বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
উৎসর্গ: চড়ুইয়ের ঝগড়াটে টুনি
.
.
(১.)
পূর্ব গগনে উদিত হয়েছে সকালের স্নিগ্ধ ঊষা । তার মৃদু তেজ দীপ্ততা ক্রমেক্রমে ছড়াচ্ছে অবনী জুড়ে । কৃষ্ণচূড়া গাছের ছোট্টছোট্ট পাতার ফাঁক দিয়ে নেমে আসছে সে আলোর আলোকরশ্মিগুচ্ছ । নিত্যদিনের মতো শিশির এবং তার বন্ধুরা সেই কৃষ্ণচূড়া গাছটির নিচে বসে আড্ডা দিচ্ছে । এরই মাঝে জাহিদ তার গিটারটি শিশিরের হাতে দিলো গান গাওয়ার জন্য । শিশির খুব ভালো সূর তুলতে পারে এই দুই সুতার এই বাদ্যজন্ত্রটিতে । সে তার সমস্ত নিপুণতা দিয়ে টুং টাং টিং সূর তোলার চেষ্টা করছে আর সাথে তার সূরেলা কণ্ঠ মিশ্রিত করে গাইতে লাগলো,
.
'প্রীতি কাঁঠালেরআঠা লাগলে পরে ছাড়েনা....
কি জিনিষ দেখালে দয়াল নজর কেন পড়েনা...'
.
তার গানের মাঝে হঠাৎ নিজ রচিত কলি ঢুকে পড়ায় ছন্দের তালে তাল দেওয়া শ্রোতাগুলোর ভাবনায় ছেদ পড়লো । তারা হাসি আর অবাক মিশ্রিত 'হাবাক' স্টাইলে চেয়ে রইলো শিশিরের দিকে । কিন্তু শিশিরের দৃষ্টি তখন পশ্চিম গেটের পাশে ফুলেরগন্ধ বিলাসেরত একটি মেয়ের দিকে । বন্ধুরা প্রশ্ন উপর প্রশ্ন করতে লাগলো এ ধরণের কান্ড সে কেন ঘটালো তার রহস্যাবৃত করার জন্য । কিন্তু শিশির নিজেই নিজেকে আরও বেশি রহস্যের জালে আটকে ফেলতে লাগলো । শিশিরের বন্ধু নীল তার মাথার কাছে নিজের মাথা রেখে ওর নির্বাক চাহনির দৃষ্টিরেখা দিয়ে তার শেষ প্রান্ত খুঁজতে লাগলো । সে (নীল) যা দেখলো, তা যদি সত্য হয় তাহলে আজ হয়তো কোন এক প্রাণবন্তকর ইতিহাসের যাত্রা পথের দ্বার উন্মোচিত হতে চলেছে ।
.
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now