বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

জুম্মান আর মারুফা ০২

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান S M Fahim Ahmed (আম্মুর রাজপুত্র) (০ পয়েন্ট)

X সকাল ৬:২০ এ দরজায় খুব নক হচ্ছিলো। আম্মু কখনো এমনটা করে না। কারণ আম্মু জানে আমার ঘুমের ডিস্টার্ব হলে আমি খুব রাগ করি। তাই ভীষন রাগি একটা ভাব নিয়ে দরজা খুললাম। দরজা খুলতেই দেখি মারুফা। ও আমার হাত ধরে টানতে টানতে রুমের ভেতর নিয়ে গেলো। এতক্ষন লক্ষ্য করিনি, এবার ভালো করে তাকিয়ে দেখি ওর চোখ লাল। . জুম্মান: কিরে তোর চোখে কি হইছে। মারুফা: (গালের উপর একটা সশব্দে চড় পরলো) -: (আমি হালে হাত দিয়ে ওর দিকে অবাক হয়ে দারিয়ে আছি, কারণ এই ৬ বছরের বন্ধুত্বে এই প্রথম ও আমার গায়ে হাত তুললো।) মারুফা: তোর ফোন বন্ধ কেন কুত্তা। জুম্মান: ফোনটা ভেঙ্গে গেছে। মারুফা: আমায় জানাসনি কেন। আন্টির ফোন ছিলো না। জুম্মান: হুম, না মানে। মারুফা: তুই জানিস সারাটা রাত আমার উপর দিয়ে কি রকম ঝড় গেছে। জুম্মান-: মানে। মারুফা-: তুই কি ভাবে ভাবলি তোকে ছেরে আমি ভার্সিটিতে ভর্তি হবো। আর অন্য কারো সাথে বন্ধুত্ব করবো। জুম্মান-: তুই বললি কেন। মারুফা-: ওটাতো তোকে রাগানোর জন্য বলছি। রাজশাহির পরীক্ষার এখনো ২৪ দিন বাকি আছে। এই ২৪ দিনের মধ্যে তোকে প্রি-পারেশন নিতে হবে। যদি রাজশাহীতেও না টিকিস তবে সত্যি সত্যি আমি তোকে ছেরে চলে যাবো। . এর পর আর কি করার। আমি বুঝেগেছিলাম সেদিনি, মারুফাকে ছারা এই জুম্মান অচল। তাই আর রিক্স নেই নাই। রাজশাহিতে ভর্তি হলাম দুজন। সিরিয়াল অনুয়াযী মারুফা অর্থনীতি সাবজেক্টস পেয়েছিল, আর আমি রাষ্টবিজ্ঞান । কিন্তু আমার সাথে থাকার জন্য ও মাইগ্রেশন করে রাষ্টবিজ্ঞান নিয়েছিলো। . মুখে যতই বলি না কেন আজকে মারুফার বিয়ের কথা শুনে সেই ৪ বছর আগের বুকের কোনার চিনচিন ব্যথাটা আবার অনুভব করলাম। . মারুফা না থাকলে আমার কি হবে। কে সকাল বেলা ঘুম ভাঙ্গিয়ে দিবে। কে আমার এসাইনমেন্ট করে দিবে। কে সারাদিন আমায় ভালো ছেলে বানানোর বিথা চেষ্টা করবে। হাজার রাগ হওয়া সত্যেও কে বারবার আমায় পড়তে বলবে, খেতে বলবে, আর রোগ হলে কে সময় মত ঔষুধ খাওয়ার জন্য ফোন দিবে। . না কিছু একটা করা দরকার। আমি মনে হয় মারুফাকে ভালোবাসি। না মনে হয় না, আমি সত্যি মারুফা কে ভালোবাসি। আর ওকে ছারা এক মুহুর্তেই আমি জিরো হয়ে যাব। ও একদিন ক্লাশে না আসলেই পুরো ক্লাশটা আমার কাছে যেন শূন্য মরুভূমিতে পরিনত হয়ে যাবে। .


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৬০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ জুম্মান আর মারুফা ০৩
→ জুম্মান আর মারুফা ০১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now