বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গল্প : দ্বিন শিক্ষা....।
.
.
-দেখো আমি তোমাকে কত্তো করে বলি তুমি মসজিদে যাও নামায আদায় করে আসো।
কিন্তু আমার কথা তুমি পাত্তাই দাও না।
-নামায পড়তে আমার মন চায় না তো বউ।
-এরকম ভাবেই তো সারা জীবন কাটিয়ে দিলা এখন তো বুড়া হয়েছো এখন নামায় না পড়লে ছেলেরা কি বলবে।
এমন যে কাজ কাম আছে।
এসবও তো নাই।সয়তান টা ঘাড়ে থেকে নামাও।
-কিভাবে নামাবো সয়তান।
-যখনি নামায পড়তে মন না চাইবে তখনি বেশি বেশি করে নামায আদায় করবা তাই দেখবা সয়তান ঘাড় থেকে দৌড়াইয়া পালাইবো।
-হুম বুঝতে পারছি। নামায় আর এক ওয়াক্ত ছাড়ুম না ইন শা আল্লাহ।
.
এতোক্ষন সালেহা আর করিম মিয়া কথা বলছিল।সালেহা সেই বিয়ে হওয়ার পর থেকে করিম মিয়াকে
নামাযের কথা বলে যাচ্ছে কিন্তু এখনো তাকে নামাযি বানাতে পারে নাই।অনেক চেষ্টা করেছে শেষ মেষ আজকে পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ার জন্য নিয়ত করেছে।
সালেহার তিন টা ছেলে আর একটা মেয়ে।
তিনোটাই ছেলে কে মাদ্রসায় পড়িয়েছেন।
একজন মাওয়ালানা পড়া শেষ করে একটা মসজিদে ইমামতি করে।
তার পাশা পাশি মাদ্রসায় পড়ায়।
-
.মাজার ছেলে হাফেজ পড়া শেষ করে
মাওলানা পড়তেছে।
তার পর মেয়েকে মাদ্রাসায় পড়িয়ে
মাওলানা পাস করে একজন মুফতি সাবের
সাথে বিয়ে দিয়ে ছেন।
আর ছোট ছেলে মক্তবে পড়তাছে তাকেও
একজন বড় আলেম বানাবে সালেহা।
-সালেহা জানে একজন যদি আলেমের
বাবা-মা হতে পাড়ে কেও তাহলে কাল
কিয়ামতের দিন তার বাবার মাথায় মুকুট
পড়িয়ে দেওয়া হবে।
আর তার বাবা মা কে জান্নাতে নেওয়ার
জন্য সুপারিস করবে।
সালেহা এটাও জানে একজন হাফেজ দশ
জন মানুষকে জান্নাতে যাওয়ার জন্য
সুপারিস করবে আর একজন আলেম হিসাব
নাই অহর অহর মানুষ জান্নাতে যাওয়ার
জন্য সুপারিশ করতে পারবে।
আর একজন হাফেজের কোরআনের ৬৬১২
আয়াত মুকস্থ থাকার জন্য জান্নাতে ৬৬১২
টা তালা হবে।
এসব কিছু সালেহা বিয়ের আগে থেকে
জানতো তাই তার ছেলে মেয়েকে দ্বিন
শিক্ষা দিয়েছেন।
.
-
সালেহা আরো জানতো আমি যদি আমার সন্তানদের দ্বিন শিক্ষা না দিতাম তাহলে কাল কিয়ামতের দিন আমি যদি জান্নাতি হইতাম তখন আমার সন্তানেরা আমাকে জান্নাতে যাইতে দিতো না
তখন আল্লাহ তালার কাছে সন্তানেরা
বিচার দিতো যে আমার মা বাবা আমাকে দ্বিন শিক্ষা দেই নাই তারা শুধু নিজেরাই আমল করে গেছেন
আমাদের আমল করার কথা বলে নাই।
তারা আমাদের বলে নাই যে
এক ওয়াক্ত নামায না পড়লে ৮০ হুব্বা জাহান্নামের আগুনে পুড়তে হবে। এসব কিছুই বলে নাই।
তখণ এসব বিচার দিলে বাবা মা জান্নাতি হলেও জান্নাতে যাইতে দিবে না।
এসব কিছু সালেহা যানতো।
.
-
সালেহা আরো কিছু জানতো।
একজন মানুষ মূর্ত্যর পর তিন টা জিনিস কবরে পাইতে থাকে।
১/ সদক্কাই জাড়িয়া।
যদি মাদ্রাসায় বা মসজিদে কিছু দান করে তাহলে সেই দান করার কারনে সে কবরে তার নেকী যাইতে থাকে কারন।মাদ্রাসায় মসজিদে কোন গুনাহের কাজ হয় না সেখানের নেকীর কাজ হয় তাই সে কবরে যাওয়ার পর সদক্কাই জাড়িয়া নেকী পাইতে থাকে।
২/ একজন নামায পড়ে না তাকে যদি নামাযি বানানো যায় তাহলে সে যদি নামায পড়ে তাহলে সেই নামাযের সওয়ার কবরে যাওয়ার পরে পাইতে থাকে।
৩/নেক কার সন্তান বা দ্বিন দার সন্তান।
তাই সালেহা তার সন্তান দের কে দ্বিন শিক্ষা দিয়ে নেক কার বানিয়ে দ্বিন দার বানিয়েছে।যেনো কবরে যাওয়ার পরও সওয়াব পাইতে থাকে।
.
-তাই এখন থেকে আমরা নিয়ত করি আমাদের সন্তানদের কে এলেমে দ্বিন শিক্ষা দিবো।আর এলেমে দ্বিন শিক্ষা করা হল ফরয।
.
..
লেখক: Rony Ahmed (অগোছালো লেখক)
.
.
............সমাপ্ত........
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now