেয়ে হতে হলে অনুসরণ করতে হবে?মা ফাতেমা,মা আয়েশা,মা খাদিজা(রা) কে।তাহলে এ কালেও শান্তি পরকালেও শান্তি পাবেন।আর জান্নাতের মতো সংসার দেখাশুনা করলে তাহলে আপনার ঘরের আপনার শাশুড়ি আম্মাও আপনাকেও ঘরের লক্ষ্মী বউ বলবে।জান্নাতের মতো লক্ষ্মী বউ আমাদের দেশে অনেক আছে যারা স্বামীর কষ্টের টাকা প্রতিযোগিতা দিয়ে নষ্ট করে না!!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now