বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমি ইমন, diploma in engineering পড়ার জন্য Tangail Polytechnic institute -এ admission নিলাম। কলেজের প্রথমদিনটা বেশ ভালো কাটতেছিলো। orientation class তাই কোনো চাপ নেওয়ারও কোনো চান্স ছিলো না। একে একে principle আর সিনিয়র সব teacher রা বক্তব্য দিচ্ছিলেন আমিও বসে বসে শুনেছিলাম।
আর তখনই stage- এ আমাদের এক সিনিয়র আপু ( আপু হবে অন্যকারো আমার তো জান হবে উনি) উঠলো। আমিতো fully টাসকি খাইয়া গেলাম অনাকে দেখে। নীল শাড়ি, হালকা গহনা, চুলগুলো একপাশ করে রাখা, হাতে চুরি আর ঠোটে হালকা রং-এর LipStick, আহা কি দারুন লাগতেছে দেখতে।
তার রূপ লাবন্য সব পিছনে ফেলে তার একটা কথায় আমার মনে জায়গা করে নিলো আর সেই কথাটা হলো #এখানে_সবাই_বলবে_একজন_ভালো_Engineer_ হও_কিন্তু_আমি_বলবো_একজন_Engineer_হতে_হলে_প্রথমে_একজন_ভালো_মানুষ_হও_তাহলে_সাফল্য_তোমার_পিছনে_ছুটবে_তোমাকে_সাফল্যের_পিছনে_ছুটতে_হবেনা।
এরপর যার যার Department নিয়ে যাওয়া হলো। আর গিয়েই দেখি সেই সিনিয়র আপু আমাদের class এ এসে পরিচয় পর্ব চালনা করতেছেন।
সিনিয়র আপু-- আমি ঐন্দ্রিলা। 3rd semester এ পড়ি, তোমাদের সিনিয়র।
আমি-- সে তো দেখেই বুঝতে পারতেছি। এখানে তো আমার Yearmate কে ও সিনিয়র মনে হচ্ছে। ( ওহ তেরি!!! মুখ ফসকে বেরিয়েই গেলো কথাগুলো।)
ঐন্দ্রিলা(সিনিয়র আপু)-- কে? কে বললো এই কথা?
আমি-- আমি ছাড়া আর কারো বলার সাহস নাই। ( খাইছেরে!!!! এবার sure কপালে দুঃখ আছে)
ঐন্দ্রিলা-- এই ছেলে খুব সাহস হয়েছে তোমার তাই না? ( পুরা ৪৪০ ভোল্টেজ লুক দিলো আমার দিকে)
আমি-- বাড়িতে অধিক পরিমাণে গরুর কলিজার তরকারি খাওয়া হয়তো তাই সাহসটার level একটু বেশীই। ( মুখে মুখে তর্ক করার বদ-অভ্যাস জাহান্নামে নিয়ে যাবে আমায়)
ঐন্দ্রিলা-- এই জন্যই এতো বড় কলিজা তোমার। তবে গরুর মাথার মগজ খেলে বুদ্ধি হতো তোমার। মাথায় তোমার মগজ নাই পুরোটাই গবরে ভরা। (ওনার রাগ মাথায় উঠে তান্ডব করতেছে মনে হয়)
আমি-- গবর আমার মাথায় না আপনার মাথায় আছে তা আপনার মাথার চুল দেখেই বুঝা যায়। কথায় আছে যেখানে গবর বেশি সেখানে ঘাস বেশি জন্মায়। ( আগুনে ঘি ঢেলে দিলাম মনে হয় অবশ্য ওনার চুল অনেক সুন্দর আর লম্বায় কোমড় ছাড়িয়ে গেছে।)
ঐন্দ্রিলা-- তোমার সাহসের পরিমাপ এখনই করতেছি। তোমার হাতের গোলাপ ফুলটা দিয়ে এই classroom এর যেকোনো একটি মেয়েকে propose করো আর এর পরের পরিণামের জন্য প্রস্তুত হও। ( আমার ১৩টা বাজানোর plan)
আমি কিছুক্ষন ভেবে তারপর উঠে দাঁড়ালাম আর সরাসরি সিনিয়র আপুর দিকে চলে গেলাম আর হাটু গেড়ে বললাম-
আমি--
"যদি বলো কেনো তোমায় ভালোবাসি,
কারন দেখাবো হয়তো তোমার মুখের হাসি।
যদি এটাও জানতে চাও হাসির মাঝে কি?
বলে দিবো হাসির মাঝেই সব সুখ দেখি।
হাত বাড়িয়েছি চুপিসারে তোমার পানে,
ভালোবেসে নাও এবার আমায় কাছে টেনে।
তুমি বাধা দিলেও ফিরবো তোমার আশেপাশেই,
ঐন্দ্রিলা বাঁচতে চাই তোমাকে ভালোবেসেই।
"I love you ঐন্দ্রিলা will you be a part of my life?"
ঐন্দ্রিলা-- you rascal. ( ঠাসসসসসস)
আমি-- আমি সুদ সহ ফিরিয়ে দিবো তবে চড় নয় ভালোবাসা দিবো।
ঐন্দ্রিলা-- তোর খবর নিতেছি দ্বারা। ঐ রোহান এদিকে আয়, দেখ এই বেয়াদপ ছেলেটা আমাকে propose করতেছে। এই ছেলে তোর নাম কি? ( সিনিয়র একটা ভাইয়াকে ডাক দিলো)
আমি-- জ্বি, আমার নাম ইয়াছিন ইমন।
রোহান-- বলিস কি রে ঐন্দ্রিলা তোকে propose করেছে, এমন দুঃসাহসী আর কপাল পোড়া ছেলে at last পাওয়া গেলো।
ঐন্দ্রিলা-- তুই ওর কোনো ব্যবস্থা করবি নাকি আমি তোর ১২ টা বাজাবো?
রোহান-- দ্বারা আমি দেখতেছি কি করা যায়। এই ছেলে ওঠ আজ তোর একদিন আর আমার যতো দিন লাগে।
আমি-- ভাইয়া আমি কিছু করি নাই, সবকিছু আপুই করতে বলেছে।
রোহান-- চুপ, আমার সাথে আয় তুই। আর কোনো কথা বলবি না।
( রোহান মানে সিনিয়র ভাইয়া আমাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে ক্যাম্পাসের একটা নির্জন যায়গায়, আজ কপালে নিশ্চই কপালে মাইর আছে কলেজের প্রথমদিনেই।
আর এভাবেই আমাদের ভালোবাসার গল্পের শুরু)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now