বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

নাইট অভ দ্য ভ্যাম্পায়ার পর্ব--১৩

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X নাইট অভ দ্য ভ্যাম্পায়ার অনুবাদ:অনীশ দাস অপু পর্ব--১৩ _________________________ 'হয়তো আছে,' বলল ওয়াচ।'তবে সে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে কি না কে জানে।সে নিশ্চয় ইতিমধ্যে জেনে ফেলেছে আমরা তাকে হত্যা করতে আসছি।' 'সেক্ষেত্রে আমরা জেনে শুনে একটি ফাঁদে পা দিতে চলেছি,' বলল স্যালি।'মহিলা আমাদের সবাইকে ভ্যাম্পায়ার বানানোর তাল করছে।' 'কিন্তু আমাদের ফিরে যাবার কোনো উপায় নেই,' বলল অ্যাডাম।'এখনই ওর মুখোমুখি হতে হবে।আর কখনও সুযোগ নাও পেতে পারি।' ' ঠিক বলেছো,' সায় দিল ওয়াচ।'সবাই রেডি তো?' 'আমার কাছে একটি মাত্র গোঁজ আর মশাল আছে,' বলল স্যালি। 'আমি এ দিয়ে কী করে ভ্যাম্পায়ার রানীকে ধ্বংস করব?' 'অস্ত্রের চেয়ে বিশ্বাসটাই বেশি দরকার,' বলল ওয়াচ। 'আমাদের দরকার ভাগ্য,' বিড়বিড় করল ব্রাইস। ওরা ফ্রিজের দরজায় পা বাড়াল। ধাক্কা দিল ব্রাইস।খুলে গেল কপাট। ভেতরে অন্ধকার এবং ঠান্ডা। ভেসে এল মৃদু এবং নরম একটি কন্ঠ।চেনা একটি গলা। 'স্বাগতম।' বলল কন্ঠটি। ওয়াচ ফ্লাশলাইট জ্বালাল। ফ্রিজারের রক্ত এবং বাষ্পের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে রানী শাটোর। আসল ভ্যাম্পায়ার। পঞ্চাশ হাজার বছর বয়স। তবে তাকে দেখামাত্র চিনে ফেলল ওরা। 'নার্স শ্যারন,' মৃদু গলায় বলল ওয়াচ।'আমাদের আগেই অনুমান করা উচিত ছিল।' সে হাসল ওদের দিকে তাকিয়ে।সেই মিষ্টি, সুন্দর হাসি। ঝিকিয়ে উঠল তার শ্বদন্ত। 'এসো,ভেতরে এসো,' বলল সে।'তোমাদের জন্যই অপেক্ষা করছি আমি।' দানব কূলারে ধীর পায়ে প্রবেশ করল দলটি।কাঠের গোঁজ শক্ত মুঠিতে চেপে ধরে রেখেছে ব্রাইস,স্যালির হাতে ফ্লেয়ার রেডি।ওয়াচের পকেটে তরল ফ্লুইড বোঝাই ইনজেকশন। আর অ্যাডাম সিন্ডিকে নিয়ে ঢুকল।সবাই লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত।শুধু শাটোরের মধ্যে যুদ্ধের মেজাজ অনুপস্থিত। তার পরনে এখনও নার্সের সাদা ইউনিফর্ম। তাকে দেখে ভীতিকরও কিছু মনে হচ্ছে না।তবে বড় বড় চোখে কিসের যেন অশুভ ইঙ্গিত। দেখে বিশ্বাস করা কঠিন একসময় বিকৃত, বীভৎস চেহারা ছিল তার।ওদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে অপূর্ব সুন্দরী এক নারী। কূলারের চারপাশে প্লাস্টিকের রক্তের ব্যাগ। অনেকগুলো ব্যাগ ছেঁড়া। ভেতরে রক্ত নেই। 'আমার হিরোরা কি করছে?' ওদের কাছিয়ে আসতে দেখে প্রশ্ন করল শাটোর। 'আমরা তোমার হিরো নই,' খেঁকিয়ে উঠল স্যালি। হাসল শাটোর। 'কিন্তু তবু তোমরা হিরো।তোমাদের অনেক গল্প শুনেছি আমি।তোমরা ভূত-প্রেত-দত্যি-দানো তাড়িয়ে বেড়াও।তোমাদের সঙ্গে লড়াই করার জন্য মুখিয়ে আছি।দেখতে চাই তোমরা আমার কী করতে পারো।' ব্রাইস কাঠের গোঁজে হাত বুলাল। 'তোমাকে আমরা ধ্বংস করে দেব,' বলল সে। ঠাট্টার সুরে প্রশ্ন করল শাটোর,' তা পারবে ভাবছো?আমাকে ধ্বংস করা সহজ না।' 'তুমি অ্যান টেম্পলটন এর নাম শুনেছো?' জিজ্ঞেস করল স্যালি। 'অবশ্যই।তার পূর্বপুরুষের সঙ্গে অতীতে বহুবার আমার সংঘর্ষ হয়েছে। সে তোমাদেরকে বলেনি?সংঘর্ষে ওরা কেউ বাঁচতে পারেনি।' 'তুমি ওদেরকে ভ্যাম্পায়ার বানিয়ে দিয়েছো?' প্রশ্ন করল ওয়াচ। (চলবে) @নেকরে মানব


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now