বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মারুফা-: দোস্ত আমার বিয়ে।
জুম্মান-: হা হা হা। তাই নাকি। তোর মত পেত্নিকে কে বিয়ে করবে।
মারুফা: দেখ আমি মোটেও ফাইজলামি করছি না।
জুম্মান: আচ্ছা ঠিক আছে। কবে বল।
মারুফা: যে কোন সময় হয়ে যেতে পারে।
জুম্মান: তাই, তাহলে তো ভালই হয়। অনেকদিন বিয়ে খাই না। তোর বিয়েতে অনেক মজা করবো।
মারুফা: কুত্তা থাক আমি গেলাম। আমার বিয়ের কথা শুনে খুব মজা পাচ্ছিস তাই না। যেদিন আমার বিয়ে হবে। ভার্সিটিতে আর আসবো না, সেদিন বুঝবি আমি কি ছিলাম ।
.
কথাটা শেষ করেই হনহন করে চলে গেল মারুফা। সত্যিতো কখনো এটা ভাবিনি। মারুফা যদি না থাকে তবে আমার কি হবে।
.
.
মারুফা আর আমি হাই স্কুল থেকেই বন্ধু। আমি কোনদিনই গুড বয় ছিলাম না। কারণ পরাশুনা আমার ভালো লাগতো না। সারাদিন টইটই করে ঘুরতাম। আর মারুফা ঠিক আমার বিপরীত ছিলো। ও আমাদের ক্লাশের ফাস্ট গার্ল ছিলো। তারপরো কেনো যে এই দুই বিপরীত মেরুর মানুষের বন্ধুত্ব হলো তা নিজে অনেক ভেবেও বের করতে পারি নাই।
.
স্কুল জীবন শেষ করে আমরা একি কলেজে ভর্তি হয়েছিলাম। কিন্তু কলেজের শেষে ভার্সিটিতে ভর্তি হবার সময় ঘটলো সব চেয়ে বাজে ঘটনা। মারুফা ঢাকা ভার্সিটিতে চান্স পাইলো। কিন্তু আমি পরাশুনা না করার কারনে ঢাকাতে চান্স পেলাম না। সেদিন প্রথম মনে হয়েছিল, আমি মারুফা কে ছারা চলতে পাবো না। আর সেদিন অনেক কেদে ছিলাম আমি , কিন্তু হারামী মারুফা আমায় শান্তনা না দিয়ে উল্টো আমায় আরো বড় বড় কথা শোনাচ্ছিলো।
.
ও নাকি ঢাকাতে ভর্তি হবে। সেখানে আমার থেকে অনেক ভালো ভালো বন্ধু পাবে। খুব খারাপ লাগছিলো ওর কথা গুলো। একটা পর্যায়ে ওকে রেখে বাসায় চলে আসছিলাম। এবং বাসায় এসে ফোনটা ভেঙ্গে ফেলে ছিলাম। পরদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠে যে এমন একটা সিনক্রিয়েটের সম্মুখীন হবো তা স্বপ্নেও ভাবিনি।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now