বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

নাইট অভ দ্য ভ্যাম্পায়ার পর্ব--১

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X নাইট অভ দ্য ভ্যাম্পায়ার ভাষান্তরে:অনীশ দাস আপু পর্ব--১ শুক্রবার সন্ধ্যা।দলটি লোকাল কোর্টে টেনিস খেলছে।ওই সময় ভ্যাম্পায়ারদের নিয়ে শুরু হলো ভংয়কর সব ঘটনা।স্পুকসভিলে ভ্যাম্পায়ারের বাস বেশ কিছুদিন থেকেই। তবে কথাটা জানত না কেউ।শুক্রবার রাতে দলটির সঙ্গে প্রাচীন শত্রুর প্রথম সাক্ষাৎ হলো। দলে আছে:অ্যাডাম ফ্রীম্যান;স্যাল ি উইলকক্স;সিন্ডি ম্যাকে ব্রাইস পুল এবং ওয়াচ।টিরা জোনস এবং জর্জ স্যান্ডার্স দলের সদস্য হলেও এ মূহুর্তে এখানে নেই।তারা মাঝে মাঝে অন্যদের সঙ্গে যোগ দেয়। ওরা ডাবলস খেলছে।তবে চারজনে নয়,পাঁচজনে মিলে।অ্যাডাম এবং স্যালি পার্টনার,অপরদিকে বাকি তিনজন হয়েছে পার্টনার।অবশ্য ওয়াচকে পার্টনার না বললেও চলে।সে তো আধা-অন্ধ।ওদিকে স্যালি একাই একশো।সে লম্বা হাত দিয়ে দুর্দান্ত জোরে শট মারে,তার কো-অর্ডিনেশন অবিশ্বাস্য।স্যালি এবং অ্যাডাম ওদের বিরুদ্ধে দশটি গেম খেলেছে। প্রতিটিতে জিতে নিয়েছে প্রত্যাশিত বিজয়। 'খেলে তেমন একটা মজা পাচ্ছি না,'আমাকে বলল স্যালি সার্ভ করার সময়।'এরা তো হারু পার্টী।' স্যালি মানুষকে অপমান করতে ওস্তাদ। সে স্রেফ কাউকে 'হ্যালো' বলেও অপমান করতে পারে। তবে সে খুব রসিকও বটে।অবশ্য মুড ভালো থাকলেই কেবল ঠাট্টা-তামাসা করে স্যালি। সে বলল:'সত্যিকারের প্রতিযোগী চাই আমি'। 'অহংকার করো না,'ওকে সতর্ক করে দিল অ্যাডাম।'প্রতিট ি খেলায় ওরা আগের চেয়ে ঝানু হয়ে উঠেছে।' অ্যাডাম শহরে নতুন এলেও সে দলে নেতা হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।সে তেমন একটা লম্বা নয়,বরং বেঁটেই বলা যায়,তবে অ্যাডাম অত্যন্ত বুদ্ধিমান ছেলে এবং খুবই পরোপকারী স্বভাবের।সব সময় অন্যের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়ে। 'অত জোরে মেরো না,'বলল সিন্ডি।সিন্ডিও এ শহরে নবাগত।তার মাথার লম্বা কেশরাজি সোনালী,ভারি মিষ্টি ব্যবহার। তবে স্যালির সাথে ঝগড়ার সময় সে বিড়ালের মত নখ ঝাঁপিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। 'ওরা যত ইচ্ছে জোরে মারলেও আমাদের কিছু বলার নেই,' সিন্ডিকে বলল ব্রাইস।সে কোর্টের অপর প্রান্তে,সিন্ডির পাশে দাঁড়িয়ে আছে।ব্রাইস রোগা-পাতলা,লম্বা,কালো চুল।সেও বুদ্ধিমান এবং সাহসী।তবে অস্থির প্রকৃতির।সে ভাবে দুনিয়া রক্ষার জন্য তার জন্ম হয়েছে। 'আমাদের অন্তত,একটা গেম জিততে হবে নইলে স্যালি আমাদের মাটিতে নাক ঘষে দেবে,'বলল ওয়াচ।