বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
অামার একজন প্রেমিকা ছিলো
ও ছিলো একটু পাগলী
টাইপের মেয়ে।
ওর সাথে অামার প্রথম দেখা
হয়েছিলো জেলা শহরে,প্রাশাসনিক ভবনের
সামনে। জানিনা,ও কি করতে অাছসিলো
ওখানে..? তবে অামি ওখানে একটা দরকারেই
গিয়েছিলাম।
মজার ব্যেপার অামি দোলানায় বসেছিলাম
ঝুল খাবো বলে...
তবে ধাক্কা দেওয়ার কেউই ছিলোনা,
তাই নিজে চুপ করে বসে ছিলাম ফেসবুক নিয়ে।
হটাৎ ও এসে বল্লো,অামি ধাক্কা দেই..
অামি প্রথম লজ্জা পাচ্ছিলাম,এদিক সেদিক
তাকালাম।
ও বলেছিলো মিষ্টার লজ্জা পেতে হবেনা..অাপনি অনেক কিউট,, অামি অতোটা কিউট না ভয় নেই অাপনার।
অামি ততক্ষনে বুজতে পারলাম ও ভীষন স্বাভাবিক,সহজ,সরল মেয়ে।
বললাম অচ্ছা তাহলে ধাক্কা দেও।
তারপর কিছুক্ষন কথা হয় ওর সাথে।
এভাবেই অামাদের দুজন দুজনকে ভালো লেগে যায়।
অামরা প্রেমে পড়ে যাই দুজন দুজনেরই।
ও অার লজ্জা করেনা, অামার হাত ধরে বলে
বসে অামি তোমাকে ভালোবাসি।
তখন অামিও ওকে বলে দেই, অামিও ওকে ভালোবাসি।
....
তবে, অামাদের প্রেমের প্রথমে ও অামাকে বলেছিলো,
অামার অার ওর প্রেমে কখনও কোনো অশান্তি থাকবেনা
ও যদি হাজারও ছেলে দেখে, তাহলে অামার কথা মনে করবে,
অাবার অামাকে বলেছিলো
অামি যদি হাজারও মেয়ে দেখি ওর কথা মনে করতে।
তাহলে না,কি অামাদের প্রেমে কখনও অশান্তি অাসবেনা।
...
অরও বলেছিলো,,
ও পৃথিবীর যেখানেই থাকুক অামাকে মনে করবে তবে ও কখনও ওর মা,বাবার মতামতকে অমান্য করবেনা যদি কোথাও ওকে বিয়ে দেয়।
অাবার,অামার মা,বাবা যদি অামাকেও কোথাও বিয়ে দেয়,ও কখনও জোর করবে না।
।
মোটকথা অামাদের কথা ছিলো, অামারা দুজন দুজনকে সারাজীবনই মন দিয়ে ভালোবাসবো যদিও অামাদের দুজনের নসীবে একে অপরের সাথে বিয়া না হয়।অার অামারা কেউ কখনও কষ্ট পাবোনা।
...
....
অামি প্রায়ই ওর সাথে দেখা করতাম জেলা শহরে গিয়ে,
ওদের বাসাটা ছিলো মৌলুভীপাড়া,
অামি গেলেই ওকে কল দেওয়াতে দেরি তো
লেক পার্কের সামনে ছাউনিটায় অাসতে ওর দেরি হতোনা।
কেননা,অামাদের প্রেমের প্রথমেই ওকে বলা ছিলো অামি কখনও গোপালগঞ্জ অাসলে
এই ছোট্ট ছাউনিতে তোমার জন্য অপেক্ষা করবো।
...
....
এভাবে মাসে প্রায় ৩-৪ বার ওর সাথে অামার দেখা হইতো।ও অাসতো ছাউনিতে...অামি বাদাম কিনতাম, অার দুজনে চির শান্তিতে বাদাম খাইতাম
অার গল্প করতাম।
ও অামাকে জড়িয়ে ধরে ওর যত অাবেগী কথা বাত্রা ছিলো, সব বলতো।
অামি শুনতাম অার বোকা মেয়েটিকে
বোঝাইতাম।
এভাবেই অামাদের প্রেম ৪ বছর চলতে থাকে।
....
....
৪ বছরের কোনোদিন ও অামাকে কল করেনি,মেসেজ করেছে অনেক।অামিই ওকে কল করতাম।
তবে সেদিন ও অামায় কল করে,কলটি পেয়ে
ভাবি হয়তো কোনো সংবাদ দিবে।
রিসিভ করা মাত্র ফিসফিস কন্ঠে বলে,সৌরভ
অাজ এখনই ছাউনিতে অাসতে হবে,অামি এখন ছাউনিতে অাছি।
অামি কথা বলার অাগেই এইটুকু বলে কেটে দেয়।
তখন কি অার করার,অামাকে যেতে হয় ছাউনিতে।
যাওয়ার সাথেই ও অামাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলে।
অামি বলি কি হয়েছে,ও অার কিছুই বলতে পারেনা,ওর বন্ধবীর কাছ থেকে জানতে পারি ওর বিয়ে ওদিন সন্ধ্যায় হতে যাচ্ছে,বাড়ি থেকে পাল্লারের নাম নিয়ে অামার সাথে দেখা করতে
এসেছে শেষ বারের মতো।
...
....
অামি জীবনের সবচেয়ে বড় কষ্ট পেয়েছিলো ওই মুহূর্তে,কারন যার মুখের হাসি অামার অন্তরে সর্বদা বিদ্যমান তার চোখের কান্না অামি সহ্য করতে পারছিলাম না।
তখন অামি ওকে জড়িয়ে ধরি।
ওর কান্না থেমে যায় মুহূর্তেই।
অার অামাকে বলে,অামকে তুমি এখনও ভালোবাসো...??
অামি তখন কথা বলতে পারি না।
ও অামার উত্তর নীরবেই বুজতে পারে।
তখন অার একটা প্রশ্ন করে.
সারা জীবন অামাকে এমনভাবে ভালো বাসবে তো..??? সৌরভ।
অামি বলি হ্যা বাসবো।
তখন অামি ওর ব্যেপারটা বুজতে পারি অার
ওকে জীবনের প্রথমবার নাম ধরে ডাকি
অার বলি,চলো মিম তোমাকে বাসায় পৌছে দিয়ে অাসি।
তখন একটা রিকসা ডাকি, ও অার অামি উঠে পড়ি,,৫ মিনিটের পথ ওদের বাসা তবুও রিকসায় যতক্ষন বসে ছিলাম ততক্ষন ও অামাকে জড়িয়ে ধরে বসে থাকতে দিদ্ধাবোধ করেছিলোনা যদিও মা,বাবা দেখবে ভয় থাকে।
ওদের বাসার সামনে পৌছে ওকে বলি জান তুমি যাও...
শেষ বারের মতো ওকে দেখে ড্রাইভারকে বলি চলেন....
অনেকদূর যাওয়ার পরেও ওদের বাসার দিকে তাকিয়ে দেখি ও বেলকুনিতে দাড়িয়ে অামার দিকে চেয়ে অাছে...
অামি তারপর বাড়িতে চলে অাসি...
হাজারবার ওর কথাটা মনে পড়তে লাগে অামার..
ঠিক এখনও মনে পড়ে...
যে ও বলেছিলো...
এমনভাবে ভালোবাসবে তো সারাজীবন...!!
...
....
তারপর ওর সাথে অার কোনোদিন অামার দেখা হয়নি।
...
....
{বিদ্রঃ সম্পূর্ন কল্পনায় লিখেছি}
লেখকঃ~এস এম সৌরভ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now