বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
লেখা----````````` „একজন আমি„ ````````.
:
:
অনি আর অরিন, খুব ভাল বন্ধু। মেডিকালের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী অরিন। অনি একটি পাবলিক ভার্সিটিতে তৃতীয় বর্ষের ছাত্র।
চুপচাপ শান্ত শিষ্ট ধরণের ছেলে অনি। মায়াময় বিষণ্ণ দুটি চোখ। এই চোখ দেখেই আর ঝাড়ি দেয়া যায়না। অরিন যতই বকে। অনি ততই মাথা নিচু করে থাকে। মায়া লাগে অরিনের।
আর কতক্ষণ মন খারাপ করে থাকবি? এত ফ্যাচফ্যাচ কাঁদুনে মার্কা ছেলে কখনো দেখিনি বাবা। আমি মেয়ে হয়েও তো জীবনে এতবার মন খারাপ করিনি, তুই দিনে যতবার করিস! এক নিঃশ্বাসে বকে যায় অরিন।
অরিন- চল তোকে চটপটি খাইয়ে নিয়ে আসি, তাহলে ওই মেয়ের ভূত বের হবে তোর মাথা থেকে ।
অনি-- কোন কিছুতেই বের হবেনা। ভালবেসেছিস কখনো কাউকে? কিভাবে বুঝবি কেন এত বিষণ্ণ থাকি? খুব কাছের কেউ অবহেলা করলে বুঝতি রে অরিন অবহেলা কত কষ্টের।
অরিন-- আমার এত কিছু বোঝার দরকার নেই। এইসব ভালবাসা প্রেমের মধ্যে আমি নেই। যেমন আছি তেমনই ভাল। তোর মত বিষণ্ণতার পাল্লায় পড়ার শখ নেই আমার। চলতো, উঠ।
অনিকে নিয়ে চটপটি খেতে যায় অরিন। একটি মেয়েকে ভীষণ ভালবাসে অনি। নাম রিমু। মেয়েটি তার বন্ধু, কিন্তু বন্ধুত্তের বাইরে পা বাড়াতে রাজি হয়না কখনও। অনি বোঝানোর অনেক চেষ্টা করেছে মেয়েটিকে, কিন্তু সে যেন বুঝেও না বুঝার ভান করে অনির অনুভূতিগুলোকে। অরিন সবসময় পাশে থাকে অনির। তার সুখ, তার দুঃখ কোনকিছুই অজানা নয় অরিনের। অরিনের প্রতি মন থেকে কৃতজ্ঞতা বোধ করে অনি। এই পাগলি মেয়েটা পাশে না থাকলে কে এত সামলাত তাকে? তার সব কষ্টের ঘ্যানর ঘ্যানর কে শুনত বিরক্ত না হয়ে? হাসিখুশি মেয়েটার পাশে থাকলে বেশিক্ষণ মন খারাপ করে থাকাও যায়না। মন ভাল করে তবেই ছাড়ে সে।
এইভাবে দিন গড়াতে থাকে। হঠাৎ একদিন রাতে অনির ফোনে ঘুম ভাঙ্গে অরিনের। ভীষণ উৎফুল্ল শোনাচ্ছে অনির কণ্ঠ।
অরিন-- কি হয়েছে রে? রাত দুপুরে এভারেস্ট জয় করেছিস?
অনি-- চেয়েও বেশি।
অরিন-- বলতো কি হয়েছে? বল নাইলে ফোন রাখ, ঘুমাতে দে আমাকে।
অনি-- আর ঘুমাতে পারবিনা খুশিতে।
অরিন-- মানে?
অনি-- মানে হচ্ছে রিমু বলেছে সে আমাদের বন্ধুত্বকে আরেকধাপ আগে বাড়াতে রাজি আছে!
অরিন-- সত্যি?? অভিনন্দন দোস্ত, কালকে treat দে আমাকে।
অনি-- পরে। কালকে রিমুর সাথে দেখা করতে যেতে হবে।
অরিন-- ও আচ্ছা!
খট করে কথা টা কানে লাগে অরিনের। তার সাথে দেখা করার সময় নেই অনির তার সাথে!
অনি-- রাখি রে, রিমুকে ফোন দিব বলেছিলাম, পরে কথা হবে তর সাথে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now