সে কোর্টের পেছনে,সিন্ডি এবং ব্রাইসের পাশে দাঁড়িয়েছে। ওর নাম ওয়াচ কারন সে সবসময় চারটে ঘড়ি পরে,একেকটি ঘড়ি একেক সময় বলে দেয়।সে দলের সবচেয়ে প্রতিভাবান বালক,অথচ তার কোনও অহংকার নেই।সে অত্যন্ত লাজুক প্রকৃতির।সবাই ওয়াচকে ভালোবাসে।তবে কেউ বড়াই করে বলতে পারবে না সে ওয়াচকে ভালোভাবে জানে।সবসময় আপন মনে থাকে ওয়াচ,তার পরিবার বলে কিছু নেই। 'তোমাদের কথা শুনে ফেলেছি আমি,'বল হিট করার জন্য প্রস্তুত স্যালি।'তোমাদের খেলায় জেতার কোনো চান্সই নেই'। এমন সময় টেড টেন এসে ধপাশ করে পরে গেল কোর্টে।কেউ তাকে আসতে দেখেনি।তবে ও মাটিতে পড়ে যাওয়া মাত্র সবাই ছুটে গেল ওর দিকে।টেড ওদের সঙ্গে একই স্কুলে, একই ক্লাসে পড়ে।সে ওদেরই বয়সী,বারো।কোকড়ানো সোনালি চুল,বড়বড় নীল চোখ।সে খেলোয়াড় হিসেবে বেশ জনপ্রিয়।তবে টেডকে নিয়ে ওরা কখনও অ্যাডভেঞ্চারে যায়নি। অ্যাডামদের জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যেন জড়িয়ে আছে বিপদ।এ বিপদ এবং আতংকের সঙ্গে স্কুলের কোনও ছেলেকে ওদের জড়ানোর ইচ্ছে নেই। টেডের চেহারা অত্যন্ত ফ্যাকাসে লাগছে,তার ঘাড়ে সাদা একটি ব্যান্ডেজ।সে টেনিস কোর্টের কংক্রিটের মেঝেতে এপাশ ওপাশ করছিল। 'টেড,'উদ্বেগ নিয়ে ডাকল অ্যাডাম।'কী ব্যাপার?কী হয়েছে তোমার?' জবাব দিল না টেড।হঠাৎ স্থির হয়ে গেল সে,অ্যাডামের দিকে তাকাল অদ্ভুত দৃষ্টিতে। টেডের নীল চোখ এ মূহুর্তে স্বছ নয়,লাল টকটকে।ওয়াচও ছেলেটির পাশে বসেছে হাঁটু মুড়ে।সে সাবধানে টেডের ঘাড়ে বাঁধা ব্যান্ডেজ খুলে ফেলল। ব্যান্ডেজে রক্ত! 'ওর ঘাড় থেকে রক্ত পড়ছে।'আঁতকে উঠলো সিন্ডি। 'কিন্তু রক্ত পড়বে কেম?'অবাক হলো স্যালি।'কী হয়েছে ওর?' 'শাটোর,'বিড়বিড় করল টেড। আরও কাছে ঝুঁকে এল অ্যাডাম আর ওয়াচ। 'কী বললে,টেড?'জিজ্ঞেস করল অ্যাডাম। 'রানি,'ফিসফিস করল টেড। 'কে রানি?' জানতে চাইল ওয়াচ। 'কিন্তু আর কিছু বলল না টেড,ওর ঘাড় বেয়ে রক্ত পড়ছেই।' 'ওকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া দরকার, বলল অ্যাডাম।' 'হাসপাতালে,' এ শহরের ডাক্তাররা তো আন্ডারটেকারের মত,বলল স্যালি। 'তারা চায় না কোনো অসুস্থ মানুষ বেঁচে থাকুক।' 'ওর চিকিৎসা আমাদের নিজেদেরই করতে হবে।' 'এখন আগের মত আর রক্ত পড়ছে না।' (চলবে) @নেকরে মানব


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ নাইট অভ দ্য ভ্যাম্পায়ার পর্ব--১৬ (শেষ)
→ নাইট অভ দ্য ভ্যাম্পায়ার পর্ব--১৪
→ নাইট অভ দ্য ভ্যাম্পায়ার পর্ব--১৩
→ নাইট অভ দ্য ভ্যাম্পায়ার পর্ব--১২
→ নাইট অভ দ্য ভ্যাম্পায়ার পর্ব--১১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now