বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পাগলামো ভালোবাসা...

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sayemus Suhan (০ পয়েন্ট)

X দীপ রাস্তার পাশে দাড়িয়ে অপেক্ষা করছে গাড়ীর জন্য। কিন্তু কোনো গাড়ী নেই, মহা মুসকিলে পড়ে গেল। আজ কলেজে কিভাবে যাবে? মিহাও অপেক্ষা করবে, কি আছে কপালে কে জানে। কারণ আজ মিহার বার্থডে ! রাতে অবশ্য একবার উইশ করেছে, কিন্তু দেখা করা অত্যন্ত জরুরি। দীপ মিহাকে কথা দিয়েছে যে আজ সারাদিন থাকে নিয়ে ঘুরবে.. গল্প করবে। । দীপ বাস্তবধর্মী রোমান্টিক লেখক, জীবনের বাস্তব গল্প গুলো লেখাই তার একমাত্র কাম্য। মিহা তার গল্পের অনেক বড় ভক্ত ছিল, সে যখন গল্প লিখে ফেইসবুকে পোস্ট করতো মিহা সেগুলো মন দিয়ে পড়তো। মিহা অনেক সুন্দর একটা মেয়ে আর দীপ আনস্মার্ট একটা ছেলে.. কেমন ড্যাবডেবে চেহারা যা মিহার সাথে কখনও মানায় না । মিহা শুধুমাত্র দীপের গল্প পড়ে তার প্রেমে পড়ে যায় । পরে অবশ্য মিহা আরো বেশি আকৃষ্ট হয় কারণ দীপ অনেক ভালো ছেলে, সবাই থাকে খুব বেশি পছন্দ করে। আজ তাদের ভালোবাসার ২ বছর ৩ মাস পেরিয়ে গেছে.. কিন্তু তাদের ভালোবাসার কমতি একটুও নেই। মিহা সবসময় দীপের যত্ন নেয়, তাদের এই রিলেশনশিপের পর থেকে মিহা দীপকে ক্যাম্পাসের সেরা স্মার্ট ছেলে হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। অনেক মেয়েই আজ দীপের পেছনে ঘোরাঘুরি করে। দীপ নিজেও নিজেকে চিনতে পারে না। যাইহোক , প্রায় আধাঘন্টা পর হটাৎ করেই একটা বাস আসাতে দীপের শুকানো গলাতে কিছুটা পানি আসলো । গাড়ী থামলো ঠিকই কিন্তু গাড়ীতে কোনো সিট নেই ! কি আর করবে বেচারা.. দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়েই গাড়ীতে উঠে দাড়ীয়ে যেতে লাগলো। কলেজ অন্তত ৫০ কি.মি. দুরে। যেতে ১ ঘন্টা ২০ মিনিট লাগলো। ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে, সব জায়গা খোজ করলো কিন্তু মিহাকে পাওয়া গেল না। অনেক বন্ধুদের জিজ্ঞাসা করলো মিহার কথা এরাও বলে.. দেখেনি। ফোন দিল মিহাকে, ফোনও বন্ধ। দীপের দুচোখে অশ্রু চলে আসলো, মিহা তো কখনও এমন করেনি।। হঠাৎ তার মনে আসলো মিহা কোনো দুর্ঘটনার স্বীকার হলো কিনা.. দীপের সারা শরীর আঁতকে উঠলো.. হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করলো, এমন সময় পেছনের কাঁদে নরম হাতের একটু স্পর্শ পেল, কান্না জড়িত অবস্থায় পেছনে তাকিয়ে দেখে মিহা। কোনো কিছু না বলেই মিহাকে সাথেসাথে জড়িয়ে ধরে আরো জোরে হাউমাউ করে কাঁদতে থাকে। মিহা অনেক ছাড়ানোর চেষ্টা করেও পারছে না। মিহা : সবাই দেখছে তো... প্লিজ ছাড়ো দীপ : আমার সাথে এমন করলে কেন? মিহা : বলছি আগে ছাড়ো... দীপ আস্তে আস্তে ছেড়ে দিয়ে অপলক দৃষ্টিতে মিহার দিকে তাকিয়ে থাকলো। মিহাও এর পাগলটার পাগলামি দেখে চোখ দুটো ভিজিয়ে ফেললো। তারপর দীপকে বললো .. তুমি এতক্ষন আসছিলে না তাই একটু বোরিং লাগছিল, ছাদে গিয়েছিলাম, আর এদিকে তুমি এই কান্ড বেঁধে দিলে..! পাগল একটা। দীপ এবার হাসি দিয়ে বললো আমার পাগলিটা, এবার এদিকে আসো... মিহা কাছে যাওয়ার পর দীপ বললো চোখ বন্ধ করো, মিহাও চোখ বন্ধ করলো। দীপ পকেটে রাখা আংটিটা বের করলো তারপর মিহার হাতে পরিয়ে দিল, এবার মিহাকে চোখ খুলতে বললো... মিহা চোখ খুলে দেখে দীপ হাটুগেঁড়ে বসে আছে। সাথেসাথেই দীপ বলে উঠলো... " আমি সারাজীবন তোমাকে আমার বুকের মধ্যে আগলে রাখতে চাই, তুমি কি আমাকে সেই সুযোগটা দেবে, তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে? " মিহা এই কথাগুলো শুনে কি করবে বুঝতে পারছিলনা, সাথেসাথে দীপের বুকে নিজেকে লুকিয়ে ফেললো।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now