বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এরপর কুশ ও মৎস্যরাণির সামনে কুশের লোকরা প্রথমে অক্টপাসের ১টা লেজে লাঠি দিয়ে আঘাত করতে লাগলো । অক্টোপাসের খুব কষ্ট হচ্ছিলো । তবুও অক্টোপাস হাসির ভঙ্গি করে যাচ্ছে । এরপর অক্টোপাসের ভঙ্গিতে কুশের লোক কিছু বুঝতে না পেরে আরেকটা লেজ আলুকাটা মেশিন দিয়ে কাটতে লাগলো আর একটা লেজ আরেকজন ছুরি দিয়ে টুকরো টুকরো করছিলো । এইদৃশ্য আর মৎস্যরাণী সহ্য করতে পারছে না । আর অক্টোপাসও সহ্য করতে পারছে না । তাই বিষাক্ত কালো ধোয়া ছেড়ে অক্টোপাস পালিয়ে যায় । এরপর অক্টোপাসের তিনটা লেজ ব্যান্ডিজ করা হয় । একটু সুস্থ হওয়ার পর অক্টোপাস মৎস্যরাণীকে বার্তা পাঠায় যে,সে যেন কুশকে তাদের রাষ্ট্রের শেষ মাথায় নিয়ে আনে । অক্টোপাস নিজেই কুশকে হত্যা করবে । এরপর অক্টোপাসের কথামতো মৎস্যরাণী কুশকে ভূলিয়ে ভালিয়ে তাদের রাষ্ট্রের শেষ মাথায় আনে । দরজার পেছনে অক্টোপাস ও তার সহপাঠিরা কুশকে মারার জন্য অস্ত্রপাতি নিয়ে অপেক্ষা করছে । দরজা খুলতেই কুশকে হত্যা করবে । কিন্তু মৎস্য রাণী কুশকে দরজার কাছে পাঠাবে দ্বিধাবোধ করছে । কারণ সে কুশকে ভালবাসে । তাই কুশকে বাড়ি চলে যেতে বলল । কুশ বাড়ি চলে গেল । এরপর মৎস্যরাণী নীজেই দরজা খুলে ঢুকল ।।।।।।।।।।।।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now