বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভালোবাসার অনুভূতি...

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান SM SOUROVE SHEAK (০ পয়েন্ট)

X গল্প : ভালোবাসার অনুভূতি। লেখা: সৌরভ শেখ। ... দিনটা ছিলো মার্চের ১৫ তারিখ। সবার কাছে সাধারন হলেও অাশিক , মিথিলার কাছে স্বাভাবিক নয়। কেননা,ওই দিনটাতেই অাশিক, মিথিলার ব্রেক অাপ হয়। .. অাশিক এবং মিথিলার প্রেমটা সকলের চাইতে একটু ভিন্ন ধরনের। সেবছর অাশিক এইচ এসসি ২য় বর্ষের ছাত্র। অার মিথিলা সে বছর এইচ এসসি ১ ম বর্ষের ছাত্রী। .. অাশিক ভালো ভলিবল খেলা জানতো, জানুয়ারী মাসের কথা, কলেজের ডিভিশনে ভলিবল খেলার জন্য প্রাকটিসকালীন সময়ে অাশিক মিথিলাকে দেখতে পায় একটি ফাইল হাতে কলেজে ঢুকছে, ফাইলে হয়তোবা ভর্তির জন্য জরুরী কাগজপাতি। অাশিক ভলিবলটাকে ঠিক মিথিলাকে নজর করেই হাত দিয়ে ছুড়ে মারে। ঠিক মিথিলার সামনে গিয়ে বলটি হাজির হয়। এবং সামান্য স্পর্শও লাগে। মিথিলা মিষ্টি হেঁসে বলটি অাশিকের দিকে ছুড়ে দেয়... অাশিক:-এই দাড়াও। মিথিলা:-মিষ্টি হেসে, জ্বি বলুন। অাশিক:-তুমিতো ভালোই বল খেলতে যানো। মিথিলা:-লজ্জাতে কথা বলে না। অাশিক:-ভর্তি হবা বুঝি..??? মিথিলা:-হ্যা। অাশিক:-এসো অামার সাথে। তারপর ভলিবল খেলার মাঠের কাছে গিয়ে মিথিলাকে বলে,অামার প্রাকটিস শেষ হতে ৫ মিনিট লাগবে। তুমি দাড়াও। তোমার ভর্তির দ্বায়িক্ত অামার। মিথিলা দাড়িয়ে থাকে, ৫ মিনিট পর দুজনে হাটে এবং কথা বলতে থাকে... ততক্ষনে অাশিক মিথিলার মন জয় করকে বাকি রাখে নাহ্... এভাবেই শুরু হয় তাদের প্রেম। .... .... ঠিক পরদিন থেকে ফোনে কথা,ফেসবুকে মেসেজ ইত্যাদির মাধ্যমে কাটতে থাকে অাশিক অার মিথিলার সকাল সন্ধ্যা। কলেজে গিয়েও কেউ ক্লাশ করে না, দুজনে কর্মাসের ভবনের পাশে দাড়িয়ে ভালোবাসার কথা বলতে বলতে কাটিয়ে দেয় কলেজ টাইম। কলেজ শেষে অাশিক মিথিলার বাসার সামনে মিথিলাকে এগিয়ে দিয়ে অাসে। ঠিক এভাবে "দু" মাস সুখে শান্তিতে চলতে থাকে তাদের প্রেমময় জীবন। ... ... "দু" মাস পর সে দিনটার কথাই বলছি, ১৫ ই মার্চ, অাশিক কলেজে এসেছে, মিথিলাও এসেছে, তবে অাজ দুজন ভিন্ন রূপে। কেউ কাউকে চিনেনা... বলতে গেলে অবাক হতে হয় যে যারা দুজন দুজনের সাথে ১ মিনিট কথা না বলে থাকতে পারতো না, অাজ তাদের মাথায় মাথায় ধাক্কা লাগলেও কথা বলছে না একে অপরের সাথে। কারনটা ছিলো এইটুকুই যে 'অাশিক' না,কি মিথিলাকে বলেছিলো তার অার ভালো লাগে না মিথিলাকে। তারপর থেকেই অাবেগী মেয়েটার এমন অবস্থা। ... .... তবে ঠিকই দিন কেটে যায়... প্রতিটা প্রহরই মিথিলা বুক ভরা কষ্ট নিয়ে কাটায়। প্রতিটা রাত বিষন্নতার সাথে কাটায়। কখনও চোখের পানিতে বালিশ ভিজিয়ে ফেলে কখনবা,ঘুমের মধ্যে সজাগ হলে সারারাত বসে বসেই কাটায়... অার ঠিকই প্রতিনিয়ত অাশিককে অাবার ফিরে পাবার অাশায় ফেসবুকে পৃথিবীর সকল অাবেগ নিয়ে লেখা স্টাটাসগুলা অাপডেট করতে থাকে। ঠিক এইটাই ভালোবাসার অনুভূতি। সত্যিকারের ভালোবাসা মুখোমুখি উঠে গেলেও মনের ভেতরে বিদ্যমান থাকে হাজার বছর। '' " " ---ভুল ত্রুটি ক্ষমার চোখে নিবেন। লেখক:এস এম সৌরভ শেখ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now